এরদোগানকে নিয়ে নিজেই গাড়ি চালালেন ইমরান খান!

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান দু দিনের সফরে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ পৌঁছেছেন। দু দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং অর্থনৈতিক সর্ম্পক জোরদার করাই এ সফরের মূল উদ্দেশ্য।

তুরস্ক থেকে সস্ত্রীক এরদোগান পাকিস্তানের সেনাশহর রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমানঘাঁটিতে এসে পৌঁছালে তাদেরকে অভ্যর্থনা জানান পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এ সময় পাকিস্তান মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

বিমানবন্দরে পাকিস্তানের একটি চৌকস সেনাদল প্রেসিডেন্ট এরদোগানকে গার্ড অব অনার ও লালগালিচা সংবর্ধনা দেয়। পরে বিমানবন্দর থেকে এরদোগানকে নিয়ে নিজেই গাড়ি চালিয়ে যান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

পাকিস্তান সফরে তুর্কি প্রেসিডেন্টের সাথে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিনিধিদল রয়েছে যাতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সরকারি শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং তুরস্কের বিভিন্ন কোম্পানি ও সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা রয়েছেন।

গত ডিসেম্বরে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে মুসলিম দেশগুলোর অংশগ্রহণে যে শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল তাতে ইমরান খানের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি শেষ পর্যন্ত সৌদি চাপের কাছে নতিস্বীকার করে তাতে যোগ দেন নি।

ওই সম্মেলনে মুসলিম বিশ্বের পক্ষ থেকে তুরস্ক, ইরান ও কাতারের রাষ্ট্র প্রধানরা যোগ দিয়েছিলেন। এ নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মুহাম্মাদের সাথে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সম্পর্কের যে অবনতি হয়েছে তা ঠিকঠাক করতে যখন চেষ্টা চলছে তখন তুর্কি প্রেসিডেন্ট পাকিস্তান সফরে গেলেন।

কুয়ালালামপুর সম্মেলনকে সৌদি আরব মুসলিম বিশ্বের মধ্যে নতুন একটি জোট গঠনের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখেছিল। তবে, মালয়েশিয়া ও পাকিস্তান সৌদি আরবের অভিযোগ তখন নাকচ করে দেয়। সূত্র: পার্সটুডে

ইরানের বিপুল পরিমান অস্ত্র জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র!

দেড়শ ট্যাংকবিধ্বংসী গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ও তিনটি স্থল থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রসহ ইরানের উৎপাদিত অস্ত্র জব্দ করার কথা জানিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র জানায়,

রোববার আরব সাগরে একটি ঐতিহ্যবাহী নৌযান ডোয়ায় করে গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ক্রুজার নোরম্যান্ডি নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। -খবর রয়টার্সের

এতে আরও জানানো হয়, জব্দ করার অস্ত্রের মধ্যে দেড়শটি ট্যাংকবিধ্বংসী গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র (এটিজিএম) দেহলাভিয়াহও জব্দ করা হয়েছে। রুশ করনেট এটিজিএমের অনুকরণে এসব অস্ত্র নির্মিত হয়েছে। এছাড়াও যেসব অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে, তা ইরানি পরিকল্পনায় নির্মাণ করা হয়েছে।

যার মধ্যে তিনটি ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে। এর আগে গত নভেম্বরেও এমন অস্ত্র ভাণ্ডার জব্দ করা হয়েছিল বলে জানায় মার্কিন সেনাবাহিনী। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের জন্য সরবরাহ করা ইরানি অস্ত্র জব্দ করছে যুক্তরাষ্ট্র।

জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুসারে, দেশের বাইরে অস্ত্র সরবরাহ, বিক্রি ও হস্তান্তর করতে পারবে না ইরান। তবে নিরাপত্তা পরিষদের অনুমতি থাকলে সেটা ভিন্ন কথা। এছাড়া ইয়েমেনকে কেন্দ্র করে আরেকটি প্রস্তাবনায় হুতি নেতাদের অস্ত্র সরবরাহেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও ইরান থেকে পাচার করা যন্ত্রাংশ দিয়ে বিশাল অস্ত্রভাণ্ডার গড়ে তুলেছে হুতি বিদ্রোহীরা। আর ইয়েমেনের যুদ্ধকে আঞ্চলিক বৈরী সৌদি আরব ও ইরানের ছায়াযুদ্ধ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।