আয়া সোফিয়ায় নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি চলছে

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগানের মুখপাত্র পুনরায় বলেছেন যে ইস্তাম্বুলের আয়া সোফিয়ার ঐতিহাসিক মোজাইকগুলো সংরক্ষণ করা হবে, যেমনভাবে গত ৫০০ বছর ধরে সংরক্ষিত রয়েছে।

ইব্রাহিম কালিন তুর্কি নিউজ চ্যানেল এনটিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, মূল কথা হচ্ছে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটির গঠন, মোজাইক, চিত্রকলায় কোন ধরণের পরিবর্তন আনা হবে না।

কালিন আরো বলেন, বর্তমানে আমরা নামাজের সময় চিত্রকলা পর্দা দিয়ে ঢেকে দেওয়ার কাজ করছি।

আয়া সোফিয়ায় ২৪ জুলাই শুক্রবার প্রথম নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি চলছে।

আয়া সোফিয়ার প্রথম নামাজে কি পরিমাণ লোক উপস্থিত হতে পারে সে সম্পর্কে কিছু বলেননি কালিন। তবে তিনি জানান, করোনাভাইরাসের কারণে সামাজিক দূরত্বের নিয়মগুলো আয়া সোফিয়ায়ও প্রয়োগ করা হবে।

গত সপ্তাহে, তুরস্কের শীর্ষ আদালত ১৯৩৪ সালের তৎকালীন মন্ত্রিসভার আদেশ বাতিল করে আয়া সোফিয়াকে জাদুঘর থেকে মসজিদ হিসেবে মর্যাদাকে ফিরিয়ে দেয়। ইয়েনি শাফাক

আরো সংবাদ

বিশ্বের প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে মঙ্গলগ্রহে যাত্রা করলো আরব আমিরাত

বিশ্বের প্রথম মুসলিম দেশে হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঐতিহাসিক একটি মহাকাশযান জাপান থেকে উৎক্ষেপণের পর এখন মঙ্গল গ্রহের পথে।

সোমবার (২০ জুলাই) ভোরে মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করা হয়।

বিবিসি জানায়, মঙ্গল গ্রহের আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ে পরীক্ষা করতে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন কিলোমিটার পথ পাড়ি দিচ্ছে ‘মিশন হোপ’। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এর আগে দুবার প্রস্তুতির পরেও এ মিশনের উৎক্ষেপণ স্থগিত করা হয়েছিল।

মহাকাশযানটি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে পৌঁছাবে যখন আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী। মিশনটির বৈজ্ঞানিক দলের প্রধান সারাহ আল হামিরি মহাকাশযানটির সফল উৎক্ষেপণের পর স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, তার দেশের ওপর এর প্রভাব অনেকটাই ৫১ বছর আগে আমেরিকার চাঁদে পা রাখার মতো। সেটিও ২০ জুলাই হয়েছিল। আজ আমি আনন্দিত যে আরব আমিরাতের শিশুরা ২০ জুলাই ঘুম থেকে উঠে তাদের নিজস্ব অভিযানটি দেখতে পাবে, যা নতুন একটি বাস্তবতা। এটি তাদের নতুন কিছু করতে উদ্বুদ্ধ করবে।

আরব আমিরাতের এ মিশনটিসহ এ মাসেই তিনটি মিশন রওনা দিতে যাচ্ছে মঙ্গলে। মহাকাশযান ডিজাইন ও নির্মাণ করার ক্ষেত্রে আরব আমিরাতের অভিজ্ঞতা একেবারেই নেই। তারা এমন একটি কাজে হাত দিয়েছে যা এর আগে কেবল আমেরিকা, রাশিয়া, ইউরোপ ও ভারত এটি করতে পেরেছে।

তবে আরব আমিরাতের উচ্চাভিলাষ তাদেরকে চ্যালেঞ্জটি নিতে উদ্বুদ্ধ করেছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, মঙ্গল থেকে কীভাবে বাতাস কমে গেলো কিংবা পানির বিষয়টি বোঝার ক্ষেত্রে এগুলো সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

দেশটির সরকার বলছে, এ মহাকাশযাত্রা তেমন কিছু প্রকল্পের অংশ যা দেশটিকে তেল-গ্যাস নির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞানভিত্তিক সমাজের দিকে নিয়ে যাবে।