ইহুদিবাদীদের খুশি করার জন্যই হামাস নেতাদের গ্রেফতার করেছে সৌদি

আরব ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস সদস্যদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি গ্রেফতার অভিযান চালাচ্ছে। অনলাইন নিউজ পোর্টাল মিডল ইস্ট আই-কে একথা বলেছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। তারা বলছেন, ইসরাইলের সঙ্গে যখন সৌদি আরবের সম্পর্ক দিন দিন উষ্ণ হচ্ছে তখন রিয়াদ নেতাদের গ্রেফতার করছে।

এসব বিশেষজ্ঞ বলেছেন, ইসরাইলকে সেবা দিতেই সৌদি আরব এ পদক্ষেপ নিয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে সৌদি সরকার হামাস নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি অভিযান শুরু করে। হামাসের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিষয়ক প্রধান রাফাত মোরা বলেন,

তারা বিষয়টি অনেকটা চুপিসারে সমাধান করার চেষ্টা করেছেন কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ইতিবাচক ফলাফল নেই। হামাসের এ নেতা জানান, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বেশ কিছু ব্যক্তি ও দেশকে রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানের জন্য সম্পৃক্ত করা হয়েছে কিন্তু সৌদি সরকার এ প্রচেষ্টায় কোনো সাড়া দেয় নি।

রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় কুয়েতের মতো দেশ জড়িত বলে তিনি জানান। রাফাত মোরা জানান, সমাধানের প্রচেষ্টা চালানোর পর সৌদি আরবে হামাস নেতাদের আরো বেশি করে আটক করার পদক্ষেপ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি হামাস নেতা মোহাম্মদ আল- খুদরিকে আটক করেছে সৌদি আরব।

এ নেতা গত ৩০ বছর ধরে সৌদি আরবে হামাসের প্রতিনিধিত্ব করে আসছিলেন। এ নেতা গত ৩০ বছর ধরে সৌদি আরবে হামাসের প্রতিনিধিত্ব করে আসছিলেন। এ নেতা গত ৩০ বছর ধরে সৌদি আরবে হামাসের প্রতিনিধিত্ব করে আসছিলেন। এ নেতা গত ৩০ বছর ধরে সৌদি আরবে হামাসের প্রতিনিধিত্ব করে আসছিলেন। সুত্র: পার্সটুডে

“ইহুদিবাদী ইসরাইল সব আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে চলেছে”

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ বলেছেন, ইহুদিবাদী ইসরাইল সব আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে চলেছে, তারা আন্তর্জাতিক আইন ও নীতিমালাকে উপহাস করছে। তিনি শুক্রবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম বার্ষিক অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেছেন।

মাহাথির মোহাম্মদ বলেন, বায়তুল মুকাদ্দাসে ইহুদিবাদী ইসরাইলের দখলদারিত্ব এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইহুদি উপশহর নির্মাণ কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নির্মম নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গোটা বিশ্বের চোখের সামনে মিয়ানমারের মুসলমানদেরকে হত্যা করা হচ্ছে।

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর দেশটির সরকারি বাহিনী গত কয়েক দশক ধরে হত্যা-নির্যাতন চালিয়ে আসলেও গত ২০১৭ সালের ২৫শে আগস্ট থেকে তা নতুন মাত্রা পেয়েছে। নতুনকরে বর্বরতার কারণে প্রায় আট লাখ রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু প্রাণভয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’ অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এর আগে জানিয়েছে, রাখাইনে মুসলিম গ্রামগুলোকে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।