কাশ্মীরিদের অধিকার রক্ষার দাবিতে ইরানে বিক্ষোভ

কাশ্মীর সংকটের বিষয়ে পাশ্চাত্য এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর নীরবতার কঠোর সমালোচনা করেছেন ইরানের ছাত্রছাত্রীরা। তারা বলেছেন, পাশ্চাত্যের দেশগুলো এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা-

মানবাধিকার রক্ষার বিষয়ে বড় বড় বুলি আওড়ালেও কাশ্মীরে হত্যা-নির্যাতনের বিষয়ে নীরব রয়েছে, কাশ্মীর সংকটের ব্যাপারে তাদের জোরালো কোনো ভূমিকা নেই। গতকাল ঈদের দিন সন্ধ্যায় ইরানের-

উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পবিত্র মাশহাদ শহরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইরানি ছাত্ররা এক সমাবেশে এ কথা বলেন। ইরানি বিক্ষোভকারীরা এ সময় কাশ্মীরে হ’ত্যা-নি’র্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং-

ভারত সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। ইরানি ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভ শেষে এক বিবৃতিতে বলেন, সাম্রাজ্যবাদীরা এই অঞ্চলকে নিয়ে যে ষড়যন্ত্র করছে সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ইরানি ছাত্ররা তেহরানে ভারত দূতাবাসের সামনে সমবেত হয়ে কাশ্মীরে হ’ত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায়। সম্প্রতি ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে সেখানে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে রেখেছে।

সেখানকার মুসলমানদের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়েছে। কাশ্মীরের জনগণকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে বহু বছর ধরে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন রয়েছে। সম্প্রতি সেনা সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়েছে।

ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করছে এরদোগান!

এই ঈদ মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ঐক্য ও সংহতি শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রেসিডেন্ট রুহানিও কুরবানির ঈদ উপলক্ষে তুরস্কের সরকার ও জনগণ এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে শুভেচ্ছা ও মুবারকবাদ জানান।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান বলেছেন, তার দেশ সকল ক্ষেত্রে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ও সহযোগিতা শক্তিশালী করতে আগ্রহী। তিনি রোববার সন্ধ্যায় ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে এক টেলিফোন সংলাপে ওই আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এর জবাবে প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, ইরানও বন্ধুপ্রতীম ও ভ্রাতৃপ্রতীম দেশ তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। তিনি একইসঙ্গে দু’দেশের মধ্যে এর আগে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলো বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে তেহরান ও আঙ্কারার ওপর ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ও চাপ উপেক্ষা করে দু’দেশ নিজেদের মধ্যে বাণিজ্যিক বিনিময়কে ৩,০০০ কোটি ডলারে উন্নীত করতে সম্মত হয়েছে।

গত মার্চ মাসের শেষ নাগাদ ফার্সি নতুন বছর শুরু হওয়ার পর থেকে পরবর্তী তিন মাসে তুরস্ক ইরানের কাছ থেকে ২২০ কোটি ডলারের পণ্য ও সেবা আমদানি করেছে। ২০১৮ সালের একই সময়ের তুলনায় এই পরিমাণ পাঁচগুণ বেশি।

তেহরান চেম্বার অব কমার্স সম্প্রতি এই তথ্য প্রকাশ করেছে। রোববারের টেলিফোন সংলাপে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে তার ইরানি সমকক্ষকে শুভেচ্ছা জানান এবং আশা প্রকাশ করেন।