পানির নীচ থেকে যুদ্ধ জাহাজ ধ্বংস করার দানবীয় এক অস্ত্র তৈরি করে তাক লাগালো তুরস্ক

মুসলিম বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশ তুরস্কের এই দানবীয় অস্ত্রটি খুবই ভয়ঙ্কর। এটির বুলেট সমুহ যে কোন যুদ্ধ জাহাজের তলা কানা করে সাগরে ডুবিয়ে দিতে পারে।

বর্তমান বিশ্বে আমেরিকা চীন ও তুর্কি ছাড়া অন্য কোন সেনাবাহিনীর কাছে এই অস্ত্রটি নেই। তুর্কির তৈরী এই ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক অস্ত্রটির নাম দিয়েছেন “শাহী-২০৯”।

ইসরাইল ছাড়া বিশ্ব হবে নিরাপদ স্থান: ইরান

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের জাতীয় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি বলেছেন, ইহুদিবাদী ইসরাইল ছাড়া বিশ্ব হবে নিরাপদ স্থান। ইরান সফররত সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল মিকদাদের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন আলী শামখানি।

তিনি আরো বলেন, সিরিয়ার মাটিতে মার্কিন সেনাদের অবস্থানের অর্থ হচ্ছে আরব এ দেশটির তেল সম্পদ লুটপাট, ইহুদিবাদী ইসরাইলকে রক্ষা এবং উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশকে শক্তিশালী করা। তিনি বলেন, এ অঞ্চলে আমেরিকার সামরিক উপস্থিতির অবশ্যই অবসান ঘটাতে হবে।

আলী শামখানি বলেন, ইসরাইল তার অস্তিত্বের জন্য মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সন্ত্রাসের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। ফলে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত এই রক্তপিপাসু সরকারের বিরুদ্ধে শক্তভাবে রুখে দাঁড়ানো।

তিনি জোরালো ভাষায় বলেন, কোনো সন্দেহ নেই ইহুদিবাদী ইসরাইল ছাড়া বিশ্ব হবে নিরাপদ স্থান। ইরানের এ কর্মকর্তা বলেন, যেসব আরব রাষ্ট্র অপমানজনকভাবে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করছে তাদের ভাগ্যে লিবিয়া এবং সুদানের উৎখাত হয়ে যাওয়া শাসকদের পরিণত রয়েছে।

আলী শামখানি সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে শক্তভাষায় আশ্বাস দিয়ে বলেন, আগ্রাসন এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে সিরিয়াকে কখনো একা ফেলে যাবে না ইরান।

এদিকে, ইরানের জাতীয় সংসদের স্পিকার বাকের কলিবফের সঙ্গে গতকাল (সোমবার) শেষ বেলায় আলাদা বৈঠক করেন ফয়সাল মিকদাদ। এ সময় স্পিকার কলিবফ বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইল হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে টেকসই নিরাপত্তা অর্জনের ক্ষেত্রে বিরাট বড় বাধা।

তিনি ইহুদিবাদী ইসরাইল সরকারের বিরুদ্ধে মুসলিম সরকারগুলোকে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান যাতে তেলআবিবের সঙ্গে আরব রাষ্ট্রগুলো সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সুযোগ না পায়।