“বিদেশি পরাশক্তির বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে হয় বাঁচব, নইলে মরব”

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান বলেছেন, “বিদেশি শক্তির অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে হয় বাঁচব, নইলে মরব। কিন্তু আমরা আত্মসমর্পণ করব না।

আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করবে তাদের সঙ্গে আমরা লড়াই করব।” রাজধানী আংকারায় গতকাল (রোববার) ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভলপপমেন্ট পার্টি বা একেপি’র এক সমাবেশে এরদোগান আরো বলেন,

২০১৩ সালে তুরস্কে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ
এরদোগান বলেন, ২০১৩ সালে তুরস্কে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভের পর থেকে তুর্কি অর্থনীতি বিদেশি শক্তিগুলোর হামলার শিকার হয়ে আসছে। তবে অর্থনীতি ও নিরাপত্তা আগামী দিনগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে।

“যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছি তা থেকে আমরা একথা বুঝেছি যে, বৃহৎ ও শক্তিশালী তুরস্ক গড়তে গেলে আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করা উচিত হবে না। আমাদের সামনে আবারো চ্যালেঞ্জ এসেছে- হয় আমরা বাঁচব নাহয় মরব; অন্য কোনো পথ নেই।”

আরো পড়ুন: সন্ত্রাসবাদের কাছে তুরস্ক কখনো মাথানত করিনি আর করবেও না:এরদোগান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এর্দোগান বলেছেন, অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদের কাছে তারা মাথানত করবেন না। রাজধানী আঙ্কারায় জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বা একে পার্টির এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

এর্দোগান আরও বলেন, তুরস্কের অর্থনীতি ভালো অবস্থানে রয়েছে। রাজনৈতিক আক্রমণ, অভ্যন্তরীণ গণ্ডগোল ও বাইরের চাপ তুরস্ককে লক্ষচ্যুত করতে পারবে না।

তুরস্কে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ফলাফল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ নির্বাচনে বিরোধীদের সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। আঙ্কারা, ইস্তাম্বুল ও ইজমিরের মতো বড় শহরে বিরোধীরা বিজয়ী হয়েছে। এটাই প্রমাণ করে তুরস্কে আইনের শাসন রয়েছে।

কয়েক সপ্তাহ আগে তুরস্কে অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন একে পার্টি বেশি ভোট পেলেও বড় শহরগুলোতে হেরে গেছে।

সুত্রঃ পার্সটুডে