ইসরাইল পশ্চিম তীর দখল করলে তৃতীয় ইন্তিফাদা শুরু করব: ফিলিস্তিন

ইহুদিবাদী ইসরাইল অধিকৃত জর্দান নদীর পশ্চিম তীর দখলে নেয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করলে ফিলিস্তিনি জনগণ তৃতীয় ইন্তিফাদা গণআন্দোলন শুরু করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বশাসন কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা নাবিল শাস।

ফাতাহ আন্দোলনের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও মাহমুদ আব্বাসের উপদেষ্টা নাবিল শাস শনিবার এক বক্তব্যে বলেন, আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার পথ খোলা রেখেছি। পশ্চিম তীরকে ইসরাইলের সঙ্গে সংযুক্ত করে নিলে ফিলিস্তিনিরা ‘ইন্তিফাদা’ গণআন্দোলন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

বিল শাস বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আরব দেশগুলোর উচিত ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করা। আমেরিকার পৃষ্ঠপোষকতায় ইহুদিবাদী ইসরাইল পশ্চিম তীরের ৩০ শতাংশ ভূমি নিজের অন্তর্গত করে নেবে বলে একটি পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে।

গত ১ জুলাই এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার কথা ছিল; কিন্তু আন্তর্জাতিক সমাজের তীব্র বিরোধিতার কারণে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের কাজ পিছিয়ে দিয়েছে তেল আবিব।

এবার অত‍্যাধুনিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিল তুরস্ক

এবার অত‍্যাধুনিক ঘরোয়া মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিল তুরস্ক। তুরস্কের নতুন এই ঘরোয়া অত‍্যাধুনিক প্রযুক্তির মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এসংবাদ জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।

এবার তুরস্ক সম্পূর্ণ ঘরোয়া প্রযুক্তিতে নতুন অত‍্যাধুনিক এয়ার মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি করেছে। নতুন এই মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নাম হল সুনগুর। আজ অর্থাৎ বুধবার তুরস্কের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রির প্রধান ইসমা’ঈল দেমির জানিয়েছেন যে, এই নতুন মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমটি সফল পরীক্ষার পর ইনভেন্টরিতে প্রবেশ করেছে।

আজ ইসমা’ঈল দেমির একটি টুইটবার্তায় জানিয়েছেন যে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটি তুরস্কের রকেটসান কোম্পানি কিছু আঞ্চলিক সহযোগীদের নিয়ে এটি তৈরি করে।

ডিফেন্স সিস্টেমটির কার্যকরিতা সম্পর্কে তিনি জানিয়েছেন যে ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরতে সক্ষম এই মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমটি দিনে ও রাতে লক্ষবস্তু নির্ধারণ, নির্ণয় ও ট্র্যাক করার ক্ষমতা রয়েছে।

উল্লেখ্যঃ এই ডিফেন্স সিস্টেমটি আকাশ, ভূমি ও জলে ব‍্যবহার করা যাবে বলে জানা গিয়েছে। অবশেষে নিঃসন্দেহে বলা যায় তুরস্কের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এটি আরো একটি পালক যোগ করল। সুত্র: টিআরটি

ইস্তাম্বুলের ‘হায়া সোফিয়া’কে মসজিদে রূপান্তর করবে তুরস্ক; ১৫ দিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত

তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী হায়া সোফিয়া। সুউচ্চ ও দৃষ্টিনন্দন গম্বুজ এবং অন্যান্য সাধারণ স্থাপত্যের জন্য যা বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত। ৫৩৭ সালে নির্মিত হায়া সোফিয়া বাজেন্টাইন সাম্রাজ্যের অন্যতম স্থাপনা।

একে ইতিহাস বদলে দেয়া স্থাপত্যও বলা হয়ে থাকে। ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় থাকা তুরস্কের এই হায়া সোফিয়াকে ফের মসজিদে রূপান্তরিত করা হবে কিনা, তা নিয়ে সিদ্ধান্তের বিষয়টি পিছিয়েছে দেশটির আদালত।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ১৭ মিনিটের শুনানি শেষে তুরস্কের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক সংস্থা ‘কাউন্সিল অব স্টেট’ ১৫ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে রায় দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে, জানিয়েছে বিবিসি।

বাইজেন্টাইন সম্রাট প্রথম জাস্টিনিয়ানের আদেশে ষষ্ঠ শতকে হায়া সোফিয়া নির্মিত হয়। এরপর থেকে প্রায় এক হাজার বছর ধরে অর্থোডক্স খ্রিস্টানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় কেন্দ্র ছিল এটি।

১৪৫৩ সালে ইস্তাম্বুল অটোমান সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হলে স্থাপনাটিকে মসজিদে রূপান্তর করা হয়। প্রায় পাঁচশ বছর পর তুরস্কের প্রথম প্রেসিডেন্ট মুস্তফা কামাল আতার্তুক এটিকে মিউজিয়ামে পরিণত করেন।

সর্বোচ্চ প্রশাসনিক আদালতের অনুমোদন পেলে তুরস্ক জাদুঘরটিকে ফের মসজিদে রূপান্তর করার সুযোগ পাবে। বৃহস্পতিবারই তুরস্কের প্রশাসনিক আদালত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, কিন্তু শুনানি শেষে এ বিষয়ে বিলম্বের সিদ্ধান্ত নেয় আদালত।

