আগে থেকে পাকিস্তানের করাচি বন্দরে মজুদ রয়েছে চীনের সাবমেরিন!

ভারত-চীনের মধ্যকার সামরিক উত্তেজনা প্রশমনের কোনো লক্ষণ নেই। এরইমধ্যে জানা গেছে পাকিস্তানের করাচি বন্দরে চীনের ০৯৩-শ্যাং নিউক্লিয়ার সাবমেরিন অবস্থান করছে। লাহোরে জে-১১ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে।

সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাকিস্তানকে সরাসরি চীনা সমরঘাঁটিতে পরিণত করে ফেলেছে চীন। জানা গেছে,পাকিস্তানের তিনটি বিমানবন্দরে চীনের বিমানাবাহিনীর একঝাঁক ফাইটার জেট রাখা হয়েছে।

শুধু তাই নয়, শতাধিক সেনাও পাকিস্তানে ঘাঁটি তৈরি করেছে বলে খবর। তবে করাচিতে সাবমেরিন রাখার ঘটনা নতুন নয়। ভারতের সঙ্গে চীনের সংঘাত শুরু হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

২০১৭ সাল থেকে করাচি বন্দরে একটি চীনের সাবমেরিন রাখা হয়েছে। সম্প্রতি লাদাখ সীমান্তে সংঘাতের খবর আসতে চীনের নিউক্লিয়ার সাবমেরিনের তৎপরতা ধরা পড়েছে বলে খবর।

এদিকে, বিভিন্ন এয়ারবেসেও ভারতীয় বিমান বাহিনীও তৎপরতা বাড়িয়েছে। সেনাবাহিনীতেও একেবারে হাই-অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। পাকিস্তান সীমান্তে ক্রমশ সেনা বাড়ানো হচ্ছে বলেও ভারতীয় সেনা সূত্রে জানা গেছে।

সুত্র: বিডি প্রতিদিন

কাশ্মিরে অধিকার পুনর্বহালের দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী বাইডেন

অধিকৃত কাশ্মিরবাসীর অধিকার পুনর্বহাল করার জন্য নয়া দিল্লির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনে ডেমক্রেট দলীয় প্রার্থী ও সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

এক বিবৃতিতে তিনি ভারতের নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইন (সিএএ) ও আসামে জাতীয় নাগরিক তালিকা (এনআরসি) বাস্তবায়ন নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, এসব ব্যবস্থা দেশটির দীর্ঘ সেক্যুলার ঐতিহ্যের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ এবং বহু-জাতিক ও বহু-ধর্মীয় গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর।

সম্প্রতি নির্বাচনী ওয়েবসাইটে আমেরিকান মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য জো বাইডেনের এজেন্ডাগুলো তুলে ধরা হয়।

আমেরিকান মুসলিমদের ব্যাপারে পলিসি পেপারে বলা হয়, কাশ্মিরের সব অধিবাসীর অধিকার পুনর্বহালের জন্য ভারত সরকারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে হবে। ভিন্নমত প্রকাশে বাধা, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে বাধাদান বা ইন্টারনেটের গতি কমানো গণতন্ত্রকে দুর্বল করে দেয়।

এতে আরো বলা হয় যে, আসামের এনআরসি বাস্তবায়ন ও সিএএ পাসের পর ভারত সরকারের নেয়া ব্যবস্থাগুলোর ব্যাপারে জো বাইডেন হতাশ।

চীনের সঙ্গে সংঘাতের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণরেখায় সেনা সমাবেশ করছে পাকিস্তান

চীনের সঙ্গে সংঘাতের মধ্যেই পাকিস্তান নিয়ন্ত্রণরেখায় সেনা সমাবেশ করছে বলে জানাল ভারতীয় সেনা। পাকিস্তান কোনও অভিযানে নামলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ১৫ নম্বর কোরের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল পি রাজু।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজুর বক্তব্য, ‘‘লাদাখ পরিস্থিতির কোনও প্রভাব এখনও কাশ্মীরে পড়েনি। ১৪ নম্বর কোর সেখানকার পরিস্থিতি সামলাচ্ছে। অতিরিক্ত বাহিনী কাশ্মীর হয়ে লাদাখ গিয়েছে।

কারণ সেটাই লাদাখ যাওয়ার স্বাভাবিক পথ। তবে পাকিস্তানও সেনা সমাবেশ করছে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘পাকিস্তান সম্প্রতি জানিয়েছিল তারা ভারতের তরফে আক্রমণের আশঙ্কা করছে। হয়তো তারা নিজেদের সুরক্ষার জন্যই সেনা সমাবেশ করেছে।

আমরা সতর্ক আছি।’’ পাক সংঘর্ষবিরতি ভঙ্গ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ১৫ নম্বর কোরের কমান্ডার বলেন, ‘‘জঙ্গি অনুপ্রবেশ ঘটাতেই সংঘর্ষবিরতি ভঙ্গ করে পাকিস্তান। তবে গত বছরের চেয়ে সংঘর্ষবিরতি ভঙ্গের ঘটনা কম।

এর সঙ্গে লাদাখ পরিস্থিতির কোনও সম্পর্ক নেই।’’ জম্মু-কাশ্মীরে সংযুক্ত কমান্ডের বৈঠকে সেনার তরফে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি এলাকায় দ্রুত বাঙ্কার তৈরির উপরে জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

চলতি বছরের অমরনাথ যাত্রা নিয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি হয়নি বলে জানিয়েছেন রাজু। তাঁর কথায়, ‘‘সংযুক্ত কমান্ডের বৈঠকে উপরাজ্যপালই জানিয়েছেন এ নিয়ে কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা নেই।’’

উপত্যকায় প্রযুক্তিগত নজরদারি ও চরেদের মাধ্যমে পাওয়া সূত্রের ভিত্তিতে জঙ্গি-দমন অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাজু। তাঁর বক্তব্য, ‘‘স্থানীয় যুবকদের জঙ্গি দলে যোগ দেওয়া রুখতে সব ধরনের চেষ্টা করছি আমরা। জঙ্গি-দমন অভিযানের সময়ে তাদের আত্মসমর্পণ করারও সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।’’

এ দিনই জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ কাশ্মীরের কোকেরনাগ, ত্রাল ও খ্রু-তে ২৯ জন বিদেশি জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিজি দিলবাগ সিংহের বক্তব্য, ‘‘বিদেশি জঙ্গিরা অনেক বেশি প্রশিক্ষিত।

তবে আমাদের বাহিনী সব ধরনের চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে সক্ষম।’’ দিলবাগ জানিয়েছেন, দক্ষিণ কাশ্মীরে জঙ্গির সংখ্যা এখনও উত্তর কাশ্মীরের চেয়ে বেশি। তবে উত্তর কাশ্মীরেও জঙ্গি-দমন অভিযান শুরু হয়েছে। সুত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা