ট্রাম্প আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হু’মকি : স্পিকার

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হু’মকি বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। ট্রাম্পকে ইমপিচ করার জন্য প্রতিনিধি পরিষদে ভোটাভুটি হওয়ার আগে ন্যান্সি পেলোসি এই মন্তব্য করেন।

এরইমধ্যে প্রতিনিধি পরিষদে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্টের ভোটাভুটি হয়েছে এবং ট্রাম্পকে ইমপিচ করার পক্ষে সেখানে রায় হয়েছে। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট কার্যকর করতে হলে মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে তা পাস হতে হবে। সিনেটে ট্রাম্পের নিজ দল রিপাবলিকানদের আধিপত্য রয়েছে।

গতকাল (বুধবার) প্রতিনিধি পরিষদের ভোটাভুটির আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পিকার ন্যান্সি পেলোসিকে কড়া ভাষায় চিঠি লিখেছিলেন। চিঠিতে তিনি বলেছেন, প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার তার বিরুদ্ধে যু’দ্ধ ঘোষণা করেছেন। এছাড়া, ইমপিচমেন্টের পক্ষে ভোটাভুটির পর ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটার পোস্টে বলেছেন, “এটি আমেরিকা ও তার দলের ওপর হা’মলা।”

ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে চলমান বি’ক্ষোভে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হা’মলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাজধানী নয়াদিল্লির প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বি’ক্ষোভের সময় পুলিশের লা’ঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপের ঘটনায় সারাদেশে ছাত্র বি’ক্ষোভ শুরু হয়েছে।

দেশটির ইংরেজি দৈনিক হিন্দুস্তান টাইমস এক প্রতিবেদনে বলছে, দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হওয়া বি’ক্ষোভ দেশের অন্যান্য শহর ও ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়েছে। জামিয়া মিলিয়ার শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হা’মলার প্রতিবাদে সারাদেশের শিক্ষার্থীরা একই কাতারে নেমে এসে বি’ক্ষোভ শুরু করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হা’মলার পর শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন উপাচার্য প্রফেসর নাজমা আক্তারও। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গিয়ে সঙ্গে সঙ্গে দিল্লি পুলিশের কাছে লিখিত জবাব চেয়েছিলেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে পুলিশকে অনুমতি কে দিয়েছে, সে ব্যাপারে জানতে চান তিনি। বিনা অনুমতিতে ক্যাম্পাসে কেন প্রবেশ করল পুলিশ? শিক্ষার্থীদের ওপর লা’ঠিচার্য কেন করা হলো, সেসব জানতে চাওয়ার পরেও থেমে থাকেননি। পুলিশের বিরুদ্ধে উপাচার্য নিজেই অভিযোগ দায়ের করেছেন।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সরকারের বিরুদ্ধে গিয়ে এমন কঠোর পদক্ষেপ নেবে, সেটা হয়তো ভাবতেই পারেনি ভারতের পুলিশ। সেটাও আবার কোনো নারী ভাইস চ্যান্সেলর! এখন যুতসই কোনো জবাবও দিতে পারছে না পুলিশ।

আইপিএস কর্মকর্তারা একেকজন একেক কথা বলছেন। একজন গণমাধ্যমে বলেই ফেলেছেন, আসলে পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে চায়নি, শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দিতে গিয়ে দৌড়ে গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে হঠাৎ ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ে।

তবে উপাচার্য নাজমা আক্তারের কাছে এমন উত্তর গ্রহণযোগ্য তো নয়ই বরং তিনি আরো ক্ষি’প্ত হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে গেছেন। দায়ীদের তিনি কাঠগড়ায় নেবেনই বলে জানতে চান, কেন ক্যাম্পাসে ঢুকে শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত তোলা হলো?