চীনের তাড়া খেয়ে পালালো মার্কিন যুদ্ধজাহাজ!

নিজেদের জলসীমায় প্রবেশ করায় মার্কিন একটি যুদ্ধজাহাজকে তাড়া করেছে চীনের নৌবাহিনী। এরপর মার্কিন ওই যুদ্ধজাহাজকে চীনের জলসীমা থেকে বের করে দেয়া হয়। গত মঙ্গলবার দক্ষিণ চীন সাগরের জিসা দ্বীপের জলসীমায় প্রবেশ করে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ।

এরপর সেটিকে তাড়া করে সেখান থেকে বের করে দেয় চীনের নৌবাহিনী। চীনা কর্তৃপক্ষ বলছে, দক্ষিণ চীন সাগরে নিজেদের শক্তি হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তারা এখন জোর করে অনেক কিছুর নিয়ন্ত্রণ নিতে চাচ্ছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রকে এই অঞ্চলে কিছুতেই আধিপত্য বিস্তার করতে দেয়া হবে না।

এদিকে চীনের আরো কিছু সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, গত মঙ্গলবার জিসা দ্বীপের কাছে চীনের জলসীমায় প্রবেশ করে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ ম্যাক-ক্যাম্পবেল। এরপর সেটিকে তাড়া করে চীনের বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ। বেইজিংয়ের জলসীমা থেকে বের করে দেয়ার আগে ওই যুদ্ধজাহাজকে সতর্কও করা হয়। গ্লোবাল টাইমস। সুত্র: পার্সটুডে

ভারতে মুসলিম তরুণদের পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করা হচ্ছে: জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ

ভারতের বহু মুসলিম তরুণ ও যুবককে গত কয়েকদিনে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ। দলটির নেতারা নয়াদিল্লির পুলিশ প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ অভিযোগ জানিয়েছেন। এ সময় তারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক ধরপাকড় অভিযানে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের দায়িত্বশীল নেতারা বলেছেন, মুসলিম তরুণদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত উপায়ে ধরপাকড় অভিযান চলছে। নয়াদিল্লির সাম্প্রতিক মুসলিম বিরোধী ভয়াবহ সহিংসতার জন্য উগ্র হিন্দু তরুণরা দায়ী হলেও রহস্যজনকভাবে পুলিশ এখন উল্টো মুসলিম তরুণদের আটক করছে।

বিষয়টি নিয়ে দিল্লির মুসলমানরা তীব্র আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন এবং এখনো যারা আটক হননি তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ভারতীয় পুলিশের শীর্ষ কর্তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখার আশ্বাস দিলেও দেশটির মুসলিম নেতারা মনে করছেন, যতদিন তাদের বিরুদ্ধে তৈরি করা বৈষম্যমূলক নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বাতিল করা না হচ্ছে ততদিন এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকবে এবং আরো খারাপ হবে।

নয়াদিল্লির সাম্প্রতিক মুসলিম বিদ্বেষী সহিংসতায় অন্তত ৫০ জন নিহত ও ৪০০ জনের বেশি আহত হয়েছে। মুসলমানদের বহু ঘরবাড়ি, দোকানপাট, মসজিদ ও মহল্লা জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। এ বর্বরোচিত ঘটনার পর দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত এতে জড়িত উগ্র হিন্দুদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। সুত্র: পার্সটুডে