কাশ্মীরী শহীদদের এক ফোটা রক্তও ভুলে যাওয়া হবেনা: পাকিস্তান সেনাবাহিনী

কাশ্মীর শহীদ দিবসে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও শ্রদ্ধার সাথে কাশ্মীরী শহীদদের স্মরণ করে তাদের রক্ত বিফলে যেতে না দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করেছে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী।

পাক সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল বাবর ইফতিখার শহীদদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন, স্বাধীনতার জন্য সাহসী কাশ্মীরিদের চিরন্তন ত্যাগের কথা আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয়। শহীদদের রক্তের একেটি ফোটাও ভুলে যাওয়া হবেনা এবং ক্ষমাও করা হবেনা।

সোমবার (১৩ জুলাই) কাশ্মীর শহীদ দিবস উপলক্ষে তিনি এসব কথা বলেন।

অপরদিকে পাক সেনাবাহিনীর ডিজিআইএসপিআর এক বিবৃতিতে বলেন, কয়েক দশক ধরে চলতে থাকা ভারতীয় অত্যাচার ও নির্যাতন স্বাধীনতাকামী কাশ্মীরীদের স্বাধীনতার অদম্য চেতনাকে দমন করতে পারেনি।

বরং তারা কাশ্মীরীদের স্বাধীনতা সংগ্রাম রুখতে ব্যর্থ হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, চূড়ান্ত সাফল্য কাশ্মীরিদের ভাগ্যেই লেখা আছে। সর্বদলীয় হুররিয়্যাত কনফারেন্সের আহবানে আজ অধিকৃত কাশ্মীরে শহীদ দিবস পালিত হচ্ছে এবং সেখানে পুরো অঞ্চল জুড়ে ধর্মঘট পালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ঠিক আজকের এই দিনেই ১৯৩১ সালে হানাদার ডোগরা বাহিনীর নির্বিচারে গুলি বর্ষণে ২২ জন স্বাধীনতাকামী কাশ্মীরী শহীদ হয়েছিলেন।

আবদুল কাদির খান গাজীর বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদ করতে এই ২২জন শহীদ শ্রীনগর জেলখানার বাইরে জড়ো হয়েছিলেন। আজান দেওয়ার সাথে সাথেই হানাদার ডোগার আর্মি শ্রীনগর কারাগারের বাইরে কাশ্মীরিদের উপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করে তাদের হত্যা করেছিল।

ডোগরা রাজের অনৈতিক নিয়ম নীতির বিরোধিতার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল কাশ্মীরীদের স্বাধীনতা আন্দোলন। পরবর্তীতে তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতৃত্ব দানকারী সংগ্রামী নেতা আব্দুল কাদির খান গাজীর বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ জানাতে গেলে তাদের শহীদ করা হয়।

১৯৩১সালের সেই তখন থেকেই প্রতি বছরের ১৩ জুলাই কাশ্মীর শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

সূত্র: জিও নিউজ

পা নেই, হাতে ভর করে পবিত্র কাবা ৭ বার তাওয়াফ করল এই কিশোর

ইচ্ছা শক্তি আর ইসলামেরপতি ভালবাসা থাকলে কি না সম্ভব। দুই পা ছাড়া এক চতুর্থাংশ শরীর নিয়ে জন্ম হয়ে’ছিলকাতারের প্রতিবন্ধী কিশোর গানিম আল মুফতার।

এখন সে হু’ইল চেয়ারে করে চলাচল করে সে।এদিকে পবিত্র কাবাশরীফের কাছে আসলে তিনি ই’সলাম ধর্মের প্রতি আবেগঘন ভালোবাসা ব্যক্ত করেছে।

এ সময় তি’নি হু’ইল চেয়ার থেকেনেমে দুই হাতে ভর দিয়ে কাবা শরীফ তাওয়াফ করেছে প্রতিবন্ধী কিশোর গানিম আল মুফতার।

মা’গরিব না’মাজের সময়সাতবার কাবা তাওয়াফ করে প্রতিবন্ধী গানিম। সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এই তাওয়াফেরভিডিও প্রচারের পর বেশ সাড়াপড়েছে।

জানা যা’য়, কি’শোর গানিমের স্বপ্ন ছিল নিজহাতে পবিত্র কাবা শরীফ তাওয়াফ করা এবং পবিত্র হাজরেআসওয়াদ পাথরে চুম্বন করা।আর তার এমন স্বপ্নের কথা জেনে তা পূরণে তার জন্য ওমরা পালনের ব্যবস্থা করেন সৌদিপড়েছে।

জানা যায়, কি’শোর গা’নিমের স্বপ্ন ছিল নিজহাতে পবিত্র কাবা শরীফ তাওয়াফ করা এবং পবিত্র হাজরেআসওয়াদ পাথরে চুম্বন করা।

আর তার এ’মন স্ব’প্নের কথা জেনে তা পূরণে তার জন্য ওমরা পালনের ব্যবস্থা করেন সৌদিপর্যটন এবং জাতীয় ঐতিহ্য কমিশনের চেয়ারম্যান প্রিন্স সুলতান বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ।

এদিকে গা’নিমপ্র’তিবন্ধী হওয়ায় কাবা তাওয়াফসহ ওমরা পালনে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজন ছিল। এজন্য একটি বিশেষ টিমেরমাধ্যমে গানিম ও তার পরিবারের সদস্যদের মক্কায় পৌঁছানোর পর থেকে ওমরা পালনের শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়।

এ সময় ম’ক্কায় গা’নিমকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রিন্স সুলতান। এছাড়া মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদের ইমাম শেখমাহের আল-মুয়াকলির পেছনে গানিমদের নামাজ পড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়।

এদিকে প্রতি’বন্ধী গা’নিম হাত দিয়ে ভরদিয়ে পবিত্র কাবা তাওয়াফ করতে পারায় দারুণ খুশি। এ জন্য প্রিন্স সুলতান ও শেখ মাহেরে প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে এই কিশোর।