পাকিস্তান সেনাপ্রধানের কাবুল সফর, পায়ের নিচে মাটি হারাচ্ছে ভারত

৯ জুন কাবুলে পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল কমর জাভেদ বাজওয়াকে স্বাগত জানাচ্ছেন আফগান হাই কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ড. আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহ

আফগানিস্তানে ভারত কেন বড় খেলোয়াড় হিসেবে আবির্ভূত হতে পারছে না। খবর সাউথ এশিয়ান মনিটরের। এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো সেখানে পাকিস্তানের ব্যাপক প্রভাব এবং যেভাবে তারা নিজেদেরকে সেখানে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় নিয়ে গেছে এবং যেভাবে তারা যুক্তরাষ্ট্র আর তালেবানদের মধ্যে মধ্যস্থতা করেছে।

পাকিস্তানের চিফ অব আর্মি স্টাফ জেনারেল কমর জাভেদ বাজওয়ার সাম্প্রতিক ও আগের অঘোষিত কাবুল সফরগুলো আফগান সমঝোতার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের প্রধান ভূমিকাটা তুলে ধরেছে – যে সমঝোতা প্রক্রিয়াটা শুধু অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজনই নয়, বরং মহামারীর কারণেও বড় ধরনের আঘাতের মুখে পড়ে গেছে।

জেনারেল বাজওয়ার সফর একইসাথে এটাও দেখিয়েছে যে, পাকিস্তান কিভাবে আবারও ‘আফগান অভ্যন্তরীণ’ আলোচনায় নিজেদেরকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় নিয়ে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র যেখানে সম্প্রতি ভারতকে আফগান ‘উচ্চ টেবিলে’ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছে, যাতে তারা কাবুলকে দোহা চুক্তি মেনে চলার ব্যাপারে বোঝাতে পারে, সেখানে জেনারেল বাজওয়ার এই সফরের গুরুত্ব আরও বেশি।

এই ধরনের প্রচেষ্টা জোরালো হতে সবসময়ই ব্যর্থ হবে, কারণ এখানে ভারতের দিক থেকে তালেবানদের ব্যাপারে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের বিষয় জড়িত রয়েছে।

পাকিস্তান তাৎক্ষণিকভাবে আফগানিস্তানে তাদের অবস্থানকে কাজে লাগাচ্ছে এবং এমনকি আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহর মাধ্যমে দেশটির রাজনৈতিক নেতৃত্বের সাথে সরাসরি যোগাযোগ আরও জোরালো করছে। এতে বোঝা গেছে যে, পাকিস্তান এ অঞ্চলে শান্তি চায়;

আফগানিস্তানকে আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অংশীদারিত্বের মধ্যে নিয়ে আসতে চায় এবং সেখানে এমন একটা রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করতে চায় যেখানে সবগুলো জাতিগত গ্রুপের প্রতিনিধিত্ব ও ভূমিকা থাকবে। তবে এতে এটাও বোঝা গেছে যে, পাশের দেশে যে কোন ভাবে ভারতের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগটাও পাকিস্তানের মধ্যে রয়ে গেছে।

জেনারেল বাজওয়ার সাম্প্রতিক সফরে তালেবান বন্দীদের মুক্তি, আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহর পূর্ণ সমর্থন নিশ্চিত করা, তালেবানদের রাজনৈতিক কাঠামোর অধীনে নিয়ে আসার প্রয়োজনীয়তা, আফগান শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন, এবং মহামারীর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের বিষয়সহ সবগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এতে বোঝা গেছে যে, পাকিস্তান থমকে যাওয়া শান্তি প্রক্রিয়াকে নতুন করে শুরু করতে এবং এটাকে চূড়ান্ত রাজনৈতিক সমাধানের দিকে নিয়ে যেতে সাহায্য করছে।

আফগানিস্তানের টেবিলে ভারতকে ফিরিয়ে আনলে তাতে কোন লাভ হবে না – এমন একটা বার্তাও সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রকে দিতে চেয়েছে পাকিস্তান। তবে আলোচনার বিষয়গুলো থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, আফগানিস্তানে পাকিস্তানের সংশ্লিষ্টতা সেখানকার অন্যান্য গ্রুপের বিপরীতে তালেবানদের ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে ‘ভারতকে অন্তর্ভুক্তির’ একমাত্র এজেন্ডার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

বরং পাকিস্তান সেখানে একটা সত্যিকারের শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, যেটা শুধু একতরফা তালেবান আধিপত্যের আফগানিস্তান গড়ে ওঠার আশঙ্কাকেই প্রশমিত করছে না, বরং আফগানিস্তানে মার্কিন আধিপত্যের অবসানের বিষয়টিও নিশ্চিত করছে, যে দাবিটি শুধু তালেবানদের নয়, বরং আফগানিস্তানের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মধ্যে গভীরভাবে প্রোথিত রয়েছে।

তাছাড়া, কাবুলের নেতৃত্বের সাথে জেনারেল বাজওয়ার আলোচনার বিষয়বস্তু থেকে বোঝা গেছে যে, পাকিস্তান শুধু আফগানিস্তানে মার্কিন যুদ্ধ শেষ করার ব্যাপারে বা তালেবানদের সমন্বিত করার ব্যাপারেই আগ্রহী নয়, বরং তারা মূলত যুদ্ধ এবং এর সাথে জড়িত বিভিন্ন ইস্যুগুলোর সমাধান করতে চায়।

এর মধ্যে রাজধানী ইসলামাবাদ এবং পাকিস্তানের অর্থনৈতিক কেন্দ্র করাচিতে বসবাসরত বহু মিলিয়ন আফগানদের প্রত্যাবাসনের বিষয়টিও রয়েছে।

এর সাথে সম্পর্কিত হলো আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির বিষয়ের পাকিস্তানের গুরুত্বারোপ। এ বিষয়টি বাস্তবায়িত হলে সেটা দেশটির অর্থনৈতিকভাবে দরিদ্র পরিস্থিতির উত্তরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, যে দারিদ্রের কারণে আফগান শরণার্থীরা এখন দেশে ফিরতে চায় না।

অন্যভাবে বললে, বিশেষ মার্কিন দূত খলিলজাদ চেয়েছিলেন নয়াদিল্লীর মাধ্যমে কাবুলকে ‘চাপ’ দিতে, যাতে কাবুল শান্তি প্রক্রিয়ার সাথে লেগে থাকে এবং সেখান থেকে বিচ্যুত না হয়। কিন্তু ভারতের পরস্পরবিরোধী জবাবের কারণে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত উপলব্ধি করেছে যে কাবুল এবং তালেবান উভয়ের সাথে কথা বলে শান্তি প্রক্রিয়াকে পুনরুদ্ধার করার মতো অবস্থায় নয়াদিল্লী নেই।

অন্যদিকে বিভিন্ন আফগান পক্ষের কাছে পৌঁছানোর সক্ষমতা রয়েছে পাকিস্তানের। সেটা বোঝা গেছে যখন জেনারেল বাজওয়া শুধু আশরাফ ঘানির সাথেই বৈঠক করেননি, বরং আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহর সাথেও বৈঠক করেছেন এবং সেখানে ৫০০০ বন্দিকে মুক্তি দেয়ার জন্য তালেবানদের প্রধান দাবির বিষয়টির উপরও জোর দিয়েছেন (কাবুল এ পর্যন্ত প্রায় ৩,০০০ বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে)।

একই সাথে পাকিস্তান অতীতে আফগানিস্তানের আশেপাশের প্রতিবেশী – চীন, রাশিয়া ও ইরানের সাথে বিনিময় করে এসেছে, ভারত যেটা করেনি। শুধু তাই নয়, পাকিস্তান বরং এই প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে তালেবানদের বর্তমান সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে যাতে সঙ্ঘাত নিরসনে একটা সার্বিক আঞ্চলিক কৌশল গ্রহণ করা যায়।

এ বিষয়ে জেনারেল বাজওয়ার জোর দেয়ার কারণে পাকিস্তানের ব্যাপারে যে ধারণা রয়েছে যে, তারা এককভাবে আফগানিস্তানের সমস্যার সমাধান করে দেশটিকে নিজেদের একক নিয়ন্ত্রণে আনতে চায়, সেই ভুল ধারণা মূলত কেটে গেছে।

