আবারও মোদিকে আকাশসীমায় ঢুকতে দিলো না পাকিস্তান

আবারও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি পাকিস্তান। আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর আবেদন দ্বিতীয়বারের মতো প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটি। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশির বরাতে ডন ও জিয়ো নিউজ এ খবর জানিয়েছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আসন্ন সৌদি সফরের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি চান। তবে কাশ্মীরে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে পাকিস্তান তাতে সাড়া দেয়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি এক বিবৃতিতে বলেন, আজ (২৭ অক্টোবর) কাশ্মীরের কালো দিবস।

ভারত অধিকৃত কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘ’ন ও ভারতের আচরণের পরিপ্রেক্ষিতে নরেন্দ্র মোদিকে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর নরেন্দ্র মোদি পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহার করে জার্মান যেতে চেয়েছেন এবং একইপথে ২৮ সেপ্টেম্বর ফেরার অনুমতি চেয়েছিলেন। তবে তখনও সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছি দেশটি।

এরও আগে ৮ সেপ্টেম্বর ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ আইসল্যান্ড যাওয়ার জন্য দেশটির পক্ষ থেকে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। তবে কাশ্মীরে ভারতীয় আগ্রা’সনের প্রতিবাদে পাকিস্তান তাতে সাড়া দেয়নি।

শিশু তালহা প্রতিদিন মুখস্থ করে ১ পারা কুরআন!

ফরিদপুরের মুহাম্মদ আবু তালহা। পুরো কুরআনুল কারিম মুখস্থ করার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেন। ঢাকার মারকাজুল কুরআন মাদরাসার ছাত্র তালহা ৬/৭ বছরের শিশু। রাজধানী ঢাকার বারিধারা নতুন বাজারের এ হিফজ মাদ্রাসা থেকেই পবিত্র কুরআনুল কারিম মুখস্থ করে।

হাফেজ মুহাম্মদ আবু তালহা প্রথম দিকে উস্তাদকে ৫ পৃষ্ঠা সবক শোনাত। ধীরে ধীরে সবক বাড়তে থাকে। শেষ দিকে এসে প্রতিদিন ১ পারা পর্যন্ত সবক দিয়েছে এ শিশু। সর্বোপরি মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে মাত্র ১০৫ দিন অর্থাৎ তিন মাস ১৫ দিনে সে পুরো কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয়।

ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানার গোড়াইল গ্রামের হাবিবুর রহমান ও হুসনে আরা বেগমের তিন সন্তানের মধ্যে বড় আবু তালহা। বাড়ি ও বাবা-মায়ের মায়া ত্যাগ করে রাজধানীর এ প্রতিষ্ঠানে থেকে অল্প সময়ে পুরো কুরআনুল কারিম মুখস্থ করার অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করে। যে কোনো শিশু কিংবা বড় মানুষের জন্যই প্রতিদিন ৫ পৃষ্ঠা থেকে ১ পারা কুরআন মুখস্থ অনেক কষ্টসাধ্য কাজ।

কোনো শিশুর তা অর্জন মানেই এটা মহান প্রভু এক নিদর্শন। শিশু হাফেজ আবু তালহা প্রতিটি পরিবারের জন্য অনুপ্রেরণা। এ বয়সে অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রচণ্ড চেষ্টায় গত ৩১ জুলাই পবিত্র কুরআনুল কারিম খতম সম্পন্ন করেছে। আল্লাহ তাআলা এ শিশু হাফেজকে কুরআনুল কারিমের খাদেম হিসেবে কবুল করুন। আমিন।