আতঙ্কিত হয়ে ভুলক্রমে নিজেদের ড্রোন ধ্বংস করল ইসরাইল

দখলদার ইসরাইলের সেনাবাহিনী ভুলক্রমে নিজেদের একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। আজ (শনিবার) ইসরাইলি দৈনিক হারেৎস এ খবর দিয়ে লিখেছে, ইসরাইলি বাহিনী ড্রোনটিকে দেখে ভেবেছিল তা লেবানন থেকে তাদের আকাশসীমায় ঢুকেছে। ড্রোনটিকে যে তারা নিজেরাই উড়িয়েছিল তা তারা ভুলেই গিয়েছিল।

ড্রোন ভূপাতিত করার পর ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র গর্বভরে এ খবর টুইটারেও প্রচার করেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ইসরাইলি গণমাধ্যম বিভিন্ন সূত্রে নিশ্চিত হয়েছে যে, ভূপাতিত ড্রোনটি ইসরাইলের নিজের। লেবাননের কোনো ড্রোন ধ্বংসের ঘটনা ঘটেনি।

লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর প্রতিশোধমূলক হামলার আতঙ্কে ইসরাইলি বাহিনী এ ধরণের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগেও ইসরাইল দাবি করেছিল, লেবাননের হিজবুল্লাহর যোদ্ধারা ইসরাইলি ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল এবং তাদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে। কিন্তু হিজবুল্লাহ তৎক্ষণাৎ ইসরাইলি দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, তারা এ ধরণের কোনো চেষ্টা চালায় নি।

সম্প্রতি সিরিয়ায় ইসরাইলি হামলায় হিজবুল্লাহর এক সেনা শহীদ হওয়ার পর থেকেই মারাত্মক আতঙ্কে রয়েছে দখলদার সেনারা। সূত্র: পার্সটুডে

সন্তানকে দুধপান করাতে যাওয়ার সময় ইসরাইলি সেনার গুলিতে নিহত মা!

সন্তানকে স্তন্যপান করাতে যাওয়ার সময় ইসরায়েলি সেনার গুলিতে নিহত মা!
কয়েকদিন আগে সন্তানের মা হয়েছেন তিনি। নবজাতক সেই সন্তানকে স্তন্যপান করাবেন বলে রান্নাঘরে যাচ্ছিলেন মা। হঠাৎ উড়ে আসা গুলি লাগে বুকে। শুক্রবার (০৭ আগস্ট) ওয়েস্ট ব্যাংক এলাকায় ইসরায়েলি সেনাদের অভিযানের সময় এভাবে প্রাণ হারান ২৩ বছর বয়সী এক নারী।

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ডালিয়া সামহৌদি নামে ওই নারী তিন সন্তানের মা। গুলি লাগার পর তাকে আইসিইউতে নেয়া হলেও বাঁচানো যায়নি।

সামহৌদিকে হাসপাতালে নেয়ার জন্য যে অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয় ইসরায়েলি সেনারা তাতেও গুলি চালায়! শুক্রবারের এই অভিযানে ফিলিস্তিনের সাবেক বন্দি খালেদ সুলেমান আবু হাসানের বাড়িতে হানা দেয় ইসরায়েলের সেনারা।

হাসানের বাড়ির সামনে সেনাদের সঙ্গে স্থানীয় ‍যুবকেরা বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। তাদের ওপরও গুলি চালায় সেনারা। ইসরায়েলি সেনারা এএফপির কাছে দাবি করেছে, সামহৌদির শরীরে গুলি লাগার বিষয়ে তাদের কোনো ধারণা নেই। শুক্রবারে তারা নিয়মিত অভিযানে ছিলেন।

ওয়েস্ট ব্যাংক বা পশ্চিম তীর (৫,৯৭০ বর্গ কিলোমিটার) এবং গাজা ভূখণ্ড (৩৬৫ বর্গ কিলোমিটার) হচ্ছে দুটি প্রধান ফিলিস্তিনি অধ্যুষিত এলাকা। এই দুই ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের সবচেয়ে নিকটবর্তী দুটি এলাকার মধ্যে দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার।

