ইরানের পরমাণু চুক্তিকে পুনরায় সমর্থন চীনের, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ফোরাম গঠনের আহ্বান

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ওয়াং ই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে নতুন ফোরাম গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার চীনের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় তেংচং শহরে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ আহবান জানান। একইসঙ্গে তিনি ইরানের পরমাণু চুক্তির প্রতি বেইজিংয়ের সমর্থন পুর্নব্যক্ত করেন।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, চীন সকলের সমান অংশগ্রহণে একটি আঞ্চলিক বহুপাক্ষিক সংলাপ প্লাটফর্ম গঠনের প্রস্তাব করছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, এই ফোরাম সংলাপের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে পারষ্পরিক সমঝোতা বাড়াবে এবং নিরাপত্তা ইস্যুতে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করবে। এই ফোরামে প্রবেশের পূর্বশর্ত হিসেবে ওয়াং ইরানের পরমাণু চুক্তিকে সমর্থন করার কথা উল্লেখ করেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী জাভেদ জারিফ টুইট করে তাদের আলোচনাকে ফলপ্রসূ বলে মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উদ্যোগে ইরানের সাথে করা পরমাণু বিষয়ক আর্ন্তজাতিক চুক্তিটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাতিল করে দেন। একইসঙ্গে তিনি ইরানের ওপর অবরোধ জোরদার করেন।

এদিকে ইয়েমেন যুদ্ধ, ইরাকে ইরানের প্রভাব বৃদ্ধিসহ তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের অবরোধ আরোপে সউদি আরবের সমর্থনের কারণে রিয়াদের সাথে তেহরানের সম্পর্ক তিক্ত হয়ে আছে। বাসস

চীনের হস্তক্ষেপেই ফিরবে জম্মু কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা: ফারুক আবদুল্লা

চীন হস্তক্ষেপ করলেই অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর বিশেষ মর্যাদা ফিরে পাবে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা। রোববার সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদের বিলোপ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।

তার মতে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি)-য় ভারতের সঙ্গে চীনের সীমান্ত সঙ্ঘাতের একমাত্র কারণই হল জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদার বিলোপ। তার এই মন্তব্য নিয়ে ভারতের রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে ফারুক আবদুল্লা দাবি করেন, চীন কখনই সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদের বিলোপ মেনে নেয়নি। এর পর আরও এক ধাপ এগিয়ে তিনি বলেন, ‘এলএসি-তে চীন যা করছে তা সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের জন্যই। আমার আশা চীনের হস্তক্ষেপেই ওই বিশেষ মর্যাদা পুনর্বহাল হবে।’

তার মতে, ‘২০১৯ সালের ৫ আগস্ট জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপ করে যে পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা কখনই মেনে নেয়া যায় না।’ এই সূত্র ধরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করে তিনি বলেন, ‘আমি চীনা প্রেসিডেন্টকে কখনও আমন্ত্রণ জানাইনি। মোদি শুধু আমন্ত্রণই জানাননি, তাকে চেন্নাই নিয়ে গিয়েছিলেন এবং তার সঙ্গে খাওয়াদাওয়াও করেছেন।’

গত বছরের ৫ আগস্ট অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা এমনকি, পূর্ণ রাজ্যের স্বীকৃতি বাতিল করেছিল মোদি সরকার। এর পরেই ফারুক আবদুল্লা এবং তার ছেলে, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাকে জন নিরাপত্তা আইনে গৃহবন্দী করা হয়। প্রায় সাত মাস বন্দি থাকার পর গত মার্চে মুক্তি পান তিনি।

সূত্র: এবিপি

এমন দিনও আসবে যখন মুসলিমকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করা হবে: ওয়াইসি

ভারতের মজলিশ-ই-ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (মিম) প্রধান ব্যারিস্টার আসাদউদ্দিন ওয়াইসি বিহার বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে বলেছেন, ‘এমন দিনও আসবে যখন কোনও মুসলিমকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করা হবে।’ গতকাল (বৃহস্পতিবার) ওয়াইসি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওই মন্তব্য করেছেন।

