“আমরা কাশ্মিরীদের পাশে থাকবো, কারণ আমাদের উদ্দেশ্য আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা”

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, তার দেশ সব সময় কাশ্মিরীদের পাশে থাকবে। কাশ্মিরীরা পাকিস্তানের দিকে তাকিয়ে আছে। তাদের জন্য সব কিছু করতে হবে। নিউইয়র্কে জাতিসঙ্ঘ সাধারণ অধিবেশন শেষে দেশে ফিরে রোববার বিমান বন্দরে তিনি একথা বলেন।

বিমান বন্দরে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহমুদ কোরেশিকে স্বাগত জানায়। তাদের উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তৃতায় ইমরান বলেন, ‘সবার আগে আমার জাতিকে ধন্যবাদ। আপনাদের দোয়ায় কাশ্মির ইস্যু সুন্দরভাবে জাতিসঙ্ঘে উপস্থাপন করতে পেরেছি।

ইমরান আরো বলেন, সারা বিশ্ব কাশ্মিরীদের পাশে থাকুক আর নাই থাকুক। পাকিস্তান তাদের পাশে আছে। আমরা তাদের পাশে থাকবো কারণ আমাদের উদ্দেশ্য আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা। ইমরান খান সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ভালো ও মন্দ সময় আসতেই পারে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নাই।

কাশ্মিরীরা আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে এবং আল্লাহর ইচ্ছায় তারা জিতবেই। তারা স্বাধীনতা পাবেই। এসময় তিনি ভারতের নরেন্দ্র মোদির সরকারকে ফ্যাসিস্ট ও মুসলিম বিদ্বেষী সরকার হিসেবে অভিহীত করেন। সুত্র: দ্য ডন

আমেরিকাকে ভয় পাই না, তেল ইরান থেকেই কিনব: এরদোগান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান বলেছেন, আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হওয়ার হুমকি সত্ত্বেও তার দেশ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক লেনদেন চালিয়ে যাবে। তিনি আরো বলেছেন, আঙ্কারার পক্ষে ইরানের তেল ও গ্যাস কেনা বন্ধ করা সম্ভব নয়।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে নিউ ইয়র্ক থেকে আঙ্কারায় ফেরার পথে এরদোগান সাংবাদিকদের বলেন, আমেরিকার অর্থনৈতিক শাস্তির হুমকিকে ভয় পায় না আঙ্কারা। ইরানের ওপর আমেরিকার আরোপিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দেশটির তেল বহন করার

অভিযোগে চীনের ছয়টি জাহাজ কোম্পানির বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর তুর্কি প্রেসিডেন্ট এ বক্তব্য দিলেন। আমেরিকা ঘোষণা করেছে, ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে কেউ দেশটির সঙ্গে বাণিজ্যিক লেনদেন করলে তাকেও নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে হবে।

এ সম্পর্কে এরদোগান বলেন, “আমি জানি নিষেধাজ্ঞা দিয়ে এ পর্যন্ত কোনো সমস্যার সমাধান হয়নি।” ইরানের জ্বালানী তেল ও তেলজাত পণ্যের ওপর তুরস্ক ভীষণভাবে নির্ভরশীল। ২০১৮ সালে আমেরিকা ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার আগে তুরস্ক ও ইরান বছরে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যিক বিনিময় করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল।

কিন্তু নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর আমেরিকার দৃষ্টিতে ওই বিনিময় শূন্যের কোঠায় নেমে আসার কথা থাকলেও আঙ্কারা ও তেহরান এখনো ১২ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যিক লেনদেন করে যাচ্ছে।