মার্কিন ও কুর্দি সেনাদের হটিয়ে সিরিয়ায় উত্তরাঅঞ্চলে তুরস্ক-রাশিয়ার যৌথ মহড়া শুরু!

তুর্কি সীমান্তে সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় শহরে আকাশ ও স্থলপথে যৌথ মহড়া শুরু করেছে তুরস্ক ও রাশিয়া। ওই অঞ্চল থেকে কুর্দিদের সরিয়ে সেখানে ‘নিরাপদ অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠায় দুই দেশের চুক্তির পর শুক্রবার ওই অঞ্চলে রাশিয়ার প্রায় ৩০০ সেনা ও ২০টি সাঁজোয়া যান নিয়ে তুর্কি বাহিনীর সঙ্গে স্থল টহল শুরু করে তারা।

গত ৯ অক্টোবর তুর্কি সীমান্তবর্তী সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় এলাকা থেকে সিরিয়ার কুর্দি বি’দ্রো’হীদের উ’ৎখাতে অভিযান শুরু করে তুরস্ক। ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, তুরস্কের সাঁজোয়া যান নিয়ে বাহিনী রুশ বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তুর্কি বাহিনী।

ওই টহলের বিষয় নিশ্চিত করে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের টুইটবার্তায় ছবি পোস্ট করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, তুরস্কের চারটি সাঁজোয় যান টহল দিচ্ছে। আর সেনারা মানচিত্র পর্যালোচনা করছে। গত ২২ অক্টোবর যু’দ্ধকবলিত সিরিয়ার উত্তরাঞ্চল থেকে কুর্দি গে’রিলাদের হটাতে একমত হয়েছে তুরস্ক-রাশিয়া।

মঙ্গলবার দু’দেশের প্রেসিডেন্টের মধ্যে এ নিয়ে ১০ দফার একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুসারে, সিরিয়ার সীমান্ত এলাকা থেকে কুর্দিদের সরাতে তুর্কি সেনাদের সঙ্গে একজোট হয়ে টহল দেবে রুশ সেনারা। চুক্তিটিকে উভয়দেশই ‘ঐতিহাসিক’ বলে আখ্যায়িত করেছে। সুত্র: আলজাজিরা

আন্দোলনের মধ্যেই ইমরান খানকে সমর্থনের ঘোষণা পাক সেনাবাহিনীর!

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পদত্যাগ চাচ্ছে দেশটির বিরোধীদল। এজন্য বড় ধরনের আ’ন্দোলন গড়ে তুলেছে তারা। ইমরান খানকে পদত্যাগের জন্য রবিবার পর্যন্ত আল্টিমেটামও দিয়েছে বিরোধীদলের আ’ন্দোলনকারীরা। তবে এই আ’ন্দোলনের মধ্যেই ইমরানকে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তানের শক্তিশালী সামরিকবাহিনী।

বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা নির্বাচিত সরকার এবং দেশের সংবিধানকে সমর্থন করে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানায়, ইমরান খানের পদত্যাগের জন্য রাস্তায় নেমে এসেছে হাজার হাজার আ’ন্দোলনকারী। কিন্তু এর মধ্যেই ইমরানের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির শক্তিশালী সামরিকবাহিনী।

এ সম্পর্কে শুক্রবার এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে পাকিস্তান সামরিকবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর বলেন, আমরা আইন এবং সংবিধানে বিশ্বাস করি। আমাদের সমর্থন থাকবে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের প্রতি, কোনো দলের প্রতি নয়।

এর আগে শুক্রবারই পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার প্রশাসনকে পদত্যাগের জন্য দুই দিনের সময় বেঁধে দেন বিরোধীরা। যদিও পাকিস্তান সরকার বিরোধীদের এই কার্যক্রমকে গণতন্ত্রের জন্য হু’মকি হিসেবে উল্লেখ করেছে।