“আমেরিকার পরিকল্পিত ‘ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি’ রুখে দেবে ফিলিস্তিনি জনগণ”

ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, আমেরিকার পক্ষ থেকে উত্থাপিত একপেশে কথিত শান্তি পরিকল্পনা ‘ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি’ বর্ণবাদী প্রথাকে শক্তিশালী করবে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মঙ্গলবার ফিলিস্তিনবিষয়ক এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেয়ার লক্ষ্যে এই পরিকল্পনা উত্থাপন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মাহমুদ আব্বাস। খবর রয়টার্স ও আলজাজিরার। মাহমুদ আব্বাস বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণ যে কোনো মূল্যে এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।

এদিকে মঙ্গলবারের ওই বৈঠকে ‘ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি’ পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে নিরাপত্তা পরিষদের ইউরোপীয় দেশগুলো। বৈঠক শুরু হওয়ার আগে বেলজিয়াম, এস্তোনিয়া, জার্মানি, পোল্যান্ড ও ফ্রান্সের পক্ষ থেকে ফিলিস্তিন সংকট প্রসঙ্গে একটি যৌথ বিবৃতি পড়ে শোনানো হয়।

গত ২৮ জানুয়ারি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে পাশে নিয়ে ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইউরোপীয় দেশগুলোর যৌথ বিবৃতিটি বেলজিয়ামের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এতে বলা হয়, আমেরিকার ‘ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি’ পরিকল্পনায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব উপেক্ষা করা হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিষদের ইউরোপীয় সদস্য দেশগুলো আরও বলেছে, জর্দান নদীর পশ্চিমতীরের ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপন করে জাতিসংঘের আইন লঙ্ঘন করা হচ্ছে। এতে ফিলিস্তিনের আল কুদস বা জেরুসালেম শহরকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের অবিভক্ত রাজধানী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মার্কিন-ইহুদিবাদী এ পরিকল্পনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের তাদের মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া জর্দান নদীর পশ্চিমতীরের ৭০ শতাংশ ভূমি ও গাজা উপত্যকা নিয়ে একটি দুর্বল ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়েছে।

ফিলিস্তিনি স্বশাসন কর্তৃপক্ষ এবং প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো অর্থাৎ ফিলিস্তিনি জনগণ ট্রাম্পের এ পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছেন।

আল্লাহর রহমতে নিরাপদে আছে চীনের মুসলিমরা!

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস ইতিমধ্যে চীন সহ সারাবিশ্বে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। শুধু চীন নয় আক্রান্ত ভারত, জাপান, ভিয়েতনাম, হংকংসহ বিশ্বের প্রায় চব্বিশটি দেশ। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বিশ্বের বহু দেশের এয়ারলাইন্স সহ প্রায় সব কয়টি দেশের বিমান যোগাযোগ। এতকিছু যখন ঘটে যাচ্ছে তখন কেমন আছেন সেদেশের উইঘুর মুসলিমরা।

সম্প্রতি সিএনএন একটা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সিএনএন এর দেওয়া সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উইঘুর মুসলিমরা তাদের হালাল খাবার খাওয়ার কারনে এখনো অন্যান্য দের তুলনায় নিরাপদে আছে। তবে ভাইরাসটা যেহেতু সংক্রামক তাই তাদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি চীনের কোরনা ভাইরাসের উৎপত্তি বাদুরের মাধ্যমে হওয়ায় বেশ গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে তাদের খাদ্যাভাস নিয়ে। তাদের প্রিয় খাদ্যের তালিকায় রয়েছে তেলাপোকার ফ্রাই, টিকটিকি, ইঁদুর, সাপ, নানা রকম কী’টপতঙ্গ ও বাদুরের জুস।

মুসলিমদের খাদ্য তালিকায় হালাল ও হারাম বিভক্ত থাকায় তারা এসব খাবার ভক্ষণ করে না বিধায় চীনের কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে বেশ নিরাপদেই রয়েছেন চীনা মুসলিমরা।