পূর্ণাঙ্গ পর্দা মেনে গিনেস বুকে নাম লেখালেন পাকিস্তানি নারী পাইলট শাহনাজ লাঘারী!

প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ পর্দা অনুসরণ করে বিমানের পাইলট ক্যাপ্টেন হয়ে আলোচনায় এসেছেন পাকিস্তানের এক সম্ভ্রান্ত নারী।

ইতোপূর্বে বিভিন্ন সময়ে কেবল হিজাব এবং ওড়না গায়ে জড়িয়ে বিশেষ কিছু পেশায় যুক্ত হয়ে মুসলিম নারীরা আলোচনায় এলেও পূর্ণাঙ্গ পর্দা অনুসরণ করে বিমানের পাইলট ক্যাপ্টেন হয়ে এবারই প্রথম আলোচনায় এসেছেন শাহনাজ লাঘারী নামের পাকিস্তানি এই নারী।

হাত, পা চেহারাসহ আপদমস্তক বোরখায় আবৃত করে বিমানের ককপিটে বসে ইতোমধ্যে গিনেস বুক ওয়ার্ল্ডেও উঠেছে তার নাম। এবং বিশ্বের প্রথম বোরখাওয়ালী নারী পাইলট হিসেবে নিজেকে পরিচিত করে ফেলেছেন বিশ্বজুড়ে।

শাহনাজ লাঘারী হলেন প্রথম পাকিস্তানী মহিলা পাইলট যিনি বোরখা পরে বিমান উড়িয়েছিলেন। এই কৃতিত্বের জন্য তিনি গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসেও তালিকাভুক্ত হয়েছেন। ২০১৬ সালে তিনি প্রথম বিমান উড়িয়েছিলেন।

শাহনাজ শুধু একজন বিমান পাইলটই নন। তিনি একজন ভাল সমাজকর্মী, মুসলিম মহিলাদের জীবন-জীবিকা নির্বাহের বেশ কয়েকটি প্রশিক্ষণমূলক সংগঠন এবং সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিচালনা করছেন। তিনি পাকিস্তানের নারীর জীবন উন্নয়নের জীবন্ত উদাহরণে পরিণত হচ্ছেন।

শাহনাজ সম্পর্কে আরও জানা যায় – তিনি তিন সন্তানের গর্বিত মা এবং একজন প্রভাবশালী নারী। শাহনাজ লাঘারী রাজনীতিতেও সম্পৃক্ত রয়েছেন – শাহনাজ লাহোরে একটি আসন থেকে থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে (সাধারণ নির্বাচন -২০১৪) সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পরে মে ২০১৮ সালে পাকিস্তান মুসলিম লীগ (পিএমএলকিউ) যোগদান করেছিলেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সাথেও কয়েকবার সাক্ষাৎ এবং বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছেন তিনি।

লাদাখ সীমান্তে এবার মার্শাল আর্ট বাহিনী মোতায়েন করলো চীন

ঐতিহ্যগতভাবে মার্শাল আর্টে চীনের পরিচিতি জগদ্বিখ্যাত। চীনের বিভিন্ন স্কুলে পর্যন্ত এর কলাকৌশল শেখানো হয়। এদিকে গালওয়ান সীমান্তে ভারতের সঙ্গে প্রাণঘাতী সংঘাতের পর সীমান্ত বাহিনীতে মিক্সড মার্শাল আর্ট (এমএমএ) স্কোয়াড নিয়োগ দিয়েছে চীন।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, মার্শাল আর্টের এই যোদ্ধাদের আনা হয়েছে সিচুয়ান প্রদেশের বিখ্যাত এনবো ফাইট ক্লাব থেকে। এই ক্লাবের খেলোয়াড়েরা সাধারণত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট বলছে, নতুন যোদ্ধাদের সরাসরি ভারত সীমান্তে রাখা হবে কি না সেটি এখনো জানা যায়নি। তাদের প্রধান কাজ হবে সীমান্তে পাহারা দেয়া সেনাদের শারীরিক যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেয়া। একই সঙ্গে যে কোনো প্রয়োজনে তারা সাহায্যও করবেন।

এনবো ক্লাবের প্রধান সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘দেশের প্রয়োজন হলে আরও ঝুঁকিপূর্ণ কাজে আমরা সাহায্য করবো। কয়েক দিন আগে সীমান্তে কী হয়েছে সে বিষয়ে আমি জানি না। জানার চেষ্টাও করিনি।’

প্রসঙ্গত, সোমবার (১৫ জুন) রাতে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ভারতের সঙ্গে ওই সংঘাতে চীনের কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেটি এখনো জানা যায়নি।

তবে ভারতের ২০ জন মারা গেছে বলে স্বীকার করেছে দেশটি। এই সংঘাতে কোনো গোলাগুলি হয়নি। দুই দেশেরা সেনারা তর্কের এক পর্যায়ে শারীরিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন।

১৯৭৫ সালের পর এই প্রথম ভারত-চীনের মধ্যে প্রাণহানি হওয়ার মতো এমন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলো। ১৯৬২ সালে সীমান্ত বিরোধ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সংক্ষিপ্ত যুদ্ধ হয়।