সূর্যগ্রহণের সময় সৌদির পবিত্র দুই মসজিদে সালাতুল কুসুফ আদায়!

বছরের প্রথম বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ ঘটেছে আজ রোববার, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত সৌদিআরবেও আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা গেছে। সূর্যগ্রহণের সময়ে সৌদির মক্কা মকাররমার বাইতুল্লাহ (কাবাগৃহ) শরিফে এসময়ের বিশেষ ইবাদত সালাতুল কুসুফ আদায় করা হয়েছে।

আল হারামাইন ইনফো জানিয়েছে, মক্কার গ্র‍্যান্ড মসজিদ হারাম শরিফে সালাতুল কুসুফে অংশ নিতে মুসল্লিদের বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

এছাড়া, মদিনা মুনাওয়ারার মসজিদে নববী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামসহ সৌদিআরবের অধিকাংশ মসজিদে সূর্যগ্রহণের সময় সালাতুল কুসুফ আদায় করা হয়।

প্রতিবার চন্দ্রসূর্যগ্রহণে আল হারামাইনিশ শারিফাইনে এদিনের বিশেষ আমল সমূহের ওপর আলাদা গুরুত্ব দেয়া হয়, সরকারই এর সব ব্যবস্থা করে থাকে।

সালাতুল কুসুফ আদায়ের পরে সৌদির মসজিদগুলোতে করোনা মহামারি থেকে মুক্তি চেয়ে মহান আল্লাহর নিকট সম্মিলিত দোয়া করা হয়। প্রতিটি মসজিদের ইমামগণই এই দোয়া পরিচালনা করেন।

দোয়ায় দেশ জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণের জন্য দোয়া করা হয়েছে। তাওবা ইস্তেগফার করে দোয়া কবুলের জন্যও মিনতি করেন সমাগত মুসল্লিরা। সূত্র: ডেইলি পাকিস্তান

ভারতকে বাঁধ নির্মাণে বাধা: বিহারের একাংশ নিজেদের দাবি নেপালের

ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপালের একের পর এক ভারত বিরোধী পদক্ষেপে নড়েচড়ে বসছে দিল্লী। তবে এতে একটুও ঘাবড়াইনি নেপাল। ফলে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে! এবার ভারতের বিহার সরকারকে সীমান্তে বাঁধ নির্মাণের কাজে বাধা দিয়ে নেপাল ওই অঞ্চল নিজেদের দাবি করছে।

জানা গেছে, নেপালের পার্লামেন্টে ভারত নিয়ন্ত্রিত ভূমিসহ দেশের নতুন রাজনৈতিক মানচিত্র অনুমোদনের দু’দিন পরই এ ঘটনার বহিঃপ্রকাশ। অনুমোদিত ওই নতুন মানচিত্রে ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের লিপুলেখ,

কালাপানি ও লিম্পিয়াধুরার অঞ্চলগুলোকে নেপালি ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
এই ঘটনায় ভারত বলছে, এটি ঐতিহাসিক প্রমাণ ও ঘটনাবলি সমর্থিত নয়। তাই নেপালের এই দাবি তারা প্রত্যাখ্যান করেছে।

বিহারের সাথে নেপালের ৭২৯ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। ভারতের পানি সম্পদ বিভাগ (ডব্লিআরডি) কর্তৃপক্ষ বিহারের পূর্ব চাম্পারান জেলার লাল বকেয় নদীর ওপর বাঁধ নির্মাণে নেপালের বাধা দেওয়ার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছে। সূত্র : গালফ নিউজ

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অধিকাংশ ঘটনায় ভারত জড়িত: আইসিসি

চীন-ভারত সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যেই এবার ক্রিকেটে ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে ভারত সম্পর্কে বিস্ফোরক তথ্য দিল আইসিসি। সংস্থাটির মতে, অধিকাংশ ম্যাচ ফিক্সিং ভারত সংশ্লিষ্ট।

সেই ২০১৩ সালে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ-আইপিএল টি-টোয়েন্টিতে ফিক্সিং কেলেঙ্কারি ফাঁস হওয়ার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা আইসিসি’র ধারণা ছিল, এর ফলে ভারতীয় ক্রিকেটে দুর্নীতি কমে আসতে পারে।

কিন্তু না, তা হয়নি বলে জানিয়েছে দুর্নীতি বিরোধী ইউনিট (আকসু)। আইসিসি’র চলমান ৫০টি ম্যাচ ফিক্সিংয়ের তদন্তে দেখা যাচ্ছে, এর অধিকাংশই ভারত সংশ্লিষ্ট। ক্রিকেট বিশ্বের বৃহত্তম দেশটি নিয়ে এমনই এক বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছেন আকসু’র তদন্ত সমন্বয়ক স্টিভ রিচার্ডসন।

তদন্তে জড়িত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জুয়াড়িদের লক্ষ্য এখন রাজ্যভিত্তিক লিগ ও নিচের সারির সরাসরি সম্প্রচারিত লিগগুলো।
স্পোর্টস ল অ্যান্ড পলিসি বিষয়ক এক অনলাইন সেমিনারে শনিবার (২০ জুন) স্টিভ রিচার্ডসন বলেন, ‘আমরা ৫০টি ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ঘটনা তদন্ত করছি। এর বেশির ভাগই ভারত সংশ্লিষ্ট।’

তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড়েরা হলো এই চেইনের শেষ গন্তব্য। মূল সমস্যা হলো যারা এই অপরাধের আয়োজক, খেলোয়াড়দের টাকা দিচ্ছে। যারা খেলার বাইরে। আমি এই মুহূর্তে এমন আটজনের নাম ভারতের পরিচালনা সংস্থার কাছে দিতে পারি যারা নিয়মিত খেলোয়াড়দের এভাবে বিপথে টেনে নিচ্ছে।’

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ভারতীয় থমকে আছে ভারতের রাজ্যভিত্তিক লিগগুলো। অনেকগুলোর সময়ও পার হয়ে গেছে। এর মধ্যে কর্নাটক প্রিমিয়ার লিগ (কেপিএল) বাতিল করা হয়েছে।

এ লিগে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় ও একটি দলের মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের আকসু প্রধান অজিত সিং বলেন, ‘কেপিএল’র ঘটনা নিয়ে পুলিশ আংশিক তদন্ত প্রতিবেদন নিয়েছে। প্রমাণগুলো আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছি।’

মাঠের বাইরের জুয়াড়িদের নিয়ে অজিত সিং আরও বলেন, ‘দুর্নীতি দমন প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাইরের অংশগ্রহণকারীদের ধরা নিয়ে আমাদের খুব বেশি কিছু করার নেই।’
তথ্যসূত্র: দ্য উইক