তুরস্কে শিশুদের নামাজে আকৃষ্ট করতে মসজিদে শিশুপার্ক তৈরি করলেন ইমাম!

শিশুদের নামাজ ও কুরআন শিক্ষার প্রতি আকৃষ্ট করতে মসজিদের সঙ্গেই ছোটখাটো একটি শিশুপার্ক গড়ে তুলেছেন তুরস্কের কোকেলি প্রদেশের বাসিসকেলে জেলার একটি মসজিদের ইমাম।

এ ঘটনায় দেশটিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ডেইলি সাবাহর বরাতে জানা যায়, গ্রীষ্মকালীন কুুরআন ক্লাসে শিশুদের কম উপস্থিতি দেখে চিন্তিত হয়ে পড়েন শহরের মারকেজ মসজিদের ইমাম মাওলানা কাদির সেলেকিজ।

এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের নামাজ ও কুরআন ক্লাসের প্রতি আকৃষ্ট করতে মসজিদের সঙ্গে নিজ উদ্যোগে গড়ে তোলেন একটি মিনি শিশুপার্ক। ইমামের এমন উদ্যোগে এলাকায় সাড়া ফেলে।

কুরআন শিক্ষার পাশাপাশি বিনোদন ও খেলাধুলার সুযোগ থাকায় মসজিদে শিশুদের সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়। ১০ বছর ধরে মসজিদটিতে ইমামের দায়িত্ব পালন করছেন কাদির সেলেকিজ।

এ শিশুপার্কটি গড়ে তুলতে তিনি স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সহায়তা নেন। আরো জানা যায়, প্রতি সোমবার ক্লাস শেষে শিশুদের জন্য ইসলামি নাটকও পরিবেশিত হয় এখানে।

শিশুদের পপকর্ন এবং চকলেটও উপহার দেওয়া হয়। ইমামের এমন প্রশংসিত উদ্যোগে মসজিদটিতে শিশুদের সংখ্যা এক বছরেই ৩০ জন থেকে ১৫০ জনে উঠে আসে। পরবর্তী বছরের জন্য রেকর্ডসংখ্যক ২৫০ জন শিশুর নাম রেজিস্ট্রেশন হয়।

কাদির সেলেকিজ বলেন, আমাদের শিশুকালে আমরা মসজিদে খেলতাম আর বড়রা নামাজ পড়ত। অনেক সময় তারা আমাদের বকাবকি করত। সে সময় এটি আমাকে আহত করত। পরবর্তীতে আমার যখন সুযোগ আসল,

তখন আমি উদ্যোগ নিলাম শিশুদের খেলাধুলার মাধ্যমে মসজিদের প্রতি আকৃষ্ট করে তুলতে। বাড়ি থেকে মসজিদ দূরে হয়ে যাওয়ায় নিয়মিত নামাজে এবং ক্লাসে আসত না অনেক শিশু। তবে খেলাধুলার ব্যবস্থা করে দেওয়ার পর অনেকেই এখন আগ্রহী হওয়া শুরু করেছে বলে তিনি জানান। সুত্র: সাবাহ্

আমেরিকা নিষেধাজ্ঞায় এবার প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে: তুরস্ক

রাশিয়া থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ কেনার কারণে আমেরিকা যদি তুরস্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে তাহলে আংকারাও পাল্টা ব্যবস্থা নেবে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসওগ্লু তুর্কি গণমাধ্যম টিজিআরটি হাবেরকে আজ (সোমবার) দেয়া এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেছেন।

তিনি বলেন, “আমেরিকা যদি আমাদের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক আচরণ করে তাহলে আমরা আগে যেমনটি বলেছি এখনো তাই বলছি যে, আমরা পাল্টা ব্যবস্থা নেব। এটি কোনো হুমকি নয় কিংবা কথার কথা নয়।”

চাভুসওগ্লু বলেন, “আমরা এমন কোনো দেশ নই যে কিনা শত্রুতার কারণে তাদের কাছে নতিস্বীকার করবে।” তিনি আশা করেন, আমেরিকা নিষেধাজ্ঞা আরোপের মতো কোনো পদক্ষেপ নেবে না।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসওগ্লু
তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, “এফ-৩৫ বিমান কর্মসূচি থেকে তুরস্ককে বাদ দেয়ার ধারণা মিত্ররাও সমর্থন করে না।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, মার্কিন এফ-৩৫ বিমান কিনতে না পারলে বিকল্প স্থান থেকে তুরস্ক তার প্রতিরক্ষা চাহিদা পূরণ করবে।

সম্প্রতি, তুরস্ক রাশিয়া থেকে এস-৪০০’র প্রথম চালান গ্রহণ করেছে। এর আগেই মার্কিন সরকার বলে রেখেছে, এস-৪০০ কিনলে তুরস্ককে এফ-৩৫ বিমান কর্মসূচি থেকে বহিষ্কার করা হবে।

সুত্র: পার্সটুডে