অত্যাধুনিক ৩ জঙ্গিবিমান পেল ইরানের বিমান বাহিনী!

ইরানের সেনাবাহিনীর বিমান ইউনিটের কাছে আরও তিনটি নতুন জঙ্গিবিমান হস্তান্তর করা হয়েছে। জঙ্গিবিমান হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির হাতামি উপস্থিত ছিলেন।

‘কওসার’ মডেলের এই জঙ্গিবিমানগুলো অত্যাধুনিক প্রযুক্তির। এতে এভিনিক ও চতুর্থ প্রজন্মের অগ্নি প্রতিরোধী সিস্টেম রয়েছে। বিশ্বের খুব কম দেশের কাছেই এ প্রযুক্তি রয়েছে।

প্রয়োজনে এর আসন সংখ্যা কমানো-বাড়ানো যায় এবং পাইলটদের উচ্চ পর্যায়ের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহার করা যাবে।

ইরানি বিশেষজ্ঞরাই আধুনিক এই জঙ্গিবিমান তৈরি করেছেন। ইরানের বিপ্লবী সামরিক বাহিনী প্রথম থেকেই স্বনির্ভরতা অর্জনের যে চেষ্টা চালিয়ে আসছে তারই অংশ হিসেবে এসব জঙ্গিবিমান তৈরি করা হয়েছে। সুত্র: পার্সটুডে

গালোয়ানের পর এবার ডেপসং দখলে এগোচ্ছে চীনা বাহিনী

লাদাখে সংঘাতের পর চীনের রণপ্রস্তুতি থেমে নেই। গালোয়ানের পর এবার পূর্ব লাদাখের ডেপসং দখল করতে প্রস্তুতি শুরু করেছে চীনা বাহিনী।

সঙ্গে চীনা বাহিনীর ট্যাঙ্ক মুভমেন্টও শুরু করেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এ খবর প্রকাশ করেছে।
তবে ওই এলাকায় ভারতীয় বাহিনীর অবস্থান বেশ শক্তিশালী বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

চীনা বাহিনী সংঘাতে জড়ালে ভারত শক্ত জবাব দিতে পারবে বলে মন্তব্য করা হয়েছে খবরে।

এদিকে, গালওয়ান উপত্যকায় চীনা বাহিনীর ঘাঁটি গড়ার ছবি ধরা পড়েছে উপগ্রহচিত্রে। ভারতীয় এলাকা দখল করে সেখানেই ঘাঁটি করছে চীনা সেনারা। তারা গালওয়ান নদীর গতিপথ আটকে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

এদিকে লাদাখে সংঘাতের পর চীনকে বড়সড় জবাব দেয়ার কৌশল আটছে ভারত। তবে এখনো পর্যন্ত তেমন কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ভারতের অভ্যন্তরে চীনা পণ্য বর্জনের ডাক দেয়া হলেও তাতে ভারতেরই ক্ষতি হবে বলে মত বিশ্লেষকদের।

তবে এবার আমদানি পণ্যে শুল্ক বসিয়ে বড় ধাক্কা দিতে চাচ্ছে ভারত। চীন থেকে আমদানি করা কমপক্ষে ৩০০টি পণ্যকে তালিকাভুক্ত করে চড়া আমদানি শুল্ক বসাচ্ছে দেশটি। এরইমধ্যে ওই সিদ্ধান্ত কার্যকর শুরু হয়েছে খবর দিয়েছে ইরানি সংবাদমাধ্যম পার্সটুডে।

গেল মঙ্গলবার রাত থেকে শুল্ক দফতর দেশের বিভিন্ন বন্দরে আমদানি হওয়া পণ্যের বিপুল সংখ্যক কনসাইনমেন্ট আটকে রেখেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত সমস্ত সরবরাহকৃত পণ্য পরীক্ষা হচ্ছে, ততক্ষণ সেগুলো বন্দর থেকে দেশে ঢুকবে না বলে জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।

খবরে বলা হয়েছে, ভারত চীনের যেসব পণ্যে শুল্ক বসাতে যাচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে, ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিক্স এবং মেডিক্যাল উপকরণ। ইতোমধ্যেই ফার্নিচার, খেলনা এবং ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের উপর নতুন কর বসেছে। এরমধ্যে অর্ধেক পণ্যের উপরে আমদানি শুল্ক আরোপ করা হবে।

উল্লেখ্য, ভারত ও চীনের মধ্যে ২০১৮-১৯ সালে ৮ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য হয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৩০০ কোটি ডলারই চীনের ঝুলিতে পড়েছে।

ভারতের রাজস্ব দফতর গত ২৩ জুন চীন থেকে আসা ফ্ল্যাট রোলড স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম এবং জিঙ্কের উপর অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করেছে। এছাড়া ভারতের সোলার উপকরণের ৮০ শতাংশই আসে চীন থেকে। তার ওপর ওপরে ২০ শতাংশ শুল্ক বসানো হবে।