আমি যদি কোনো ভুল করি আপনি সাথে সাথে শুধরে দিবেন: তারিক জামিলকে ইমরান খান

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বিশ্বখ্যাত দায়ী মাওলানা তারিক জামিলকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, মাওলানা সাহেব! যখনই আপনার মনে হবে আমি ভুল করেছি তখন-ই আমার ভুল শুধরে দিবেন এবং সে বিষয়ে সঠিক পথের সন্ধান দিতে উত্তম দিকনির্দেশনা দিবেন।

সংবাদমাধ্যম ডেইলি পাকিস্তানের খবরে বলা হয়েছে, মাওলানা তারিক জামিলকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান আরো বলেছেন, আপনি যখন-ই আমাকে ডাকবেন আমি সাড়া দিবো। কেননা, আমি আপনার পথনির্দেশনায় পাকিস্তানকে পবিত্র নগরী মদীনার মতো বানাতে চাই।

তবে কবে, কখন এবং কোন প্রেক্ষাপটে মাওলানা তারিক জামিলকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এসব কথা বলেছেন তা উল্লেখ করেনি সংবাদমাধ্যম ডেইলি পাকিস্তান। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাওলানা তারিক জামিলের একটি ভিডিওফুটেজ প্রকাশ পেয়েছে।

প্রথিতযশা এই আলেমেদ্বীন সেখানে ইমরান খানের প্রশংসা করেছেন এবং পাকিস্তানকে একটি সফল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পাকিস্তানী জনগণের প্রতি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে সহযোগিতা করার আহবান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে আল্লাহ অনেক মানুষকে ক্ষমতা দান করেছেন আর ইমরান খান তাদের-ই একজন। আমার মনে হয়, লোকটি পাকিস্তানের জন্য ভালো কিছু করবেন। তার নিয়ত খুব স্বচ্ছ ও পরিষ্কার মনে হচ্ছে।

রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য মিয়ানমার এখনও নিরাপদ নয়: জাতিসংঘ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমার নিরাপদ নয় বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত ও তদন্তকারী ইয়াং হি লি। কারণ নিজ মাতৃভূমিতে নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা মুসলমানদের প্রত্যাবাসনের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টিতে ব্যর্থ হয়েছে মিয়ানমার সরকার।

সেখানে থেকে যাওয়া রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর এখনও নি’র্যাতন-নিপীড়ন চলছে। গতশুক্রবার জাতিসংঘের সাধারণ সভায় উপস্থাপিত এক প্রতিবেদনে তিনি জানিয়েছেন, মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের রাখাইন রাজ্যে এখনও যেসব রোহিঙ্গা মুসলমান রয়েছেন তাদের জন্যও পরিস্থিতি এখনও ভয়াবহ রয়ে গেছে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা তাদের গ্রাম ছেড়ে চলে গিয়েও ভালোভাবে জীবনযাপন করতে পারছে না। তাদেরকে মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল থাকতে হচ্ছে। তাদের বেঁচে থাকার জন্য যেসব মৌলিক উপকরণ প্রয়োজন সেগুলোও ব্যাপকভাবে হ্রাস পাচ্ছে।

জাতিসংঘের বিশেষ দূত লি আরও জানান, ‘এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া নিরাপদ বা টেকসই হবে না।’ তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এছাড়া রোহিঙ্গাদের গ্রামে চালানো পরিবার-গণনা প্রক্রিয়ায় প্রশাসনিক রেকর্ড থেকে রোহিঙ্গাদের মুছে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে,

যাতে তাদের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা আরও হ্রাস পায়। সরকারের শরণার্থী প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্রে জাতীয় শনাক্তকরণ কার্ড দেয়ার কথা বলা হয়েছে, কিন্তু তাতে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব পাওয়ার বিষয়টি সমাধান হবে না।

২০১৭ সালে আগস্ট মাসে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী অভিযান শুরু করলে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। জাতিগত নির্মূলকরণ এ অভিযানে রোহিঙ্গাদের ওপর ব্যাপক গণহ’ত্যা, গণধ’র্ষণ, লুণ্ঠন ও তাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে ফেলা হয়।