প্রথমবারের মতো সৌদি আরব সফর করল ইসরাইলি প্রতিনিধিদল

ইহুদিবাদী ইসরাইলের একটি প্রতিনিধি দল প্রথমবারের মতো সৌদি আরব সফর করেছে। আমেরিকার একটি ইহুদি গ্রুপের ছদ্মাবরণে ইসরাইলের ওই উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলটি চলতি সপ্তাহে সৌদি আরব সফর করে।

গত কয়েক বছর ধরে ইহুদিবাদী ইসরাইল এবং সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্ক উষ্ণতর করার যে চেষ্টা চলছে তারই অংশ হিসেবে এ সফর হলে বলে মনে করা হচ্ছে। ইসরাইলের ইংরেজি ভাষার সংবাদপত্র জেরুজালেম পোস্ট শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে,

‘কনফারেন্স অফ প্রেসিডেন্টস’ নামে আমেরিকার একটি প্রভাবশালী ইহুদি সংস্থার সদস্যরা সৌদি আরব সফর করেন। ১৯৯৩ সালে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকে এই প্রথম এ ধরনের প্রতিনিধিদল সৌদি আরব সফরে গেল।

জিউশ টেলিগ্রাফিক এজেন্সি বলেছে, গত সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ইহুদি প্রতিনিধিদলটি সৌদি আরব সফর করে। এ সময় ওয়ার্ল্ড মুসলিম লীগের মহাসচিব শেখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল কারিম বিন আবদুল আজিজ আলে ঈসা-সহ সৌদি আরবের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়।

সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমানের সঙ্গে করিম বিন আলে ঈসার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। এসব বৈঠকে ‘সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী লড়াই’ এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

মসজিদুল আকসায় জুমার মুসল্লিদের মারধর করল ইসরাইলি সেনারা

বিশ্বের মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান মসজিদুল আকসায় মুসল্লিদের মারধর করেছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। এর ফলে বেশ কয়েকজন মুসল্লি মারাত্মক আহত হয়েছেন। কয়েকজনকে টেনে-হিঁচড়ে সাথে করে নিয়ে গেছে হামলাকারীরা। আজ শুক্রবার জুমার নামাজের সময় এ ঘটনা ঘটে।

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা:)-এর স্পর্শধন্য এই মসজিদে নামাজ পড়তে আজ হাজার হাজার মুসল্লি সেখানে উপস্থিত হলেও অনেকেই ভেতরে ঢুকতে পারেননি। তাদেরকে প্রবেশদ্বার থেকেই ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। তারা বাধ্য হয়ে মসজিদের আশপাশের সড়ক ও গলিতে নামাজ আদায় করেছেন।

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন ‘ইসলামি জিহাদ’ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত ষড়যন্ত্র ‘ডিল অব দ্যা সেঞ্চুরি’র প্রতিবাদ ও পবিত্র স্থানগুলো রক্ষার অংশ হিসেবে শুক্রবার নামাজে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল।

ট্রাম্প ওই পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই তা প্রত্যাখ্যান করে ফিলিস্তিনিরা। ফিলিস্তিনের সব দল ও সংগঠন সমস্বরে ট্রাম্পের পরিকল্পনাকে ফিলিস্তিন বিরোধী ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।