আয়াসোফিয়ায় ২ ইমাম ও ৪ মুয়াজ্জিন নিয়োগ দিলেন এরদোগান

আয়াসোফিয়া মসজিদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে দুই ইমাম ও চার মুয়াজ্জিনকে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তুরস্কের ধর্মবিষয়ক অধিদফতরের প্রধান অধ্যাপক ড. আলি আরাবাশ। গত ১০ জুলাই তুরস্কের সর্বোচ্চ আদালত আয়াসোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তরের রায় দেয়। ধর্মবিষয়ক অধিদফতরের তত্ত্বাবধানে আগামী ২৪ জুলাই শুক্রবার থেকে তাতে নিয়মিত নামাজ শুরু হবে।

রোমের সম্রাট জাস্টিনিয়ান প্রথম এর রাজত্বকালে ৫৩৭ খ্রিস্টাব্দে আয়াসোফিয়াকে গির্জা হিসেবে নির্মাণ করা হয়। ১৪৫৩ সালে সুলতান মুহাম্মাদ আল ফাতেহ পাদ্রিদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে আয়াসোফিয়াকে মসজিদে রুপান্তরিত করেন।

প্রায় ৫০০ বছর মসজিদ থাকার পর ১৯৩৪ সালে একটি কালো আইনের মাধ্যমে সেই ঐতিহাসিক মসজিদকে যাদুঘরে রূপান্তরিত করে তৎকালীন ইসলাম বিদ্বেষী কামাল আতাতুর্কের সরকার। ৮৬ বছর পর তুরস্কের সর্বোচ্চ আদালত কামালের সেই কালো আইন বাতিল করে। আইন বাতিল হওয়ার পর সেদিনই আয়াসোফিয়াকে পুনরায় মসজিদে রূপান্তরিত করার ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান। তিনি জানান আগামী ২৪ জুলাই আয়াসোফিয়ায় জুম’আর নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

আয়াসোফিয়াকে মসজিদে পরিণত করার ঘোষণার পর আল-আকসা মসজিদকে মুক্ত করার বার্তা দেয়া হয়েছে তুর্কি প্রেসিডেন্টের ওয়েবসাইটে।

বলা হয়েছে, আয় সোফিয়ার পুনরুত্থান হলো বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের আবারো কতৃত্বের প্রথম পদক্ষেপ…আয়া সোফিয়ার এই উত্থান নিপীড়িত, শোষিত মুসলমানদের আশার আলো।

ভাষণটির আরবি অংশে বলা হয়েছে, আয়াসোফিয়াকে মসজিদে পরিণত করা আল-আকসা মুক্তির অংশ। জেরুসালেম বা আল কুদ্‌স পুরানো শহর যেখানে আল-আকসা মসজিদ রয়েছে তা নিয়ন্ত্রণ থেকে ইসরাইলকে বিতাড়িত করার ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।

সূত্র : জেরুসালেম পোস্ট

আরও সংবাদ

ভারতকে ছ্যাকা দিয়ে চীনকে ভালোবাসি বললো ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ঢাকা : আবার রং পাল্টালেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফের আবার ভারত-চীনের মধ্যবর্তী সংঘাত নিয়ে মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর আগে একতরফাভাবে ভারতকে ভালোবাসার কথা বললেও এবার সুর কিছুটা পাল্টে বললেন সে চীনের মানুষকেও ভালোবাসে। ভারত ও চীন দুই দেশের জনগণের মধ্যে শান্তি বজায় রাখতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন বলে জানান তিনি।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব কালেলি ম্যাকেনি এই বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ট্রাম্প বলেছেন আমি ভারতের মানুষকে ভালোবাসি এবং আমি চিনের মানুষকেও ভালবাসি। তাই জনগণের জন্য দুই দেশের মধ্যে শান্তি বজায় রাখতে যথাসাধ্য চেষ্টা করতে চাই।’

এর আগে বুধবার, মার্কিন সচিব মাইক পম্পেও বলেন যে ভারত ও আমেরিকার মধ্য়ে দুর্দান্ত পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং অংশীদারিত্ব রয়েছে। পম্পেও আরও বলেছিলেন, ‘ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গেও আমার খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে। আমরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায়সময়ই বিস্তারিত আলোচনা করি। এমনকী সীমান্তে চিনের সঙ্গে তাদের যে ঝামেলা ছিল সেই বিষয়েও আমরা কথা বলেছি। যেভাবে সীমান্তে চীনা টেলিযোগযোগ পরিকাঠামো তৈরি হচ্ছে সেবিষয়ে যে আশঙ্কা তৈরি হতে পারে আমরা তা নিয়েও আলোচনা করেছি।’

তবে কয়েকদিন আগেই মার্কিন চিফ অব স্টাফ মার্ক মিডোজকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, ‘চীন বা অন্য কাউকে কোনও এলাকাতেই দাদাগিরি করতে দেব না। এই বার্তা স্পষ্টই। ভারত চীন পরিস্থিতি হোক বা অন্যত্র, আমাদের সেনারও শক্তিশালী অবস্থান নিবে।’