ট্রাম্পের বিতর্কিত সস্তা ‘শান্তি চুক্তি’ মানবে না ফিলিস্তিনিরা

গতকাল (শনিবার) গাজা শহরে হামাসের রাজনৈতিক শাখার জাতীয় সম্মেলনে তিনি একথা বলেছেন। হানিয়া বলেন, মার্কিন এই প্রকল্প ঠেকাতে হামাস তার সব ধরনের সম্ভাবনা ও সক্ষমতা দিয়ে চেষ্টা করবে। মার্কিন ষড়যন্ত্রের মুখে তিনি ফিলিস্তিনের সব সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়া বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিন সংকট সমাধানের জন্য ‘শতাব্দির সেরা চুক্তি’ নামে বিতর্কিত যে শান্তি চুক্তির প্রস্তাব করেছেন ফিলিস্তিনের জনগণ কখনো তা মেনে নেবে না।

হামাস নেতা বলেন, “ফিলিস্তিনের জনগণই অধিকৃত ভূখণ্ডে থাকবে এবং পূর্ণাঙ্গ মুক্তি ও স্বাধীনতা অর্জন না করা পর্যন্ত জীবনবাজি রেখে লড়াই করবে।” তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রস্তাবিত চুক্তির মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিন ইস্যুকে হত্যা করতে চায়।

হানিয়া বলেন, “যদি আন্তরিক প্রচেষ্টা ও ইচ্ছা থাকে তাহলে আমরা জাতীয় ঐক্য অর্জন ও ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারি। আমাদের জনগণ মাতৃভূমি রক্ষার জন্য সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত। এখন প্রয়োজন দৃঢ়ভাবে ট্রাম্পের কথিত শতাব্দির সেরা চুক্তি রুখে দেয়া; এজন্য যে ত্যাগ করা প্রয়োজন তা করতে হবে।”

তারা উদ্বাস্তু ফিলিস্তিনিদের মাতৃভূমিতে ফেরার অধিকার দিতে চায় না এবং গোলান মালভূমিকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের অংশ বলে বলে স্বীকৃতি দিয়েছে।

আরো পড়ুন: ৫৩ টি মুসলিম দেশের প্রায় ৯৫ হাজার এতিম শিশুদের দায়িক্ত নিচ্ছেন এরদোগান!

বিশ্বের সর্বমোট ৫৩ টি ইসলামী দেশে মাতাপিতা হারানো অন্ততপক্ষে ৯৫ হাজার এতিম শিশুকে মাসিক অর্থ-সহায়তা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তুরস্ক।

এ সময় তিনি বলেন, ‘একটি শিশুর পিছনে প্রতি মাসে কমপক্ষে ২১ মার্কিন ডলার খরচ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি আমরা। তুর্কি জনগণের পক্ষ থেকে আমাদের এই অর্থ-সহায়তা এসব শিশুদের উন্নত জীবন গঠন ও পড়ালেখায় ব্যয় করা হবে।’

এ ব্যাপারে গত ২৩ এপ্রিল মঙ্গলবার তুর্কি রাষ্ট্রীয় ত্রাণ সংস্থার শিশু ও এতিম সেক্টরের প্রধান রাশেদ বাশার বলেন, ‘২০০৭ সালের পর থেকে যুদ্ধবিগ্রহ, দুর্যোগ এবং দুর্ঘটনার কারণে যেসব শিশু পিতামাতা ও আপন পরিবারকে হারিয়েছে তাদেরকে আমরা আর্থিকভাবে সহায়তা ও সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘ত্রাণ সংস্থার আর্থিক এই অনুদান ইসলামী বিশ্বের অন্ততপক্ষে ৫৩ টি দেশে পৌঁছানো হবে-ফিলিস্তিন,

সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড এবং তুরস্কে আশ্রিত সিরিয়ার এতিম শিশুসহ মোট ৫৩ টি দেশের এতিম-অনাথ শিশুরা এই মেগা সহায়তার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।’