পারমাণবিক নিরাপত্তা সূচকে পাকিস্তানের অগ্রগতি

পারমাণবিক নিরাপত্তা সূচকে সবচেয়ে অগ্রসর দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে পাকিস্তানকে। চলতি বছরে বৈশ্বিক পারমাণবিক উপকরণ নিরাপত্তা নিয়ে জরিপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি দাতব্য সংস্থা।

যাতে সাত পয়েন্টে সার্বিকভাবে সর্বোচ্চ উন্নতি করেছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি। ডন ও এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের খবরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। সর্বমোট ৪৭ পয়েন্টে পাকিস্তান ১৯তম, আর তারপরেই ৪১ পয়েন্ট নিয়ে প্রতিবেশী ভারতের অবস্থান।

ন্যাশনাল থ্রেট ইনিশিয়েটিভের(এনটিআই) পরমাণু নিরাপত্তা সূচক অনুসারে, নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ পদক্ষেপে পাকিস্তানের সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে। এতে দেশটির ২৫ পয়েন্ট বেড়েছে। বৈশ্বিক মানের দিক থেকেও ভালো করেছে তারা, যাতে দেশটির এক পয়েন্ট বেড়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ পদক্ষেপে এই অগ্রগতি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। জোরালো আইন ও নীতিমালার কারণে পাকিস্তানের স্কোর বেড়েছে।

এতে তারা টেকসই নিরাপত্তা সুবিধাও পাবে। অভ্যন্তরীণ প্রতিশ্রুতি ও সক্ষমতায়ও পাকিস্তানের স্কোর(৬৭-১০০) বেড়েছে। ১৭৬টি দেশের পরমাণু নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়নের পরিমাপক হচ্ছে এনটিআইয়ের এই নিরাপত্তা সূচক।

পারমাণবিক উপকরণের নিরাপত্তা সূচকে পাকিস্তানের অগ্রগতির তারিফ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কূটনীতিক লৌরা ই কেনেডি। এক টুইটবার্তায় তিনি বলেন, পাকিস্তানের এই উন্নতিকে স্বাগত জানাচ্ছি।

পাট আমদানিতে ইমরান খানের প্রথম পছন্দ বাংলাদেশ

আরও বেশি পরিমাণে কাঁচা পাট আমদানির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে পাকিস্তান। এক্ষেত্রে ইমরান খানের প্রথম পছন্দ বাংলাদেশ। পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ডন-এর এক প্রতিবেদনে দেশটির সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মূলত ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক স্থগিত হওয়ায় বিপাকে পড়া পাটকলগুলোকে চালু রাখতে এবং বিশ্ব বাজারে পাটজাত পণ্যের চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ থেকে পাট আমদানির কৌশল নির্ধারণ করেছে ইমরান খানের সরকার।

ডন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত পাট উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে। কিন্তু পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের প্রায় সব ধরনের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক মুখ থুবড়ে পড়েছে। ফলে পাকিস্তান চাইলেও এ মুহূর্তে ভারত থেকে পাট আমদানি করতে পারবে না।

ইসলামাবাদ ইতোমধ্যে ঢাকা থেকে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে পাট আমদানির জন্য তো’ড়জো’ড় শুরু করেছে বলেও ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। কবে নাগাদ এই আমদানি প্রক্রিয়া শুরু হবে সে সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি সেখানে।