এটা স্পষ্ট যে পাকিস্তানের উদ্দেশ্য হলো আফগানিস্তানের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ – যুক্তরাষ্ট্র, তালেবান, কাবুল – সবার সাথে আলোচনা করা এবং সেটা তারা করছে, যাতে দোহাতে সম্পাদিত শান্তি চুক্তিটি জীবিত থাকে এবং সফলতার সাথে বাস্তবায়িত হয়।

কিছু দেশ পাকিস্তানকে ‘তালেবানদের বন্ধু’, ‘সন্ত্রাসবাদের প্রশ্রয়দাতা’ এবং ‘আফগানিস্তানের শত্রু’ হিসেবে যেভাবে চিত্রিত করেছে, সেটার কোন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না এবং বাস্তব চিত্রের সেটা সম্পূর্ণ বিপরীত।

আসলে এই যুক্তিটাকে ব্যবহার করেই কিছু দেশ বারবার এফএটিএফ বৈঠকে পাকিস্তানকে গ্রে-লিস্টে অন্তর্ভুক্ত রাখার চেষ্টা চালিয়ে এসেছে, যদিও তারা কালোতালিকাভুক্ত করতে পারেনি।

জেনারেল বাজওয়ার সফর এবং সেখানে যে বিষয়গুলো উত্থাপিত হয়েছে, সেখান থেকে বোঝা গেছে যে, পাকিস্তানকে যেভাবে সাধারণত চিত্রিত করা হয়, বাস্তবে আফগানিস্তানের ব্যাপারে সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে তাদের। এটা সত্য যে আফগানিস্তানে যথেষ্ট গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েছে তারা।

পাকিস্তান এককভাবে তালেবান আধিপত্যের আফগানিস্তানও চায় না, আবার এমন দেশও চায় না, যেখানে সবসময় যুদ্ধ লেগে থাকবে এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজ করবে। আফগানিস্তানের এই ধরনের পরিস্থিতিটা পাকিস্তানের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।

ভারতের আচরণের পুরোপুরি বিপরীতে গিয়ে পাকিস্তান সক্রিয়ভাবে শান্তি প্রক্রিয়াকে জীবিত রাখার চেষ্টা করছে। নিজেকে আঞ্চলিক পরাশক্তি হিসেবে দাবি করে আসলেও ক্ষমতার সাথে যে দায়িত্ব আসে, তার এক বিন্দুও দেখাতে পারেনি ভারত।

বিভিন্ন প্রকাশ্য ও গোপন পন্থায় তারা বারবার শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছে, সঙ্ঘাতকে বাঁচিয়ে রাখার পথ বেছে নিয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানকে দেয়াল হিসেবে ব্যবহার করে নিরাপদে থেকেছে।

কিন্তু নিরাপদে থাকার চিন্তা বাদ দিয়ে পাকিস্তান এখানে সরাসরি এবং দ্বিধাহীনভাবে সমস্যা সমাধানে মনোযোগ দিয়েছে। তালেবান, কাবুলের কর্তৃপক্ষ এবং সেখানে সংশ্লিষ্ট সবগুলো পক্ষের মধ্যে শান্তি প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের জন্য ইসলামাবাদ সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। আফগান শান্তিকে এখন আর দূরের হাতছানি বলে মনে হচ্ছে না।

যুক্তরাজ্যে বর্ষসেরা চিকিৎসক বাংলাদেশি ফারজানা

যুক্তরাজ্যের বর্ষসেরা চিকিৎসক (জিপি অব দ্য ইয়ার) মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফারজানা হুসেইন।

যুক্তরাজ্যে প্রতিবছর জেনারেল প্র্যাকটিসের জন্য এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। খবর দ্যা পালস ডট ইউকের।

পূর্ব লন্ডনের নিউহ্যামে বসবাসকারী ফারজানা হুসেইন গত ১৮ বছর ধরে স্থানীয় পর্যায়ে এই খেতাব পেয়ে আসছিলেন।

