শীঘ্রই বাজারে আসছে ফিলিস্তিনি খেজুর

ফিলিস্তিনি খেজুরের চাহিদা বিশ্বের সব দেশেই রয়েছে। দেখতে গাঢ় লাল এবং কিছুটা হলুদ বর্ণের চ্যাপ্টা ধরনের ওই খেজুর দেখলেই ভোজনরসিকদের জিভে পানি চলে আসে। আরবের অন্যান্য জাতের খেজুর থেকে ফিলিস্তিনি খেজুরের ভিন্নরকম স্বাদ রয়েছে। এ জন্য এর চাহিদাও বেশি।

উর্দু ভাষায় প্রকাশিত তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম তুর্কি নিউজ উর্দু জানিয়েছে, ফিলিস্তিনে খেজুর পাকছে। দেশটির কৃষকরা এখন বাগান থেকে খেজুর পাড়া ও প্যাকেটজাত করে বিভিন্ন দেশে রফতানি করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ফিলিস্তিনের গাজার দির আল বা-লা অঞ্চলটি খেজুরের জন্য বিখ্যাত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সম্প্রতি কয়েকটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। যেখানে ফিলিস্তিনের কৃষকদেরকে গাছ থেকে খেজুর পাড়তে এবং প্যাকেটজাত করতে দেখা যায়। এতে অংশ পুরুষদের সঙ্গে নারীরাও অংশ নিচ্ছেন

কঙ্গোর বিমানবন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্বে বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীরা

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের অধিনে পরিচালিত ডিআর কঙ্গোর মনুস্কো বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের নারী শান্তিরক্ষীরা।

শুক্রবার পুলিশ সদর দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডিআর কঙ্গোতে জাতিসংঘ শান্তি মিশনের জন্য এই বিমানবন্দরটি ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ একটি স্থাপনা।

“এই দায়িত্ব পেয়ে বাংলাদেশ পুলিশের শান্তিরক্ষী নারী সদস্যরা অত্যান্ত গর্বিত।”
বিমানবন্দরটির নিরাপত্তার দায়িত্ব পাওয়া ব্যানএফপিইউ-১ এর ১৪তম রোটেশনের কমান্ডার মেরিনা আক্তারকে উদ্ধৃত করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “আমরা শুধু দেশের মাটিতে নয়, বিদেশি বিভূঁইয়ে জাতিসংঘের পতাকাতলে অত্যন্ত মর্যাদার সাথে, অত্যন্ত গর্বের সাথে আমাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।”

মেরিনা বলেন, কঙ্গোর ওই বিমানবন্দরটির নিরাপত্তা বিধান করা নিশ্চয়ই একটি ‘বড় চ্যালেঞ্জ’, তবে তারা আশাবাদী, ‘বরাবরের মত’ এবারেও সফল হবেন। জাতিসংঘে শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশ রয়েছে সবার উপরে।

বর্তমানে জাতিসংঘের বিভিন্ন মিশনে ১১৯টি দেশের শান্তিরক্ষীরা কাজ করছেন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী ৬৭৩১ জন।