অস্ট্রিয়ায় তিন মামলায় গ্রেফতার সমালোচিত ব্যাক্তি সেফুদা

সম্প্রতি সেফাত উল্লাহ অস্ট্রিয়ায় প্রবাসী এক বাংলাদেশী তার ফেসবুক লাইভে ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত হানার কারণে বেশ সমালোচিত হয়েছেন। তিনি নিজকে একজন অভিনেতা হিসেবে উপস্থাপন করে থাকেন।

ধর্ম অবমাননার দায়ে তাকে গ্রেফতার করেছে স্থানীয় পুলিশ। সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেফাত উল্লার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় তিনটি মামলা দায়ের করে অস্ট্রিয়ান পুলিশ।

অস্ট্রিয়ান এক আইনজীবী জানিয়েছে, যদি সেফাতুল্লাহ দোষী সাব্যস্ত হয় তাহলে দেশের আইন অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি হবে ৬ মাস থেকে ১ বৎসরের কারাদন্ড।

এছাড়া সেফাত উল্লাহর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মামলাসহ তিনটি মামলা হয়েছে অষ্ট্রিয়ায়। আগামীকাল আরেকটি মামলা আদালতে উত্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন।

তার মামলা গুলো অস্ট্রিয়া ক্রিমিনাল পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে অস্ট্রিয়ান ক্রাইম ইউনিট অপরাধের সত্যতা পেয়ে তার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার হুমকির জন্য পৃথক আরেকটি মামলা করেছেন।

পাশাপাশি তার সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করে দেওয়া হবে। আর যদি পাগল প্রমাণিত হয় তাহলে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।

সুত্র: ডেইলি ক্যাম্পাস

আরো পড়ুন: পটুয়াখালীতে স্ত্রী-সন্তান সহ এক পরিবারের ইসলাম গ্রহন!

তারা হলেন- সদর উপজেলার টাউন বহাল গাছিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. ফুয়াদ হাসান (২৭), পূর্বে তার নাম ছিল শ্যামল চন্দ্র শীল। তার স্ত্রী জান্নাত আরা, পূর্বে তার নাম ছিল রীতা রানী। তাদের শিশুসন্তান মোহাম্মদ গণি (২)।

পটুয়াখালীতে সনাতন ধর্মাবলম্বী একই পরিবারের তিন সদস্য ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। রোববার দুপুরে পটুয়াখালীর ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিনের আদালতে আনুষ্ঠানিকভাবে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে নাম ও ধর্ম পরিবর্তন করেন তারা।

পূর্বে তার নাম ছিল প্রিতম চন্দ্র শীল। স্থানীয় ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে টাউন বহাল গাছিয়া এলাকার বাসিন্দা শ্যামল চন্দ্র ও তার স্ত্রী রীতা রানী তাদের শিশুসন্তানকে নিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে স্থানীয় মসজিদে যান।

স্থানীয় গাজী বাড়ি বায়তুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মনোয়ার হোসাইনের মাধ্যমে কালেমা পাঠ করে মুসলিম হন তারা।
ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলমান হওয়া মো. ফুয়াদ হাসান বলেন,

বিভিন্ন সময় ওয়াজ ও মাহফিলে আল্লাহ ও তার রাসুলের কথা শুনে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হই। পরে সপরিবারে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে আগ্রহী হই আমরা। এতদিন ভুলপথে ছিলাম। এখন আল্লাহর পথে এসেছি।

ইসলাম শান্তির ধর্ম। তাই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলমান হয়ে দুনিয়া ও আখেরাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে চাই।

অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুটি তার পরিবারের সঙ্গে ইসলাম ধর্মের অনুসারী হলে তাতে কোনো সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন বিচারক। তারা সজ্ঞানে নিজেদের ইচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে নাম ও ধর্ম পরিবর্তন করেছেন তারা।

পটুয়াখালীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আইনজীবী মো. শওকাত হোসেন মৃধা বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বী একই পরিবারের তিন সদস্য ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। এদের মধ্যে দুইজনের আবেদন গ্রহণ করেছেন আদালত।

সুত্র: বার্তাবাহক