এবার তুরস্কের বিরুদ্ধে নামছেন মোদি!

এমনকি তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েপ এরদোগান প্রকাশ্যে যখন জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদে পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছেন, তখন আঙ্কারার তিন ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী ও কঠোর প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাস, আর্মেনিয়া ও গ্রিসের সাথে নীরবে সম্পর্ক জোরদার করছে নয়া দিল্লি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদে বক্তৃতা দেয়ার পর সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস আনাস্টেসিয়াদেসের সাথে বৈঠক করেন। এসময় তিনি সাইপ্রাস প্রজাতন্ত্রের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও ঐক্যের প্রতি ভারতের অব্যাহত সমর্থনের কথা আবারো ঘোষণা করেন।

ভারতের এই ঘোষণা পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় এই দেশটির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ১৯৭৪ সালে তুর্কি হস্তক্ষেপে দেশটির উত্তর অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তুরস্কের সহায়তায় তুর্কি সাইপ্রাস তথা টার্কিশ রিপাবলিক অব নর্দার্ন সাইপ্রাস গঠিত হয়। এর ফলে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ সামরিক অচলাস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

তুর্কি সাইপ্রাস আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি তেমন পায়নি। কেবল তুরস্কের সাথেই রয়েছে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক। উত্তর সাইপ্রাসে তুরস্কের ৩০ হাজার সৈন্য মোতায়েন রয়েছে।
মোদি তার গ্রিক প্রতিপক্ষ কিরিওকোস মিতসোতাকিসের সাথে সাক্ষাত করেন শুক্রবার।

তিনি টুইটে বলেন, তিনি গ্রিসের প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষা করেছেন। তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। আমরা বাণিজ্যের পাশাপাশি জনগণ পর্যায়ে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করব। তুরস্ক ও গ্রিসের মধ্যে অনেক দিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে। ১৯৯৬ সালে ইমিয়া আইল্যান্ড নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সামরিক সঙ্ঘাতও হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্ততায় বড় ধরনের সঙ্কট এড়ানো সম্ভব হয়। দুই দেশের মধ্যে আরো কিছু বিষয়ে জটিলতা রয়েছে। তুরস্কের তুলনায় আকারে অনেক ছোট হলেও গ্রিস সামরিক খাতে অনেক ব্যয় করে। বিশ্বে তারা প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের দিক থেকে সপ্তম স্থানে রয়েছে,মাথাপিছু ব্যয় ১,২৩০ ডলার। তাদের জঙ্গি বিমানগুলো প্রায়ই তুর্কি জঙ্গিবিমানের সাথে আকাশযুদ্ধে লিপ্ত হয়।

মোদি আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানের সাথেও বৈঠক করেছেন। তুরস্কের সাথে এই দেশের সীমান্ত রয়েছে, তাদের মধ্যকার সম্পর্কও টানাপোড়েনের। সেই ১৯১৫ সালে উসমানিয়া সাম্রাজ্যের সময় কয়েক লাখ আর্মেনিয়ানের নিহত হওয়ার ঘটনা এখনো আর্মেনিয়া ভুলতে পারেনি।

আর তুর্কি সরকার গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকের পরও মোদি দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের কথা বলেন।
চলতি বছরের প্রথম দিকে আর্মেনিয়ান পার্লামেন্টের স্পিকার আরারাত মিরজোয়ান আর্মেনিয়া ও সাইপ্রাসের মধ্যকার সম্পর্ককে ‘সত্যিকার বন্ধুত্বপূর্ণ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছিলেন, তুরস্ককে সংযত রাখার অভিন্ন লক্ষ্য রয়েছে দুই দেশেরই।

গত জুনে সিপ্রিয়ট রাজধানী নিকোসিয়ায় প্রথমবারের মতো সাইপ্রাস, গ্রিস ও আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠক করেছিলেন।
জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদে বক্তৃতাকালে সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট বলেন, শেষ ইউরোপিয়ান বিভক্ত দেশ হিসেবে রয়ে গেছে সাইপ্রাস। তিনি সাইপ্রাসের সার্বভৌমত্ব অধিকার লঙ্ঘনের জন্যও তুরস্কের সমালোচনা করেন।