ওয়াইসি বলেন, ‘এখন নেতৃত্ব তৈরি করা দরকার। আমাদের দলের নেতারা যখন জয়লাভ করবেন, তখন একটি প্ল্যাটফর্ম পাওয়া যাবে এবং সেখান থেকে যাত্রা শুরু হবে। আমরাও সেটাই করছি। আমরা তৃণমূলস্তরে নেতৃত্ব তৈরি করতে যাচ্ছি। আমরা বিহারে এটা প্রয়োগ করছি। আমরা সকলেই বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে কুশওয়াহা সাহেবই মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হবেন।’

বিহারে মুসলিম জনসংখ্যা ১৬.৮৭ শতাংশ। অন্যদিকে, যাদব সম্প্রদায়ের সংখ্যা ১৪ শতাংশের কাছাকাছি। মাত্র ৪ শতাংশ রয়েছেন কূর্মি সম্প্রদায়ের মানুষজন। আরজেডি নেতা লালুপ্রসাদ যাদব ও তাঁর পরিবার বিহারে ১৫ বছর ধরে শাসন ক্ষমতায় ছিলেন।

অন্যদিকে, জেডেইউ নেতা নীতিশ কুমার গত ১৫ বছর ধরে বিহারে ক্ষমতায় আছেন। তিনি কূর্মি সম্প্রদায়ের মানুষ। এই ১৪ শতাংশ ও ৪ শতাংশের মানুষজন বিহারের ক্ষমতায় ৩০ বছর ধরে থাকলেও রাজ্যে কমপক্ষে ১৭ শতাংশ মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ থাকা সত্ত্বেও মুসলিমদের মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী না করে ৬ শতাংশের কুশওয়াহ সম্প্রদায়ের আরএলএসপি নেতা উপেন্দ্র কুশওয়াহকে এবার বিরোধী জোটের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিহারে আনুষ্ঠানিকভাবে জোটের ঘোষণা করেছে উপেন্দ্র কুশওয়াহার দল আরএলএসপি, আসাদউদ্দিন ওয়াইসির ‘মিম’, মায়াবতীর বিএসপিসহ চার দল। জোটের নাম দেওয়া হয়েছে ‘গ্র্যান্ড ডেমোক্রেটিক সেক্যুলার ফ্রন্ট’। মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করা হয়েছে উপেন্দ্র কুশওয়াহকে।

ওয়াইসি বলেন, ‘বিহারে নীতীশ কুমার এবং বিজেপি’র ১৫ বছর এবং আরজেডি-কংগ্রেসের ১৫ বছর শাসন করার পরেও দরিদ্ররা উপকৃত হয়নি। রাজ্য এখনও সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং শিক্ষাক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। আমরা বিহারের ভবিষ্যতের জন্য এই জোট গঠন করেছি এবং আমরা সাফল্যের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব।’

বিহারে ২৪৩ আসনের আগামী ২৮ অক্টোবর, ৩ ও ৭ নভেম্বর তিন দফায় নির্বাচন হবে। ১০ নভেম্বর ফল ঘোষণা হবে।

সুত্র: পার্সটুডে

রোজা রেখে করোনা তহবিলের জন্য অর্থ জোগাড়; শতায়ু বাঙালিকে সম্মান ব্রিটেনের রানীর

রোজার উপবাস সত্ত্বেও করোনা তহবিলের জন্য অর্থ সংগ্রহ করে ‘অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার সম্মান পেলেন শতায়ু এক বাঙালি। বর্তমানে ব্রিটেনের নাগরিক প্রবাসী ওই বাংলাদেশির নাম দাবিরুল ইসলাম চৌধুরি।

রমজান মাস উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবছরও রোজা রেখেছিলেন ১০০ বছরের দাবিরুল। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের জেরে প্রায় ঘরবন্দি অবস্থাতে দিন কাটাচ্ছিলেন। ফলে এই বয়সে এসেও রোজার জন্য কোনও সমস্যা হয়নি তাঁর।

এর মাঝেই একদিন দেখেন বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেওয়া ইংল্যান্ডের সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন টম মুর করোনা যোদ্ধা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য সাড়ে তিন কোটি পাউন্ড অর্থ সংগ্রহ করেছেন। অসুস্থ শরীর নিয়ে নিজের বাগানে কয়েক কিলোমিটার হেঁটে ক্রাউড ফান্ডিংয়ের সাহায্যে ওই টাকা জোগাড় করে করোনা যোদ্ধাদের পাশে দাঁড়ানোর নজির গড়েছেন।