ওয়েস্ট ব্যাংক বা পশ্চিম তীরকে এই নামে ডাকা হয় কারণ এটি জর্ডান নদী এবং ডেড সির পশ্চিম তীরে। জেরুজালেম পর্যন্ত এর বিস্তার। যে নগরীকে ফিলিস্তিন এবং ইসরায়েল- উভয়েই তাদের রাজধানী বলে দাবি করে। পশ্চিম তীর নিয়ন্ত্রণ করে ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষ।

‘জয় শ্রী রাম’ ও ‘মোদি জিন্দাবাদ’ ধ্বনি না দেওয়ায় মুসলিম অটোচালককে বেধড়ক মারধর

রাজস্থানে ‘জয় শ্রী রাম’ ও ‘মোদি জিন্দাবাদ’ ধ্বনি না দেওয়ায় এক মুসলিম অটো চালককে বেধড়ক মারধর করল দুর্বৃত্তরা। গফফার আহমেদ কাছওয়া (৫২) নামে ওই অটোচালকের কাছে থেকে নগদ ৭০০ টাকা ও হাত ঘড়িও ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

আজ শনিবার গণমাধ্যমে প্রকাশ, গতকাল শুক্রবার রাজস্থানের সিকার জেলার ওই ঘটনায় নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত শম্ভুদয়াল জাট(৩৫) এবং রাজেন্দ্র জাট (৩০) নামে দু’জনকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ও আহত অটো চালক গফফার আহমেদ কাছওয়া বলেন, মারধরের ফলে তার দাঁত ভেঙে গেছে এবং মুখ ও চোখে আঘাত লেগেছে। তাকে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।

সিকার সদর থানার পুলিশ আধিকারিক পুষ্পেন্দ্র সিং বলেন, এফআইআরের ভিত্তিতে আমরা দু’জনকে গ্রেফতার করেছি। ধৃতরা হল শম্ভুদয়াল জাট(৩৫) এবং রাজেন্দ্র জাট (৩০)। প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে, ওই দুই ব্যক্তি গাড়ি দাঁড় করিয়ে মদ পান করছিল। এরপরেই গফফার আহমেদ কাছওয়াকে আটকে তাকে মারধর করা হয়।

অভিযোগপত্রে ক্ষতিগ্রস্ত অটো চালক গফফার আহমেদ জানান, এক ব্যক্তি তাকে ‘মোদি জিন্দাবাদ’ ধ্বনি দিতে বলতে বলেন। তিনি তা অস্বীকার করলে তাকে সজোরে চড় মারা হয়। এরপরেই তিনি গাড়ি নিয়ে সিকারের দিকে পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা গাড়ি অনুসরণ করে জগমালপুরার কাছে তাকে আটকায়।

তিনি বলেন, এসময় জোর করে আমাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এবং তারা আমাকে ‘মোদি জিন্দাবাদ’ ও ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দিতে বলে। মারধরের পাশাপাশি তাকে পাকিস্তানে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হয়।

সূত্র: পুবের কলম

পুরো দক্ষিণ এশিয়াতেই চাপের মধ্যে ভারত

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের অবস্থান কিছুটা টানাপড়েনের মধ্যে পড়ে গেছে। নয়াদিল্লী শুধু তাদের পুরনো প্রতিপক্ষ পাকিস্তানের সাথেই সমস্যার মধ্যে নেই, বরং নেপাল, বাংলাদেশ এবং সম্ভবত শ্রীলংকার সাথেও সমস্যার মধ্যে পড়েছে।

অন্যদিকে তিব্বত সীমান্তে চীনের দিক থেকে চাপ তো রয়েছেই। বর্তমানে এ অঞ্চলে মালদ্বীপ সম্ভবত একটি মাত্র দেশ যেখানে কিছুটা স্বচ্ছন্দ্যে আছে ভারত।