গ্রিক প্রধানমন্ত্রী জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের বক্তৃতায় তুরস্কের ‘গানবোট কূটনীতির’ তীব্র সমালোচনা করেন। আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রীও তুরস্ককে আক্রমণ করে ওই ফোরামে বক্তৃতা করেন। তুরস্কের সাথে এই তিন দেশের গভীর বৈরিতার মধ্যেই মোদির এই তিন নেতার সাথে বৈঠক করাটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মনে হচ্ছে, ভারতের বিরুদ্ধে ইসলামাবাদের সাথে আঙ্কারার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে চ্যালেঞ্জ করতেই মোদি এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

বিশ্ব কুরআন প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা বিশ্বজয়ী ৪ হাফেজে কুরআনকে সংবর্ধনা!

বিশ্ব কুরআন প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা চার কৃতি হাফেজকে সংবর্ধনা দিয়েছেন ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিঃ এর চট্টগ্রাম পটিয়া শাখার ব্রাঞ্চ ইনচার্জ মাওলানা মাহমুদ উল্ল্যাহ। সংবর্ধনা পাওয়া হাফেজগণ হলেন, হাফেজ নাজমুস সাকীব, হাফেজ জাকারিয়া, হাফেজ তরিকুল ইসলাম ও হাফেজ আব্দল্লাহ আল মামুন।

শুক্রবার (৪ অক্টোবর) রাতে পল্টনস্থ ফুডলেব রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা ও সংবর্ধনাসভা। কলরবের সাংগঠনিক সহকারী পরিচালক মাওলানা সাইদুজ্জামান নুরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইমাম সমিতির সভাপতি,

টিভি আলোচক হাফেজ মাওলানা লুৎফর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশিষ্ট ওয়ায়েজ মাওলানা সাদিকুর রহমান আল আজহারী, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান, শীলন বাংলা সম্পাদক মাসউদুল কাদির, আওয়ার ইসলাম২৪ ডটকম সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুব,

কলরব শিল্পীগোষ্ঠীর যুগ্ম পরিচালক মুহাম্মাদ বদরুজ্জামান, দৈনিক আমার সংবাদের অনলাইন ইনচার্জ রোকন রাইয়ান, সমাজ সেবক বোরহান উদ্দীন,হাফেজ মাওলানা ফয়েজুল্লাহ প্রমুখ। বক্তারা বলেন, হাফেজগণ পবিত্র কুরআনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সম্মানকে উঁচুতে তুলে ধরেছেন।

বিশ্বের বুকে বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছিয়েছেন। তাদেরকে বৃহৎ পরিসরে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মাননা দেয়া প্রয়োজন। তারা আরও বলেন, আল্লাহ তায়ালার ঐশিবাণী আল কুরআনের ভালোবাসা বুকে লালন করেই সফলতায় পৌঁছা সম্ভব। এ জন্য পবিত্র কুরআনের মাহাত্ব মর্যাদা আমাদের বুঝে এর কদর করতে হবে।

শুধু তেলাওয়াত নয় কুরআনের মর্মার্থ অনুধাবন করে একে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করাও মুসলমানদের দায়িত্ব বলে জানান বক্তারা। সভাপতির বক্তব্যে বিশিষ্ট আলেমে দীন মাওলানা মাহমুদ উল্ল্যাহ বলেন, আমার অনেক দিনের সপ্ন ছিলো বিশ্বজয়ী সব কুরআনের পাখিকে একসঙ্গে সম্মাননা দেয়া।

আজ এ স্বপ্নের কিছুটা হলেও পূরণ করতে সক্ষম হয়েছি। এ জন্য শুকরিয়া আদায় করছি। আজ এ স্বপ্নের কিছুটা হলেও পূরণ করতে সক্ষম হয়েছি। এ জন্য শুকরিয়া আদায় করছি।আজ এ স্বপ্নের কিছুটা হলেও পূরণ করতে সক্ষম হয়েছি। এ জন্য শুকরিয়া আদায় করছি।