ছাত্ররা ভয় পাবে না, প্রতিবাদ চালিয়ে যাও: মমতা

‘দিল্লির টুকরে টুকরে গ্যাং’-কে শাস্তি দেওয়ার সময় এসে গিয়েছে, দিল্লির মানুষের এ কাজ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন অমিত শাহ। আজ বৃহস্পতিবার দিল্লিতেই অমিত শাহের মুখে যখন এই মন্তব্য শোনা গেল, প্রায় ঠিক তখনই কলকাতায় ছাত্রদের ভয় না পেয়ে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি আরো বলেন, বিজেপি যেন আগুন নিয়ে না খেলে, এই ভাষায় সমঝে দিয়ে মমতা বলেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জারি থাকবে।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর খবর অনুযায়ী তৃণমূল নেত্রী মমতা আরো বলেন, কাওকে ভয় পেতে হবে না। আমি সাবধান করে দিচ্ছি, বিজেপি যেন আগুন নিয়ে না খেলে। এদিন কলকাতার রাজাবাজার থেকে মল্লিকবাজার পর্যন্ত পদযাত্রার নেতৃত্ব দিয়েছেন মমতা।

তিনি বলেন, বিজেপি ছাত্রছাত্রীদের হু’মকি দিচ্ছে। সিএএ-এনআরসি বিরোধী আন্দোলনে শামিল জামিয়া, আইআইটি কানপুর ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের প্রতি আমরা সং’হতি জানাচ্ছি। তিনি প্রতিবাদী ছাত্রদের পাশে দাঁড়াবেন বলেও জানিয়েছেন।

এক হাজার শিশুর দায়িত্ব নিয়েছিলেন ওজিল, প্রথম অস্ত্রোপচারের প্রান বাঁচালেন ২১৯ জনের।

শিশুর অস্ত্রোপচার করালেন ওজিল ২১৯ শিশুর অস্ত্রোপচার করালেন ওজিল সারা বিশ্বে এক হাজার শিশুর অস্ত্রোপচারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। সেটা শুধু তাঁর মুখের কথা ছিল না। বাস্তবেই কাজ শুরু করেছেন জার্মান ফুটবল তারকা মেসুট ওজিল।

২১৯ শিশুর অস্ত্রোপচার করালেন ওজিল ২১৯ শিশুর অস্ত্রোপচার করালেন ওজিল সেই হাজার শিশুর মধ্যে ২১৯ জন শিশুর অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ‘বিগ শো চ্যারিটি’ নামের একটি সংস্থার মাধ্যমেই এতগুলি বাচ্চার অস্ত্রোপচার হয়েছে।

২১৯ শিশুর অস্ত্রোপচার করালেন ওজিল ২১৯ শিশুর অস্ত্রোপচার করালেন ওজিল ওজিল একটি টুইটে লিখেছেন, ”২১৯ জন বাচ্চার অপারেশন হয়েছে। এখনও অনেকটা দূর পথ চলা বাকি। ২০১৯ সালের জুন মাসে বিয়ের সময় আমি এবং আমার স্ত্রী বিশ্বের এক হাজার অভাবী এবং অসুস্থ শিশুর জীবন বদলে দেওয়া অপারেশনের ব্যয় বহন করব বলে জানিয়েছিলাম।

আমরা আমাদের কথা রাখার চেষ্টা করছি।” ওজিলের পূর্বপুরুষরা থাকতেন তুরস্কে। সেই দেশে এখনও দুঃস্থ শিশুদের অর্থ সাহায্য করেন ওজিল। কিছুদিন আগে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার কয়েকজন ক্ষুধার্ত শিশু ওজিলকে ‘থ্যাঙ্ক ইউ’

ম্যাসেজ পাঠিয়েছিল তুরস্কের ডেভরেকে উদীয়মান ফুটবলারদের জন্য পাঁচতলা বিশিষ্ট একটি ফুটবল একাডেমি নির্মাণ করেছেন ওজিল। তাঁর উদার মনোভাবের আরও অনেক উদাহরণ রয়েছে।