চলতি বছরের মে মাসে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি ভারতকে অবাক করে দিয়ে নেপালের নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেন, যেখানে বিতর্কিত অঞ্চলকে নেপালের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নতুন মানচিত্রে কালাপানি, লিম্পিয়াধুরা এবং লিপুলেখ এলাকাকে নেপালের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মিডিয়ার সাথে আলাপকালে নেপালের ভূমি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী পদ্মা কুমারী আরিয়াল বলেছেন যে, মানচিত্র তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে। তিনি আরও জানান যে, কালাপানির কাছের গুনজি, নাভি ও কুটি এলাকাগুলোকেও নেপালের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেগুলো আগের মানচিত্রে ছিলে না।

ভারত-নেপাল মানচিত্র প্রকাশের পর, পাকিস্তান এখন তাদের নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে। ভারত কর্তৃক জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের এক বছর পূর্ণ হওয়ার প্রাক্কালে পাকিস্তান নতুন মানচিত্র প্রকাশ করে।

এতে জম্মু ও কাশ্মীরের পুরোটা এবং গুজরাটের একাংশকে পাকিস্তানের অংশ দেখানো হয়েছে। এটাকে ঐতিহাসিক উপলক্ষ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন, “এই রাজনৈতিক মানচিত্রে আমাদের জাতির আকাঙক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে এবং কাশ্মীর বিবাদ নিয়ে আমাদের নীতিগত অবস্থানটি এখানে ফুটে উঠেছে”।

ভারত এই পদক্ষেপে বিরক্ত হয়েছে এবং নয়াদিল্লী এটাকে ‘হাস্যকর পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে, যেটার কোন ‘আইনি ভিত্তি বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি’ নেই। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এটাকে ‘অযৌক্তিক রাজনীতির চর্চা’

হিসেবে উল্লেখ করেছে এবং ক্রস-বর্ডার সন্ত্রাসবাদের মাধ্যমে আঞ্চলিক শক্তি অর্জনের যে নেশা রয়েছে পাকিস্তানের, সেটাই এখানে আবার প্রমাণিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে। বিরোধী কংগ্রেস দলের পার্লামেন্ট সদস্য মনীষ তিওয়ারি এক টুইটে বলেছেন যে, এটা আসলে একটা ‘চীনের ভূরাজনৈতিক বিবৃতি’।

তিনি আরও বলেন, “নেপালের নতুন মানচিত্র প্রকাশের পরপরই পাকিস্তানের এই পদক্ষেপ দেখে মনে হচ্ছে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে ভারতের দূরত্বের সুযোগ নিচ্ছে চীন। অন্য দুই প্রতিবেশীদের কেউ যদি এ পথে হাঁটে তাহলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না”।

আরও পড়ুনঃ চীনের মোকাবেলায় ভারত কি তাইওয়ান আর তিব্বত কার্ড খেলবে? বাংলাদেশের সাথেও সমস্যার মধ্যে রয়েছে ভারত। মোদির প্রথম মেয়াদে বাংলাদেশের সাথে সম্পর্কটা ভালোভাবেই পার করেছে ভারত, কিন্তু সেই অবস্থাটা এখন আর নেই।

ভারতের সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট (সিএএ) – যেখানে মুসলিমদেরকে, বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসী মুসলিমদেরকে টার্গেট করা হয়েছে, সেটা দুই দেশের সম্পর্কে টানাপড়েন তৈরি করেছে। বাংলাদেশ সিএএ-কে কিভাবে দেখে সেটা স্পষ্ট করেছে শেখ হাসিনার সরকার।

তাছাড়া ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশী অভিবাসীদের ‘উঁইপোকা’ আখ্যা দেয়ায় সেটা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশে। ঢাকার অসন্তোষের বহিপ্রকাশ হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন শেষ মুহূর্তে তার ঢাকা সফর বাতিল করেন।

সিএএ বাংলাদেশকে একটা কঠিন পরিস্থিতিতে ঠেলে দিয়েছে, যে দেশটি ভারতের এবং মোদি সরকারের বন্ধু ছিল। সম্ভাব্য পাল্টা অভিবাসন নিয়েও উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ।