এবার তিনি জাতীয় পর্যায়েও জিপি (জেনারেল প্রাক্টিসনার) বা বর্ষসেরা চিকিৎসক মনোনীত হলেন। পুরস্কারটি প্রদান করেছে যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক সংস্থা দ্য ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস)।

এনএইচএসএর ৭২ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে ব্রিটেন, সে সময়ই ঘোষিত হলো ফারজানার নামটিও।

ফারজানা হুসেইন গত ৩ বছরে নিউহ্যামের স্থানীয় চিকিৎসা কমিটিতে ছিলেন। সেইসঙ্গে নিউহ্যামের জেনারেল প্র্যাকটিস ফেডারেশনের বোর্ড ডিরেক্টরের দায়িত্বও পালন করে আসছেন।

এ ছাড়া তিনি যুক্তরাজ্যের এনএপিসির কাউন্সিল সদস্য। সম্প্রতি তিনি প্রাথমিক কেয়ার নেটওয়ার্কের জন্য একজন ক্লিনিক্যাল পরিচালক হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন।

এন এইচ এস এর সেরা চিকিৎকসকদের সম্মান জানাতে তাদের ছবি দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিলবোর্ড স্থাপন করেছে।

সেই বিলবোর্ডে বিভিন্ন বিভাগে সেরা ঘোষিত অন্য আরো ১২ জন চিকিৎসকের সাথে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত এই চিকিৎসক ফারজানা হোসেনের ছবি।

স্থানীয় একটি পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাতকারে ফারজানা বলেন, হুসেন ইস্টার্ন আইকে বলেছিলেন যে তিনি ‘ওষুধের আশেপাশেই বেড়ে উঠেছেন’ কারণ তার বাবা ছিলেন ডাক্তার এবং বড়দিনের দিন হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলিতে তার পিতার, সাথে তিনি গিয়েছেন পাঁচ বছর বয়সী হিসাবে, আমি তার সাথে এসেছি এবং নার্সরা আমাকে দেওয়া চকোলেটগুলি আমি উপভোগ করেছি এবং আমি যখন একটি ছোট মেয়ে ছিলাম তখন ওয়ার্ডের সমস্ত রোগী দেখেছিলাম।

আমার কিশোরী বয়সে মা খুব অসুস্থ ছিলেন। এবং প্রথম বর্ষের মেডিক্যাল ছাত্র থাকা অবস্থায় তার মা মারা যান। এটি আমাকে কেবল চিকিত্সা অধ্যয়ন করতে নয় রোগীদের সত্যিকারের সেবা করার জন্য অনুপ্রাণিত করেছিল।

ফারজানা জানান, লন্ডন থেকে আড়াই শ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে তিনি কার্ডিফের সাউথ ওয়েলসের ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েলস, কলেজ অফ মেডিসিন থেকে লন্ডনে আসতেন তার মায়ের সাথে দেখা করতে।

যিনি শেষ পর্যায়ের হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ছিলেন। তাকে সত্যিই অসুস্থ লাগছিল। আমি নিশ্চিত ছিলাম না যে আমি তাকে ছেড়ে মেডিক্যাল স্কুলে ফিরে যাব, বা থাকব কিনা।

তিনি বললেন, তোমাকে অবশ্যই ফিরে যেতে হবে। আমি চাই তুমি একজন ডাক্তার হয়ে মানুষকে সহায়তা করো। আমি ঠিক হয়ে যাব। অথচ পাঁচ দিন পরে তিনি মারা যান।

‘প্রায় দুই দশক পরে এসে ও আমি জানি না আমি আমার মায়ের সেই ইচ্ছার যোগ্য হতে পেরেছি কি না। তবে আমি প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছি আমি যখন আমার রোগীদের দেখাশোনা করি তখন আমি মনে করি তারা কারও পরিবার।’

উল্লেখ্য, ১৯৭০ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে স্কলারশিপ নিয়ে হিসাবে ব্রিটেনে এসেছিলেন ডাক্তার ফারজানার বাবা। এরপর থেকে তাদের পরিবার ব্রিটেনেই বসবাস করে আসছে।