সুইজারল্যান্ড সফরে রাষ্ট্রীয় একটা টাকা ব্যয় করেননি ইমরান খান

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে অংশ নিতে সুইজারল্যান্ড সফরে গিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তবে এজন্য রাষ্ট্র কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে তিনি কোন খরচ নেননি। বরং দুজন ব্যবসায়ী বন্ধুর দেয়া টাকা দিয়েই তিনি এই সফরে গিয়েছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের ডাভোস শহরে আয়োজিত সম্মেলনে যোগ দেন ইমরান খান। সেখানে আগত অন্যান্য রাষ্ট্রপ্রধানদের চেয়ে অনেকটা সস্তাতেই ভ্রমণ করছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ডাভোস শহরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান নিজেই এই তথ্য জানিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে ইমরান খান বলেন, বিশ্বের অন্যান্য নেতাদের চেয়ে প্রায় দশগুণ টাকা কম খরচ করে তিনি সুইজারল্যান্ডে এসেছেন। পাকিস্তানে পূর্ববর্তী শাসকদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘গত নভেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে অংশ নেয়ার জন্য আমি আসিফ জারদারি থেকে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার কম খরচ করি।’

বিক্ষোভের মুখে বোরখা নিষেধাজ্ঞা ও ব্যবহারে জরিমানা তুলে নিল ভারতের পাটনা কলেজ

ভারতের বিহার রাজ্যের রাজধানী পাটনার জি ডি ওমেনস কলেজ চত্বরে ছাত্রীদের বোরখা পরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কলেজ কর্তৃপক্ষ। শনিবার নোটিশ বোর্ডে ওই নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়। কিন্তু ছাত্রীদের বিক্ষোভের মুখে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা তুলে নিতে বাধ্য হয় কলেজ প্রশাসন।

নিষেধাজ্ঞায় বলা হয়, কলেজ চত্বরে কেউ বোরখা পরে আসতে পারবে না। নিয়ম ভঙ্গ করলে কলেজ কর্তৃপক্ষকে ২৫০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। এতে স্বাক্ষর করেন কলেজটির প্রিন্সিপ্যাল ও প্রোক্টর ড. শ্যামা রায়।

বোরখা নিষিদ্ধের বিষয়কে সমর্থন জানিয়ে কলেজের সংস্কৃত বিভাগের প্রধান ড. অশোক কুমার যাদব বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ পোশাক পরিধানের জন্য যে নিয়ম তৈরি করেছে তা সবাইকে মেনে চলতে হবে। আর যদি না মানে তাহলে ২৫০ টাকা জরিমানা দিতে হবে।

তবে ছাত্রীদের বিক্ষোভের মুখে নোটিশ জারির কয়েক ঘণ্টা পরই তা তুলে নেয় কলেজ কর্তৃপক্ষ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, এ বিষয়ে কলেজ প্রিন্সিপ্যাল বলেন, ছাত্রীদের বোরখা পরিধানে আর কোনো বিধি-নিষেধ নেই। তবে তাদের ইচ্ছা হলে বোরখা খুলে ক্লাসে আসতে পারেন।

তিনি বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্য ছিল একটি নিয়মানুবর্তিতা আনা- যাতে করে সবাই এক রকম পোশাক পরিধান করে কলেজে আসে। কিন্তু সেটা আর সম্ভব হচ্ছে না।