দক্ষিণ এশিয়ার আরেক দেশ শ্রীলংকায় রাজাপাকসারা ক্ষমতায় ফিরে আসায় সেটাও নয়াদিল্লিতে উদ্বেগের কারণ সৃষ্টি করতে পারে। রাজাপাকসাদের চীনের ঘনিষ্ঠ মনে করা হয়, আর এমন রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে যে, চীন চায় যাতে শ্রীলংকা ভারত ও জাপানের মতো তাদের অন্যান্য মিত্র থেকে দূরে থাকে।

ভারতে নিযুক্ত শ্রীলংকার সাবেক হাই কমিশনার অস্টিন ফার্নান্দো সাম্প্রতিক এক নিবন্ধে বলেছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতির জন্য শ্রীলংকার ব্যাপারে ভারতের অতি সতর্ক কৌশল অনেকটা দায়ি। লংকান সরকার সম্প্রতি জাপানি অর্থায়নের হালকা রেল প্রকল্প স্থগিত করেছে। এতে বোঝা গেছে যে, সবকিছু সেখানে ঠিক মতো চলছে না।

অধিকাংশ প্রতিবেশীদের সাথে সম্পর্কে কমবেশি টানাপড়েনের মধ্যে শুধুমাত্র মালদ্বীপেই ভারত তাদের অবস্থান ঠিক রাখতে পেরেছে এবং চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব সেখানে তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে।

ভারতীয় মিডিয়ার রিপোর্ট অনুসারে ভারত মালদ্বীপের জন্য আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণার পরিকল্পনা নিতে যাচ্ছে, যেটা মালেকে কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলায় সাহায্য করবে।

নয়াদিল্লী অন্যান্য প্রতিবেশীদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য শক্ত চেষ্টা করবে, কিন্তু অন্তত এখনকার মতো শুধু মালদ্বীপের সাথে সম্পর্ক নিয়েই তাকে সন্তুষ্ট থাকতে হবে।

সূত্র: দ্য ডিপ্লোম্যাট

অবশেষে ৪শ’ তালেবান বন্দিকে মুক্তি দিচ্ছে আফগান সরকার

অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যকার শান্তিচুক্তি অনুযায়ী ৪শ’ তালেবান বন্দিকে মুক্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিল আফগান পরিষদ। তাদেরকে মুক্তি দেয়া হবে কিনা এ বিষয়ে শুক্রবার দেশটির প্রবীণ নেতা, রাজনীতিবিদসহ অনেকে রাজধানী কাবুলে আলোচনায় বসেন।

কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার কড়া নিরাপত্তায় তিন হাজারের বেশি নানা পেশা-শ্রেণীর মানুষ রাজধানী কাবুলের লোয়ায় আলোচনায় বসেন। সেখান থেকেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসে।

আফগানিস্তানে দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধে এই শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে আসছে আফগানবাসী। একই সঙ্গে দেশটি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নেবে ওয়াশিংটন, যা চুক্তিতে উল্লেখ ছিল।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্র এবং আফগান সরকারের যৌথ ঘোষণায় বলা হয়, ”যুক্তরাষ্ট্র-তালেবানের চুক্তি অনুযায়ী তালেবান যদি তাদের দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে, তাহলে আগামী ১৪ মাসের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে অবশিষ্ট সকল সৈন্য প্রত্যাহার করে নেবে যৌথবাহিনী।” তবে আফগানিস্তান থেকে ইতিমধ্যে বেশ কিছু সেনা প্রত্যাহারও করেছে পেন্টাগন।

গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র এবং সশস্ত্র তালেবান প্রতিনিধিদের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয়। চুক্তিমতে পর্যাক্রমে ৫ হাজার তালেবান সদস্যকে মুক্তি দেয়ার কথা রয়েছে।

আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি জানিয়েছেন, শান্তিচুক্তি অনুযায়ী এই ৪’শ বন্দী ছাড়া সবাইকেই মুক্তি দেয়া হয়েছে। তাদের অপরাধ গুরুতর হওয়ায় এখন ছাড়া হয়নি বলে জানান ঘানি। বন্দীরা হত্যা, অপহরণসহ নানা অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত।