গুরুদুয়ারাকে মসজিদে রূপান্তর করছে পাকিস্তান

পাকিস্তানের লাহোরের ঐতিহাসিক গুরুদুয়ারা নানক শাহি মসজিদে রূপান্তর করার পদক্ষেপের প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত। সোমবার পাকিস্তান হাইকমিশনে এ প্রতিবাদ জানায় দিল্লি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব এক বিবৃতিতে বলেছেন, লাহোরের নওলাখা বাজারে ভাই তারু সিং জির শাহাদাত স্থান গুরুদুয়ার শহীদী আস্তানাকে মসজিদ শহীদ গঞ্জের জায়গা হিসেবে দাবি করা হয়েছে এবং এটিকে মসজিদে রূপান্তর করার পদক্ষেপে পাকিস্তানি হাইকমিশনে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

মুখপাত্র বলেন, গুরুদুয়ার শহীদী আস্তান ভাই তারু জি একটি ঐতিহাসিক স্থান, যেখানে ভাই তারু জি ১৭৪৫ সালে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।

তিনি বলেন, এটিকে শিখ ধর্মের লোকেরা শ্রদ্ধার ও পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত করে। এই ঘটনাটিকে ভারত গুরুতর উদ্বেগের সঙ্গে দেখছে। পাকিস্তানে সংখ্যালঘু শিখ ধর্মের লোকদের প্রতি ন্যায় বিচারের জন্য আহ্বান জানিয়েছে ভারত।

আমেরিকার খ্রিস্টান পরিবারে জন্ম হলেও একলা ঘরে কলেমা পড়ে আমি মুসলিম হই!

আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, এটা বাড়ি নিয়ে আসব এবং অবসর সময়ে আরো খুঁটিনাটি কাজ করব। আমি গেমে একটি পর্ব এমন রাখতে চাইলাম, যেখানে ওসামা বিন লাদেনের পাগড়িতে আগুন নিক্ষেপ করা হবে। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আমি গুগলে সার্চ দিলাম। তখন ইসলাম বিষয়ে এমন কিছু লেখা পাই, যা আমার চোখ খুলে দেয়।

একটি প্রবন্ধের আলোচ্য বিষয় ছিল নুহ, ইবরাহিম, মুসা, ঈসা (আ.)-সহ অন্যান্য নবীর ব্যাপারে মুসলিম ধর্মবিশ্বাস। যেহেতু আমি নিয়মিত বাইবেল পড়তাম, তাই আমি এসব নবীর ব্যাপারে জানতাম। আমি আশ্চর্য হলাম, খ্রিস্টান না হয়েও তাঁরা কিভাবে নবীদের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে?

আমি গেম তৈরির কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই ইসলাম বিষয়ে প্রবন্ধ ও বই পড়তে লাগলাম। আক্ষরিক অর্থে আমি জেগে উঠলাম। ছুটির সময় সর্বক্ষণ আমি পড়তাম। পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে যেতাম, আবার জেগে উঠতাম এবং পড়তাম।

আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, আমি এক সত্যিকার খ্রি*স্টান হব। আমি ইসলাম ও অন্যান্য ধর্ম সম্পর্কে পড়ব এবং খ্রি*স্টধর্মের শ্রেষ্ঠত্বের দিক খুঁজে বের করব, যেন আমাকে কেউ জন্মসূত্রে খ্রি*স্টান বলতে না পারে।

খ্রি*স্টধর্মের ইতিহাস পড়ার পর দেখলাম, ঈসা (আ.)-এর আনীত বাণী অনুসরণ করছে না গির্জাগুলো। বরং তারা ঈসা (আ.)-এর পরে একটি মতবাদ প্রতিষ্ঠা করে এবং যারা ও যা কিছু তাদের মতবাদের বিরোধী ছিল তা ধ্বংস করে দেয়। এরপর আল্লাহ তাঁর সত্য বাণী দিয়ে নবী মুহাম্মদ (সা.)-কে প্রেরণ করেন।

আমি কোরআন পড়তে শুরু করার পর জানলাম, কোরআন কখনো পরিবর্তন হয়নি এবং হবে না। একজন খ্রিস্টান হিসেবে বিষয়টি আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কেননা বাইবেল তার মূল অবস্থার ওপর টিকে আছে কি না, সেই নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারেনি। আর কোরআন প্রথম ব্যক্তির ওপর অবতীর্ণ হওয়ার সময় যেমন ছিল, ঠিক সেভাবেই রয়েছে।

ইসলাম, কোরআন ও মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে পড়ার পর আমি একজন মুসলিমের সঙ্গে ধর্ম নিয়ে কথা বলতে চাইলাম। কিন্তু আমার এলাকায় কোনো মসজিদ ছিল না, তাই ইন্টারনেটে এশিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকার মুসলিমদের সঙ্গে কথা বলি। সব পর্যবেক্ষণের পর আমি আর সত্য অস্বীকার করতে পারলাম না।

কিন্তু আমার ভেতর গুঞ্জন শুনতে পাচ্ছিলাম, আমি মুসলিম হতে পারি না। কারণ আমি আমেরিকান শ্বেতাঙ্গ। তুমি মুসলিম হতে পারো না। কারণ তুমি আরব নও। ইসলাম শুধু আরবের জন্য।

১১ সেপ্টেম্বরের ভয়াবহতার পর ইসলাম গ্রহণ করলে তুমি পরিবারকে কী বলবে? আলহামদুলিল্লাহ! আমি অল্প দিনের মধ্যে এসব প্রশ্ন উপেক্ষা করতে সক্ষম হই। যেহেতু আমার আশপাশে কোনো মসজিদ ছিল না, তাই আমি একলা ঘরে কালিমায়ে শাহাদাত পাঠ করে ইসলামে দীক্ষিত হই।