এই বিষয়টিই অনুপ্রাণিত করেছিল ব্রিটেনের রাজধানী পূর্ব লন্ডনের বো বাসিন্দা দাবিরুল ইসলামকে। সঙ্গে সঙ্গে তিনিও টম মুরের মতো নিজের বাগানে প্রতিদিন ৮০ মিটার করে হাঁটতে শুরু করেন। এভাবে পুরো রমজান মাসে রোজার উপবাস করার পরেও মোট ৯৭০টি চক্কর কেটে ৪ লক্ষ ২০ হাজার পাউন্ড সংগ্রহ করেন। যার মধ্যে ১৬ হাজার পাউন্ড ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্য সার্ভিসে () ও বাকি টাকা আরও ২৬টি সংস্থাকে দান করেছেন তিনি। করোনা তহবিল গঠনে দাবিরুলের এই অসামান্য অবদানের কথা মাথায় রেখেই নিজের জন্মদিনে শতায়ু ওই বাঙালিকে ব্রিটেনের অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার সম্মানে ভূষিত করলেন রানি এলিজাবেথ।

এপ্রসঙ্গে অনন্য কৃতিত্বের অধিকারী দাবিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা যখন ভাল কাজ করি তখন কোনও পুরস্কারের জন্য তা করি না। ভয়াবহ এই মহামারীর সময়ে ব্রিটেন ও বাংলাদেশ-সহ বিভিন্ন দেশের বিপর্যস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলাম। তবে এখন এই দুর্লভ সম্মান পেয়ে নিজেকে অত্যন্ত ভাগ্যবান মনে হচ্ছে। সবাইকে এর জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।’

টানা তিন সপ্তাহ আল আকসায় জুমা বন্ধ

টানা তিন সপ্তাহ ধরে ফিলিস্তিনের আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজ আদায় বন্ধ আছে। ইসরাইলের দখলদার বাহিনী পশ্চিম জেরুসালেম শহরের বাইরের লোকদের জন্য আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজ নিষিদ্ধ ঘোষণার পর থেকে বন্ধ আছে জুমার নামাজ। প্রাচীন শহর জেরুসালেম শহরের ফটকের সামনে দায়িত্বরত পুলিশ অফিসাররা বহিরাগতদের প্রবেশে বাধা দেয়।

তবে প্রাচীন শহর পশ্চিম জেরুসালেমের বাসিন্দাদের জন্য আল আকসায় নামাজ আদায় শিথিল আছে। শহরের বাইরের সবার জন্য আল আকসায় নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

করোনাভাইরাস রোধে বহিরাগতদের জন্য প্রাচীন শহরে প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। আগামী ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত শহরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। শহর থেকে এক কিলোমিটার দূরত্বে থাকা সবার ওপর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। আলজাজিরা

বিশ্বে সবচেয়ে সুখে রয়েছেন ভারতীয় মুসলিমরা: আরএসএস প্রধান

ভারতের অন্যতম ডানপন্থী ও উগ্র হিন্দু জাতীয়তাবাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত বলেছেন, বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে সুখে-শান্তিতে রয়েছেন ভারতীয় মুসলিমরা। তার দাবি, ভারতের মতো কোনো দেশে এতটা সুরক্ষিত নন মুসলিমরা।

মহারাষ্ট্রের হিন্দি ম্যাগাজিন বিবেককে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত।

আরএসএসপ্রধানের দাবি, ভারতের ওপর যখনই কোনো আঘাত হয়েছে তখন সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে রুখে দাঁড়িয়েছে। তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় ভেদাভেদ তারাই করে যাদের স্বার্থে আঘাত লাগে।

দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক অসহিষ্ণুতার মধ্যে ভাগবতের এই বক্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মোহন ভাগবত দাবি করেছেন, ভারতে মুসলিমদের অস্তিত্ব বিপন্ন নয়। বরং সারা বিশ্বের মধ্যে ভারতেই মুসলিমরা সবচেয়ে সুখে রয়েছেন।

এ বিষয়ে তার ভাষ্য, ‘মহারাজা প্রতাপ সিংয়ের সেনাবাহিনীতে অনেক মুসলিম ছিলেন। তারা মুঘলদের বিরুদ্ধে লড়েছেন। এটাই আমাদের ভারতবর্ষ। আমাদের দেশের নাম উচ্চারিত হলে সংহতির কথাই আসে সবার আগে। হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে ভেদাভেদ করে কিছু মানুষ, নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য।’

