শিগগির ইসরাইলের সংযুক্তিকরণ পরিকল্পনার অবসান ঘটাবে: ফিলিস্তিন

ফিলিস্তিনের একজন শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা বলেছেন, ইহুদিবাদী ইসরাইল যদি পশ্চিম তীরকে সংযুক্তিকরণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে তাহলে কথিত দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের প্রচেষ্টা চিরতরে বানচাল হয়ে যাবে। তিনি বলেন, ইসরাইল যে শান্তির স্বপ্ন দেখে শিগগির সেই স্বপ্নেরও অবসান হবে।

গতকাল (রোববার) ফিলিস্তিন তথ্যকেন্দ্রকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে প্যালেস্টাইন ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভের মহাসচিব মোস্তফা বারগুসি এসব কথা বলেছেন। তিনি বলেন, পশ্চিম তীরকে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হলে দুটি স্বপ্নের অবসান হবে।

প্রথমত ইসরাইল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আমেরিকা থাকতে পারবে না এবং ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে শান্তিতে পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। ইসরাইলের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হলে তার অর্থ হবে এই যে, তারা পুরো ফিলিস্তিন এবং জর্দানকে কে গ্রাস করতে চাই।

ইহুদিবাদী ইসরাইলের যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আগামী পহেলা জুলাই থেকে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর যুক্ত করার ব্যাপারে ইসরাইলের মন্ত্রিপরিষদের আলোচনা শুরুর জন্য সময় নির্ধারণ করেছেন। এ প্রসঙ্গে মোস্তফা বারগুসি বলেন,

যারা ইসরাইলের সঙ্গে শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে চায় তাদের সবার জন্য এই পরিকল্পনা একটি বার্তা বহন করে। তিনি বলেন, “বাস্তবতা হচ্ছে ফিলিস্তিনিরা একটি চলমান সংগ্রাম এবং লড়াইয়ের ভেতরে রয়েছে।

এ সময় ফিলিস্তিনিদেরকে অবশ্যই সমস্ত মতভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে কারণ ইসরাইল চেষ্টা করবে আমাদেরকে বিচ্ছিন্ন রাখতে যাতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে ইসরাইলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে না পারি।”

‘পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা শক্তিশালী করতে চায় ইরান’

পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা শক্তিশালী করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইরানে সশস্ত্র বাহিনী চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল মোহাম্মাদ বাকেরি। তিনি সোমবার পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার সঙ্গে এক টেলিফোনালাপে তেহরানের ওই আগ্রহের কথা জানান।

তিনি দু’দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যকার চলমান ভ্রাতৃপ্রতীম সহযোগিতার মনোভাবে সন্তোষ প্রকাশ করেন। জেনারেল বাকেরি ইরান ও পাকিস্তান সীমান্তে কিছু সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অপতৎপরতার কথা উল্লেখ করে বলেন, এসব গোষ্ঠী দু’দেশের যৌথ শত্রু এবং এদেরকে প্রতিহত করতে হবে।

ইরানের সেনাপ্রধান টেলিফোনালাপে জেনারেল বাজওয়াকে জানান, সম্প্রতি দু’দেশের সীমান্ত থেকে জেইশুয-যুলুম নামের একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তিন ইরানি সীমান্তরক্ষীকে অপহরণ করে পাকিস্তানের ভেতরে নিয়ে গেছে। তিনি এসব ইরানি সীমান্তরক্ষীকে মুক্ত করার ব্যবস্থা নিতে পাক সেনাপ্রধানের প্রতি আহ্বান জানান।

টেলিফোনালাপে ইরান-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর অপতৎপরতা বন্ধ করতে এ যাবত ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে গৃহিত পদক্ষেপ তুলে ধরে জেনারেল বাজওয়া বলেন, দু’দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা শক্তিশালী করার মাধ্যমে এ ধরনের অপতৎপরতা নস্যাত করা সম্ভব।

এ সময় দুই সেনাপ্রধান ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যকার সর্বশেষ সমারিক সহযোগিতা, করোনাভাইরাস এবং সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় করেন।
সূত্র : পার্স টুডে

আরো পড়ুন: প্রতি দুই মাসে একবার করে কোরআন খতম করি: ইংলিশ ফুটবলার তারকা মাহমুদ হাসান

ইংল্যান্ডের অ্যাস্টন ভিলা ফুটবল ক্লাবের মুসলিম তারকা এবং মিশরীয় জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় মাহমুদ হাসান তারজগেহ মিশরীয় স্যাটেলাইট চ্যানেল ‘ডিএমসি’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেন, আমি বছরে প্রতি দু’মাসে একবার কোরআন খতম করি এবং রমজান মাসে নামাজের প্রতি খুবই মনোযোগী থাকি।

রমজান সম্পর্কে তারজগেহ বলেন, পবিত্র রমজান মাসে এক অথবা দুই বার কুরআন খতম করতে হবে। কারণ, এই মাসে কুরআন তিলাওয়াতের সওয়াব অনেক বেশি। পবিত্র রমজানের এই সুবর্ণ সুযোগ হাত ছাড়া করা উচিৎ নয় এবং এই মাসে আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়ার জন্য নেক আমল করা উচিৎ।
তিনি তার ফুটবল জীবন সম্পর্কে বলেন, শৈশব থেকেই আমি ফুটবলার হতে চেয়েছি এবং এজন্য আমাকে অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছে।

মিশরের এই ফুটবল তারকা আরও বলেন, শুধুমাত্র প্রতিভা ফুটবলার হওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়; অবশ্য অনেকেই আছেন যারা কম প্রতিভাবান, তবে তারা অধ্যবসায়ের মাধ্যমে সুস্বাস্থ্য বজায় রেখে পেশাদার কর্মক্ষমতার প্রতি জোর দিয়ে সফল হয়েছেন। এমনকি তারা অনেককে ছাড়িয়ে গিয়েছেন, কারণ তাদের উদ্দেশ্যে অটল ছিলেন।

তারজগেহ আরও বলেন, আমি বর্তমানে যা অর্জন করেছি তার মূল কারণ হচ্ছে আমার পরিবার। কারণ, পরিবারের সদস্যরা সবসময় আমাকে উৎসাহিত করেছেন। আমি যদি আমার সাফল্যের ক্রেডিট কাউকে দিতে চাই, তাহলে বাবা, মা, ভাই এবং বোনকেই দিতে হবে।