নরেন্দ্র মোদি ফ্যাসিস্ট ও মুসলিম বিদ্বেষী: ইমরান খান

জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ অধিবেশনে বক্তব্য দিয়েছেন। বক্তব্যে তিনি কাশ্মীর, রোহিঙ্গা, ফিলিস্তিন সহ নানান ইস্যুতে কথা বলেছেন। বিশেষ করে ইসলামফোবিয়া নিয়ে লম্বা সময় বক্তব্য দেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ইসলামফোবিয়ার বিষয়ে ইমরান খান বলেন, ৯ /১১-এর পরে ইসলামফোবিয়া ভয়ংকরভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

এসময় তিনি আরো বলেন, কাশ্মিরীরা আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে এবং আল্লাহর ইচ্ছায় তারা জিতবেই। তারা স্বাধীনতা পাবেই। এসময় তিনি ভারতের নরেন্দ্র মোদির সরকারকে ফ্যাসিস্ট ও মুসলিম বিদ্বেষী সরকার হিসেবে অভিহীত করেন।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, তার দেশ সব সময় কাশ্মিরীদের পাশে থাকবে। কাশ্মিরীরা পাকিস্তানের দিকে তাকিয়ে আছে। তাদের জন্য সব কিছু করতে হবে। নিউইয়র্কে জাতিসঙ্ঘ সাধারণ অধিবেশন শেষে দেশে ফিরে রোববার বিমান বন্দরে তিনি একথা বলেন।

বিমান বন্দরে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহমুদ কোরেশিকে স্বাগত জানায়। তাদের উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তৃতায় ইমরান বলেন, ‘সবার আগে আমার জাতিকে ধন্যবাদ। আপনাদের দোয়ায় কাশ্মির ইস্যু সুন্দরভাবে জাতিসঙ্ঘে উপস্থাপন করতে পেরেছি।

ইমরান আরো বলেন, সারা বিশ্ব কাশ্মিরীদের পাশে থাকুক আর নাই থাকুক। পাকিস্তান তাদের পাশে আছে। আমরা তাদের পাশে থাকবো কারণ আমাদের উদ্দেশ্য আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা। ইমরান খান সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ভালো ও মন্দ সময় আসতেই পারে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নাই। সুত্র: দ্য ডন

“ইজরাইল জবরদস্তি করে ফিলিস্তিনিদের হ’ত্যা করে ভূমি দখল করেছে, জাতিসংঘ তামাশা দেখছে”

জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ অধিবেশনে বক্তব্য দিয়েছেন। বক্তব্যে তিনি কাশ্মীর, রোহিঙ্গা, ফিলিস্তিন সহ নানান ইস্যুতে কথা বলেছেন। বিশেষ করে ইসলামফোবিয়া নিয়ে লম্বা সময় বক্তব্য দেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ইসলামফোবিয়ার বিষয়ে ইমরান খান বলেন, ৯ /১১-এর পরে ইসলামফোবিয়া ভয়ংকরভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

ইসলামি জ’ঙ্গিবাদ উগ্রবাদ বলতে কোন শব্দ নাই। ইসলাম একটাই আর সেটা হলো ১৪০০ বছর পূর্বে মোহাম্মদ সাঃ শিখিয়ে গেছেন। পশ্চিমারা স’ন্ত্রাসীদের ইসলামের সাথে যুক্ত করে ইসলামকে অপমান করছে। আমাদের মুসলমানদের দায়িত্ব সঠিক ইসলামের বানী প্রচার করা যাতে পশ্চিমারা আমাদের ইসলাম ও প্রাণের নবী মোহাম্মদ সাঃ সম্পর্কে মিথ্যা প্রচার না করতে পারে।

ইজরাইল জবরদস্তি করে ফিলিস্তিনিদের হ’ত্যা করে তাদের ভূমি দখল করেছে, জাতিসংঘ তামাশা দেখছে। মিয়ানমার জবরদস্তি করে রোহিঙ্গাদের গনহ’ত্যা করে বিতাড়িত করেছে, কিন্তু জাতিসংঘ কিচ্ছু করে নাই। খবরদার ভারত যদি একই কাজ কাশ্মীরে করতে চায়, পরিনতি হবে ভয়াবহ।

পাকিস্তান জানে ভারত তার থেকে ৫ গুণ বড় তারপরেও পাকিস্তান শেষ রক্তবিন্দু দিয়েও লড়াই করবে। লা ইলাহা ইল্লালাহ। আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। আমরা একমাত্র তারই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি। জাতিসংঘ যদি কাশ্মীরের পাশে নাও থাকে, পাকিস্তান মজলুম কাশ্মীরের ভাগ্য জালেম মোদির হাতে ছেড়ে দিবে না।।।

পারমাণবিক শক্তিধর দুই রাষ্ট্রের যুদ্ধ হলে পৃথিবীর কেউই নিরাপদ নয়। জাতিসংঘের আর প্রয়োজন নাই, যেহেতু ৭৪ বছরে জাতিসংঘ তামাশা দেখেছে মুসলমান হ’ত্যাযজ্ঞের। পারমাণবিক শক্তিধর দুই রাষ্ট্রের যুদ্ধ হলে পৃথিবীর কেউই নিরাপদ নয়। জাতিসংঘের আর প্রয়োজন নাই, যেহেতু ৭৪ বছরে জাতিসংঘ তামাশা দেখেছে মুসলমান হ’ত্যাযজ্ঞের।