আরএসএসপ্রধান আরও বলেছেন, ‘দেশের সংবিধানে কোথাও লেখা নেই যে ভারতে মুসলিমদের জন্য কোনো জায়গা নেই। কোথাও বলা নেই যে, এদেশে থাকতে হলে হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ বলে মেনে নিতে হবে। যখনই দেশের সংস্কৃতির ওপর আক্রমণ হয়েছে তখন সর্বধর্মের মানুষ একসঙ্গে রুখে দাঁড়িয়েছে। তা সে হিন্দু হোক বা মুসলমান। এটাই আমাদের দেশ।’

এ সময় পাকিস্তানে সংখ্যালঘু হিন্দুদের একঘরে করে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন মোহন ভাগবত।

সাক্ষাৎকারে অযোধ্যার রামমন্দির প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন আরএসএস প্রধান। তিনি বলেছেন, ‘এই মন্দির পূজা-অর্চনার থেকেও দেশের মূল্যবোধ ও চারিত্রিক দৃঢ়তার প্রতীক। ভারতে মন্দিরগুলো ভাঙার অন্যতম কারণ হলো দেশের মানুষের মূল্যবোধকে নষ্ট করে দেয়া। ভগবান শ্রীরামের মন্দির ভেঙে দেয়ার ফলে হিন্দুরা অপমানিত হয়েছিল। আমরা সেটাকে পুনরায় স্থাপিত করতে চেয়েছি। তাই আজ ঐতিহাসিক মন্দির তৈরি হচ্ছে।’

তবে দেশে প্রতিটি মানুষের নিজের ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে। তার জন্য কাউকে জবাবদিহি করার কোনো প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন মোহন ভাগবত।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

‘ভারত সীমান্তে ৬০ হাজার সেনা মোতায়েন করছে চীন’

ভারতের উত্তরপ্রান্তে অবস্থিত লাদাখ সীমান্তে ৬০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে চীন। এমনই দাবি করলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। মঙ্গলবার কোয়াড গ্রুপের সদস্য ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টোকিওতে বৈঠক করে তিনি।

এশিয়া ও গোটা বিশ্বে শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে কোয়াডভুক্ত দেশগুলি কী ভূমিকা হবে সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সেখানে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকরের সঙ্গে চীনের বিষয়ে কথা বলার পরেই লাদাখ সীমান্তে বেজিংয়ের আগ্রাসী মনোভাবের কড়া সমালোচনা করেন মাইক পম্পেও।

বৃহস্পতিবার এশিয়া সফর শেষে নিজের দেশে ফিরে লালফৌজের তৎপরতা কোয়াড গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির পক্ষে চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে বলেও উল্লেখ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘উত্তর ভারতের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ৬০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে চীন। ভারতীয় সেনা জওয়ানরা তা দেখেছেন। দক্ষিণ চীন সাগর ও এশিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় লালফৌজের সামরিক আগ্রাসনের ফলে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে কোয়াড গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলোতে। বেইজিং এমনই পরিস্থিতি তৈরি করেছে যে এই বিষয়ে আলোচনার কোনো সময়ই নেই এখন।’

এরপরই টোকিওতে জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হওয়া বৈঠকের বিষয়ে আলোকপাত করেন মাইক পম্পেও।

বলেন, ‘চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আচরণে কোয়াড় গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি বিরক্ত। তাদের আগ্রাসী আচরণে অন্যদের অস্বস্তি দীর্ঘদিনের। এতদিন এই বিষয়ে তারা কোনো উচ্চবাচ্য না করার চীনের বাড়বাড়ন্ত হচ্ছিল।

এখন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আচরণের যোগ্য জবাব দিতে কোয়াডভুক্ত দেশগুলো একমত হয়েছে। আর তাদের এই লড়াইয়ে আমেরিকাও পাশে রয়েছে বলে ওই দেশগুলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমি আশ্বস্ত করেছি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্ব আমরা চীনের বাজে আচরণের যোগ্য জবাব দেব।’ সংবাদ প্রতিদিন

কারাবাখ নিয়ে আজারবাইজানের অবস্থানকে পূর্ণ সমর্থন পাকিস্তানের

বিরোধীয় অঞ্চল নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আজারবাইজানের অবস্থানকে সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। দেশটির আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আএসপিআর) এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে। শনিবার এ খবর জানিয়েছে তুর্কি সংবাদ মাধ্যম ইয়েনি শাফাক।