তুরস্কের বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিজেপ তায়িপ এরদোয়ান গত বছরের এক নির্বাচনী সমাবেশে হায়া সোফিয়াকে মসজিদে পরিণত করার পক্ষে তার দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছিলেন।

দেশটির ইসলামপন্থিরা দীর্ঘদিন ধরেই স্থাপনাটিকে ফের মসজিদে রূপান্তরের দাবি জানালেও ধর্মনিরপেক্ষরা এর বিরোধিতা করে এসেছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও হায়া সোফিয়ার রূপ পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

ইস্টার্ন অর্থোডক্স চার্চের প্রধান এ পরিবর্তনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। লাখ লাখ অর্থোডক্স খ্রিস্টান অধ্যুষিত গ্রিস হায়া সোফিয়া জাদুঘরকে নির্দিষ্ট একটি ধর্মের প্রার্থনাকেন্দ্রে পরিণত করার বিরোধিতা করছে।

গ্রিক সংবাদমাধ্যম ‘তা নিয়া’-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউনেস্কোর উপপরিচালক আর্নেস্তো ওতোনে রামিরেজ হায়া সোফিয়ার রূপ বদলের ক্ষেত্রে বিস্তৃত অনুমোদনের প্রয়োজন পড়বে বলে মত ব্যক্ত করেছেন।

এ বিষয়ে তুরস্ককে চিঠি দেয়া হলেও তাদের দিক থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও হায়া সোফিয়াকে ফের মসজিদে পরিণত করার প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন।

গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক মার্কিন দূত স্যাম ব্রাউনব্যাকও তুরস্কের সরকারের প্রতি স্থাপনাটিকে বর্তমান অবস্থায় রেখে দিতেই অনুরোধ করেছেন। অবশ্য হায়া সোফিয়ার পরিবর্তন নিয়ে অন্য দেশ বা সংস্থার কথা শুনতে নারাজ তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু জানান, ‘আমাদের দেশ এবং আমাদের সম্পত্তি নিয়ে কী করবো, তা আমাদের ব্যাপার।’ বসফরাস প্রণালীর পশ্চিম তীরে ইস্তাম্বুলের ফাতিহ জেলায় অবস্থিত অনিন্দ্য সুন্দর স্থাপনা হায়া সোফিয়ার নির্মাণকাজ শুরু হয় ৫৩২ সালে; ইস্তাম্বুলের তখনকার নাম ছিল কনস্টানটিনোপল, শহরটি তখন ছিল বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী।

ইরানে বোমাবর্ষণ শুরু করল ইসরাইল, ধ্বংস পারমাণবিক অস্ত্রগার

ইসরাইল (Israel) তাদের ঘর বিরোধী ইরানের (iran) উপর জোরদার হামলা করল। ইরানের পরমাণু কেন্দ্র গুলোকে ধ্বংস করে দিলো ইজরায়েলের লড়াকু বিমান। ইজরায়েলের এই হামলায় ইরানের ইউরেনিয়াম সংস্থান কেন্দ্র আর মিসাইল নির্মাণ কেন্দ্রে আগুন লেগে যায়। ইজরায়েল নিজেদের ঘাতক F-35 ফাইটার জেটের সাহায্যে ইরানের পর্চিন এলাকার মিসাইল নির্মাণ স্থলে হামলা চালিয়ে সেটিকে ধ্বংস করে।

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ইসরাইল (Israel) তাদের ঘর বিরোধী ইরানের (iran) উপর জোরদার হামলা করল। ইরানের পরমাণু কেন্দ্র গুলোকে ধ্বংস করে দিলো ইজরায়েলের লড়াকু বিমান। ইজরায়েলের এই হামলায় ইরানের ইউরেনিয়াম সংস্থান কেন্দ্র আর মিসাইল নির্মাণ কেন্দ্রে আগুন লেগে যায়।

ইজরায়েল নিজেদের ঘাতক F-35 ফাইটার জেটের সাহায্যে ইরানের পর্চিন এলাকার মিসাইল নির্মাণ স্থলে হামলা চালিয়ে সেটিকে ধ্বংস করে দেয়।কুয়েতের সংবাদমাধ্যম আল জরিদার খবর অনুযায়ী, এই ঘটনা গত সপ্তাহে ঘটেছে।

ওই সংবাদমাধ্যম লেখে, ইজরায়েলের সাইবার হামলায় বৃহস্পতিবার ইরানের নন্তাজ পরমাণু কেন্দ্রে আগুন লেগে যায় আর ব্যাপক বড় বিস্ফোরণ হয়। এই পুরো কেন্দ্র মাটির নীচে বানানো হয়েছিল।

কুয়েতের সংবাদমাধ্যম এটাও দাবি করে যে, গত সপ্তাহে ফাইটার জেট f-16 স্টিলথ ইরানের পর্চিন এলাকার একটি মিসাইল নির্মাণ কেন্দ্রে বোমা হামলা করে।ইজরায়েল লাগাতার অভিযোগ করে আসছে যে, ইরান নিজেদের হাতিয়ার আর মিসাইল গুলোকে ইহুদীদের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাকে দিচ্ছে।

আর এরপরেই ইজরায়েল এই হামলা চালায়। শোনা যাচ্ছে যে, এই হামলার ফলে ইরানের পরমাণু প্রোগ্রাম দুই মাস পিছনে চলে গেছে। যদিও ইরানে হওয়া এই দুটি হামলা নিয়ে ইজরায়েল এখনো কোন মুখ খোলেনি।

সূত্র: বাংলা হান্ট