যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা চালালে রাশিয়াও তাই করবে: সের্গেই ল্যাভরভ

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার সঙ্গে করা পরমাণু অস্ত্র চুক্তি প্রত্যাহার করলে রাশিয়া আবারও পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা শুরু করবে। ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিনকিতে ইউরোপীয় কাইন্সিলের সভা শেষে শুক্রবার সাংবাদিকদের এ কথা বলেন সের্গেই ল্যাভরভ। খবর আনাদোলুর।

১৯৮৭ সালে ইন্টারমিডিয়েট-রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্সেস (আইএনএফ) নামের মাইলফলক চুক্তিটি স্বাক্ষর করেছিলেন তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা মিখাইল গর্ভাচেভ ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান।

২০১৮ সালের অক্টোবরে ওই চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এ কারণে গত ছয় মাস ধরে চুক্তিটি প্রত্যাহারের কার্যক্রম শুরু হয়। আগামী ২ আগষ্ট এটি পুরোপুরি প্রত্যাহার হবে। ওই চুক্তিটির মাধ্যমে ৫০০ থেকে সাড়ে ৫ হাজার কিলোমিটারের মধ্যে মাঝারি দূরত্বের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ নিষিদ্ধ করা হয়।

ট্রাম্পের অভিযোগ, রাশিয়া বহু বছর ধরে এই চুক্তি লঙ্ঘন করে যাচ্ছে। বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট থাকার সময় ২০১৪ সালে আইএনএফ লঙ্ঘন করে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার অভিযোগ এনেছিলেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে।

তবে ইউরোপীয় নেতাদের চাপের কারণে তখন তিনি ওই চুক্তি প্রত্যাহার করা থেকে সরে যান। চুক্তি বাতিল হলে অস্ত্র প্রতিযোগিতা আবার শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছিলেন ইউরোপীয় নেতারা।

ফিলিস্তিনির গাজাবাসীকে ১৫ লাখ ডলার অনুদান দিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

টবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো টবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পর্তুগিজের ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ফিলিস্তিনির অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার সংকটাপন্ন লোকজনকে ১৫ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছেন। গাজাবাসীর দুর্ভোগ কিছুটা হলেও লাঘব হবে এমন আশাতে রোনালদো এ অনুদান দেন।

ফুটবল জগতের খ্যাতিমান এ তারকা বেশ কয়েকবার ফিলিস্তিনিদের ওপর ইহুদিবাদী ইসরাইলের বর্বরতার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ২০১২ সালে রোনালদো তার গোল্ডেন বুট নিলামে তুলে তহবিল সংগ্রহ করেছিলেন এবং সেই অর্থ ফিলিস্তিনি শিশুদের জন্য দান করেছিলেন।

গাজার শিশুরা ২০১৩ সালে পর্তুগাল ও ইসরাইলের মধ্যকার এক ফুটবল ম্যাচ শেষে জার্সি বদলের জন্য ইসরাইলি খেলোয়াড়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন রোনালদো। ২০০৭ সাল থেকে গাজা উপত্যকা ইহুদিবাদী ইসরাইলের অবরোধের মধ্যে রয়েছে।

এর ফলে সেখানকার জনগণের জীবনযাত্রার মান মারাত্মকভাবে নেমে গেছে। পাশাপাশি মারাত্মক রকমের বেকারত্ব ও সীমাহীন দারিদ্রতা দেখা দিয়েছে গাজা উপত্যকায়। পার্সটুডে

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে হামলার জন্য আমেরিকার ইরাকের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেয়া হবে না!

রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরাকের রাষ্ট্রদূত হায়দার মানসুর হাদি বলেছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য আমেরিকাকে তার দেশের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না। তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে যখন মারাত্মক সামরিক উত্তেজনা বিরাজ করছে তখন ইরাকি রাষ্ট্রদূত এ কথা বললেন।

গতকাল (বুধবার) মস্কোয় এক সংবাদ সম্মেলনে ইরাকি রাষ্ট্রদূত বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে আর কোনো ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ দেখতে চায় না ইরাক। ইরাক একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ। আমরা আমাদের ভূখণ্ড আমেরিকাকে ব্যবহার করতে দেব না।”

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আদিল আবদুল-মাহদি এর আগে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আদিল আবদুল-মাহদিও একই কথা বলেছেন। তিনি আরো বলেছেন, ইরান ও আমেরিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে ব্যবহার করে ইরাক দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ইরাক পরিষ্কার করে দিয়েছে যে, আমরা সমাধানের অংশ হব, সংকটের অংশ হব না।”

আমেরিকা সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের কথিত হুমকি মোকাবেলার জন্য মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ করে পারস্য উপসাগরে যুদ্ধজাহাজ ও বি-৫২ বোমারু বিমান মোতায়েন করেছে। শুধু তাই নয় ইরাকে মার্কিন দূতাবাস ও কন্স্যুলেট ভবন থেকে জরুরি নয় -এমন লোকজনক দ্রুত দেশে ফিরিয়ে নিচ্ছে।