পাকিস্তানে নিযুক্ত আজারবাইজানের রাষ্ট্রদূত আলি আলিজাদা রাওয়ালপিন্ডিতে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

এ সময় সেনাপ্রধান দুই দেশের মধ্যে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক কথা পুর্নব্যক্ত করে দৃঢ় ভিত্তি গঠনের ওপর জোর দেন।

আইএসপিআরে বিবৃতিতে বলা হয়, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান (সিজেসিএসসি) বলেন, নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আজারবাইজানের অবস্থানকে সম্পূর্ণ সমর্থন করছে, যা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সর্বসম্মতিকৃত প্রস্তাবে গৃহীত হয়েছে।

নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চলটি নিয়ে গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। এজন্য দুদেশ পরস্পরকে দায়ী করেছে।

আন্তর্জাতিকভাবে অঞ্চলটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত, কিন্তু ১৯৯০’র দশক থেকে নৃতাত্ত্বিক আর্মেনীয়রা নিয়ন্ত্রণ করছে।

নতুন করে জড়িয়ে পড়া লড়াইয়ে দুই প্রতিবশীর সংঘর্ষে সেনা সদস্যসহ এ পর্যন্ত তিন শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

আজারবাইজানের দখলীকৃত ভূখণ্ড ছেড়ে দিতে আর্মেনিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দেশ দুটির প্রতিবেশী ইরানও। একইসঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে বলেছে।

এদিকে মস্কোতে শুক্রবার বিকাল ৩টা থেকে টানা ১০ ঘণ্টা ওই শান্তি আলোচনা চলে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে। রাশিয়ার মধ্যাস্থতায় বৈঠকে দুই দেশ সময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

বন্দিবিনিময় ও লাশ হস্তান্তরসহ এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য শনিবার আবারও আলোচনায় বসার কথা রয়েছে।

কারো অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর অধিকার ভারতের নেই: লঙ্কান মন্ত্রী

শ্রীলঙ্কার এক মন্ত্রী বৃহস্পতিবার ভারতের তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন যে কোন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর অধিকার ভারতের নেই। তামিল সংখ্যালঘুদের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগি করতে কলম্বোর প্রতি ভারত আহ্বান জানানোর প্রেক্ষাপটে মন্ত্রী এই প্রতিক্রিয়া জানান।

তিনি বলেন, ১৯৮৭ সালের চুক্তি অনুযায়ী শ্রীলঙ্কায় গৃহযুদ্ধ বন্ধ করতে বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহীদের নিরস্ত্র করা হবে বলে ভারত যে অঙ্গীকার করেছিলো সেটা সে নিজেই ভঙ্গ করেছে।

গত মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী তার লঙ্কান প্রতিপক্ষ মাহিন্দা রাজাপাকসার প্রতি তামিল সংখ্যালঘু অঞ্চলের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগি-সংশ্লিষ্ট সংবিধানের ধারাগুলো পূর্ণ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

মূলত এরই প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার পার্লামেন্টে প্রাদেশিক কাউন্সিল বিষয়ক মন্ত্রী সরথ বিরাসেকারা বলেন, রাজাপাকসা গত বছর ভারতের জম্মু-কাশ্মীর অঞ্চলের রাষ্ট্র মর্যাদা বাতিল নিয়ে চুপ ছিলেন।

কারণ সেটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। অথচ মোদি তামিলদের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগি করতে বলছেন কারণ শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আগের চুক্তিতে ভারত পক্ষ ছিলো।

বিরাসেকারা বলেন, ভারত-লঙ্কা চুক্তি নিয়ে আমার আপত্তি আছে। চুক্তি অনুযায়ী ভারত কি তার দায়িত্ব পালন করেছে? যুদ্ধ বন্ধ ও বাস্তচ্যুত লোকজনের পুনর্বাসনের জন্য বিদ্রোহীদের নিরস্ত্রীকরণ করতে ভারত অঙ্গীকার করেও তা ভঙ্গ করেছে।

আর সে কারণেই এই চুক্তির বৈধতা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ রয়ে গেছে। সেটা যদি বৈধ না হয় তাহলে আমিও মনে করি যে আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর কোন নৈতিক অধিকার ভারতের নেই। এপি

