আমেরিকার হুমকি মোকাবেলায় ইরানের প্রস্তুতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে: প্রতিরক্ষামন্ত্রী

ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির হাতামি ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির হাতামি ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির হাতামি বলেছেন, শত্রুর যেকোনো হুমকি মোকাবেলায় তার দেশের সামরিক প্রস্তুতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।

গতকাল (বুধবার) তিনি আরো বলেন, মার্কিন একতরফা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান সর্বোচ্চ পর্যায়ের সামরিক প্রস্তুতি নিতে নক্ষম হয়েছে; এর মাধ্যমে একথা পরিষ্কার হয় যে, শত্রুর নিষেধাজ্ঞা ইরানের সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে কোনো রকমের বাধা সৃষ্টি করতে পারে নি। এমনকি এখন আমেরিকা ও তার আঞ্চলিক পুতুল সরকারগুলো ইরানের সামরিক শক্তিকে স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে।

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র জেনারেল হাতামি শত্রুদের নানা ব্যর্থ ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করে বলেন, বিশেষ করে ইরাক ও সিরিয়ায় উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসীদের পরাজয়ের পর আমেরিকা ও তার আঞ্চিলিক মিত্রদের ভাব-মর্যাদা মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

এ অবস্থায় আমেরিকা এখন ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু করেছে। কিন্তু ইরানের জনগণ আমেরিকা ও ইহুদিবাদী ফ্রন্টের এই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দেবে।

পার্সটুডে/এসআইবি/১৬

সৌদি ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল’

পারস্য উপকূলে সৌদি আরবের তেল ট্যাংকারে ইসরাইল হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের পার্লামেন্টারি মুখপাত্র বাহরুজ নেমাতি।মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। বাহরুজ নেমাতি বলেন, আমিরাত উপকূলে সৌদি জাহাজে যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তার মূলে রয়েছে ইসরাইল।

সোমবার সৌদি আরব বলেছে, আরব আমিরাতের উপকূলে যে জাহাজে হামলা হয়েছে, তার মধ্যে দুটি তাদের। ইরানের সঙ্গে মার্কিন উত্তেজনার মধ্যে অপরিশোধিত তেল সরবরাহের নিরাপত্তাকে খর্ব করার চেষ্টার অংশ হিসেবেই এ হামলা চালানো হয়েছে।

এর আগে আরব আমিরাতের জলসীমার কাছে চারটি বাণিজ্যিক জাহাজ নাশকতামূলক হামলা হয়েছে। যার দুটির স্বত্বাধিকারী সৌদি আরব। আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ইরান থেকে একশ ১৫ কিলোমিটার দূরে ফুজাইরার কাছে এই চারটি জাহাজে নাশকতা চালানো হয়েছে।

এসব বাণিজ্যিক জাহাজে বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা ছিলেন। আরব আমিরাত আন্তর্জাতিক ও স্থানীয়দের সঙ্গে ঘটনার তদন্ত করছে। আরব আমিরাত জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজকে নাশকতার লক্ষ্যবস্তু বানানো এবং ক্রু সদস্যদের জীবন হুমকিতে পড়ার এই ঘটনা ভয়ঙ্কর।

এক্ষেত্রে এ ঘটনাকে সামুদ্রিক জলসীমায় নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য বড় হুমকি হিসেবে বিবেচনা করবে আরব আমিরাত। এদিকে ইরান এ হামলার নিন্দা জানানোর পাশাপাশি তদন্তের দাবি করেছে।