আজারবাইজানের সাথে যুদ্ধে হারায় বরখাস্ত আর্মেনিয়ার নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান

আজারবাইজানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে চলমান যুদ্ধে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে চলে যাওয়ায় অবশেষে বরখাস্ত হলেন আর্মেনিয়ার নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দেশটির গোয়েন্দা প্রধান আর্গিস্তি কিয়ারামিয়ানকে তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

রুশ বার্তা সংস্থা ইন্টার ফ্যাক্স জানিয়েছে, আর্মেনিয়ার প্রেসিডেন্ট আর্মেন সার্কিসিয়ান তার ক্ষমতা বলে একটি ডিক্রির মাধ্যমে কিয়ারামিয়ানকে তার পদ হতে অব্যাহতি দেন। এর আগে কিয়ারামিয়ানকে গত জুন মাসে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তুর্কি সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ বলছে, আর্মেনীয় প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানের পরামর্শ অনুযায়ী কিয়ারামিয়ানকে এবার তার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। যদিও সেই ডিক্রিতে তাকে আচমকা ছাঁটাইয়ের কোনো কারণ জানানো হয়নি।

কিয়ারামিয়ানকে এমন এক সময়ে পদচ্যুত করা হলো যখন আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনী আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে বিপর্যস্ত। গত ২৭ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া এ সংঘাতে এখন পর্যন্ত আর্মেনিয়ার তিন শতাধিক সেনা প্রা’ণ হারিয়েছেন।

তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি বলছে, যুদ্ধে আজারবাইজানের সেনাবাহিনীর হাতে ভয়াবহভাবে কোণঠাসা হওয়ার প্রেক্ষাপটে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আর্মেন।

ভারতের জন্য নতুন মাথাব্যাথা: অরুনাচল প্রদেশের আশেপাশে ছদ্মবেশে রেকি করছে চীন

ভারতের অরুনাচল প্রদেশের কাছে লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলের (এলএসি) আশেপাশে চীনা নাগরিকদের আনাগোনা বেড়েছে। গিরিপথগুলোর উপর তারা নজর রাখছে। জানা গেছে সামরিক উর্দি গায়ে দিয়ে বেসামরিক লোকজন ওই এলাকায় ঘোরাফিরা করছে।

লাদাখে এ ধরনের আনাগোনা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ভারতের পূর্ব সেক্টরেও তা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে দেমচুক এলাকার দিকে।

একটি সূত্র জানায়, মানিগং সাব-সেক্টরের উল্টাদিকে, সিয়েউম সেক্টর ও অরুনাচলের পশ্চিমাঞ্চলে এলএসির আশেপাশে গিরিপথগুলোর উপর নজরদারির তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সেখানে বেসামরিক লোকজনের তৎপরতা বেড়েছে।

অরুনাচল প্রদেশকে ভারতের অংশ বলে চীন স্বীকার করে না। বরং একে তার দক্ষিণ তিব্বতের অংশ বলে মনে করে।

কিভাবে এসব চীনা নাগরিক আনাগোনা করছে এমন প্রশ্নের জবাবে সূত্রটি জানায় যে তাদেকে সেনাদের উর্দি পরতে বলা হয়েছে।

চীনের সীমান্ত ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বর্ডার ডিফেন্স রেজিমেন্টের উপর ন্যস্ত। তাদেরকে পেছন থেকে সহায়তা করে পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)।এ ধরনের টিম লাদাখ অঞ্চলেও পাঠিয়েছে পিএলএ।

সূত্র: নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

আর্মেনিয়ার সেনা হেডকোয়ার্টার গুঁড়িয়ে দিল আজারবাইজান!

নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে মুসলিম রাষ্ট্র আজারবাইজানের সঙ্গে খ্রিস্টান অধ্যুষিত দেশ আর্মেনিয়ার চলমান যুদ্ধ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গুলি ও বোমায় বিধ্বস্ত নাগোরনো-কারাবাখে বসবাসরত সাধারণ আর্মেনীয়রা এবার বাড়ি ছেড়ে পালাতে শুরু করেছেন। এবার আর্মেনিয়ার সেনা হেডকোয়ার্টারে হামলার খবর প্রকাশ করেছে আজারবাইজান।

৮ অক্টোবর আজেরি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের ওয়েবসাইটে একটি ভিডিয়ো আপলোড করে আর্মেনিয়ার সেনা হেডকোয়ার্টারে হামলার কথা প্রকাশ করে। তারা দাবি করে, এসময় আর্মেনিয় সেনাদের সংখ্য গোলা’বারুদ, অস্ত্রশস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম হয়।

আর্মেনিয় দখলদারিত্বের অবসান না হলে যুদ্ধবিরতি ব্যর্থ হবে: তুরস্ক

তুরস্ক বলেছে, নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চল থেকে যদি আর্মেনিয়া সেনা প্রত্যাহার না করে তাহলে যে যুদ্ধবিরতি এবং শান্তির প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে তা ব্যর্থ হতে বাধ্য।

গতকাল (শুক্রবার) তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগানের মুখপাত্র ইব্রাহিম কালিন এ মন্তব্য করেন। এর আগে রাশিয়া ঘোষণা করে যে, যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য আর্মেনিয়ায় এবং আজারবাইজান সোমবার মস্কোয় বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছে। চলমান সংঘাত বন্ধের লক্ষ্য নিয়ে আমের্নিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে ফ্রান্স, রাশিয়া এবং আমেরিকা।

এ প্রসঙ্গে ইব্রাহিম কালিন বলেন, যদি শুধুমাত্র তারা শান্তি এবং যুদ্ধ বিরতির প্রচেষ্টা চালায় এবং সেই লক্ষ্যে কাজ করে তাহলে গত ৩০ বছর ধরে যা ঘটে চলেছে তারই পুনরাবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই হবে না। তিনি বলেন, আর্মেনিয় দখলদারিত্বের অবসান ঘটানোর ব্যাপারে যদি বিস্তারিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ না করা হয় তাহলে এই শান্তি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে -এটি প্রায় অবধারিত।

অর্গানাইজেশন ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড অপারেশন ইন ইউরোপ-এর সহযোগিতায় আমেরিকা, ফ্রান্স এবং রাশিয়া গত ৩০ বছর ধরে নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যকার দ্বন্দ্ব মীমাংসার চেষ্টা করে আসছে কিন্তু তাদের সে প্রচেষ্টা সফল হয় নি। তুরস্ক বলছে, গত ৩০ বছর ধরে এই গ্রুপ যে প্রচেষ্টা চালিয়েছে প্রকৃতপক্ষে তা কোনো কার্যকরী কিছুই ছিল না। পার্সটুডে

আর্মির মেজর হলেন লঙ্কান ক্রিকেটার থিসারা-চান্দিমাল

চিরচেনা শ্রীলঙ্কার জার্সিতে নয়, এবার সামরিক বাহিনীর পোশাকে দেখা মিললো লঙ্কান ক্রিকেটার থিসারা পেরেরা এবং দীনেশ চান্দিমালের। মেজর হিসেবে শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন দেশটির এই দুই ক্রিকেটার। সামরিক দিবসের (১০ অক্টোবর) আগে এই সম্মানে ভূষিত হন লঙ্কান দুই অভিজ্ঞ খেলোয়াড়।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে শ্রীলঙ্কার আর্মি কমান্ডারের অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে থিসারা এবং চান্দিমালকে মেজর হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লেফটেনেন্ট জেনারেল শাভেন্দ্রা সিলভা।

এ অনুষ্ঠানে থিসারা ও চান্দিমালের কাঁধে মেজরের ব্যাজ পড়িয়ে দেন সিলভা। মূলত গাজাবা রেজিমেন্টের জন্য মেজর হিসেবে মনোনীত হন থিসারা পেরেরা। ওই অঞ্চলে ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য এই সম্মান দেয়া হয়েছে তাকে।

অন্যদিকে লঙ্কার হয়ে প্রথম দিবা-রাত্রির টেস্টে নেতৃত্ব দেয়া চান্দিমালকে নিযুক্ত করা হয়েছে শ্রীলঙ্কা আর্মি অর্ডন্যান্স কর্পস (এসএলএওসি) রেজিমেন্টে।

শ্রীলঙ্কার হয়ে ৬টি টেস্ট, ১৬৪টি ওয়ানডে এবং ৮১ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন অলরাউন্ডার থিসারা পেরেরা। আর উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান চান্দিমাল খেলেছেন ৫৭টি টেস্ট, ১৪৬টি ওয়ানডে এবং ৫৪ টি-টোয়েন্টি।