কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের পাশে থাকার ঘোষণা ৫৮ দেশের

মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, কাশ্মীর ইস্যুতে ইসলামাবাদকে সমর্থন দিচ্ছে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের ৫৮টি দেশ। কাশ্মীরে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে-

তাদের অধিকার রক্ষার দাবিতে ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টিতে এসব দেশ একমত বলেও জানান তিনি। এক টুইটার বার্তা এসব কথা বলেছেন ইমরান খান। তিনি বলেন, মানবাধিকার পরিষদের ৫৮ দেশ পাকিস্তানের পক্ষে যোগ দেয়ায় তাদের সাধুবাদ জানাচ্ছি।

ভারতের বলপ্রয়োগ বন্ধ করা, অবরোধ ও অন্যান্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া, কাশ্মীরিদের অধিকার রক্ষা ও সম্মান এবং বিতর্কিত কাশ্মীর ইস্যুকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দাবি জোড়ালো হচ্ছে।

এ নিয়ে ইমরান খান পরে আরেকটি টুইট করেন। এতে তিনি লিখেছেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব, আন্তর্জআতক আইন এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে কাশ্মীর সমস্যার একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আহ্বানকে স্বাগত জানাচ্ছি।’

১ বছর ধরে ধ’র্ষণ করছেন বিজেপি মন্ত্রী: মুখ খোলায় নির্যাতিতা উধাও

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে যৌ’ন হেনস্থার অভিযোগ আনার পরেই এক সপ্তাহের জন্য খুঁজে পাওয়া যায়নি উত্তরপ্রদেশের নি’র্যাতিতা ছাত্রীটিকে। সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে,

মেয়েটি নিজের প্রাণের ভয়ে এবং পরিবারের বিপদের ভয়ে আত্মগোপন করে রয়েছে। তবে আসল কাহিনী অন্যকিছুও হতে পারে। তেইশ বছর বয়সী ছাত্রীটি বাহাত্তর বছর বয়সী এই প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন বিগত এক বছর ধরে ধ’র্ষণ এবং যৌ’ন হেনস্থার। খবর কলকাতা অনলাইনের।

বারো পাতার অভিযোগপত্র তিনি দিল্লির লোধী পুলিশ স্টেশনে জমা দেন বৃহস্পতিবার। নি’র্যাতিতা ছাত্রীটি আরও জানান, উত্তরপ্রদেশের পুলিশের উপরে তার কোন আস্থা নেই এবং তার পরিবার শাহাজানপুর জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে কোন রকম সহযোগিতা পাননি।

সোমবার সংবাদমাধ্যমের সামনে আসার আগে নিজের মুখ ঢেকে পরিচয় গোপন করে ছাত্রীটি চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে এক বছর ধরে ধ’র্ষণ এবং যৌ’ন হেনস্থার অভিযোগ আনেন। অভিযুক্ত ছাত্রীটি গত ২৪ এ অগস্ট থেকে নিখোঁজ ছিল।

নিখোঁজ হওয়ার একদিন পরেই ছাত্রীটি একটি ভিডিও পোস্ট করে অভিযুক্ত এই বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে ভয় দেখানো এবং হয়রানি করার অভিযোগ আনেন। সেই ভিডিও তে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে সাহায্য চাইতে দেখা যায় ছাত্রীটিকে। মেয়েটির নিখোঁজ হলে তার বাবা উত্তর প্রদেশের পুলিশের কাছে চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে যৌ’ন হেনস্থার অভিযোগ আনেন।

অভিযুক্ত এই প্রাক্তন মন্ত্রী এই অভিযোগ কে ষড়যন্ত্র বলে আখ্যা দিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টে তোলার আগে ৩০ অগস্ট রাজস্থানে তাকে অনুসরন করা হয়। আদালতে মেয়েটি বিচারপতিকে জানান নিজেকে রক্ষা করার জন্যই সে চলে গিয়েছিল।

সুপ্রীম কোর্ট বিশেষ তদন্তকারী দল ( সিট) গঠন করে যারা এই নি’র্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে ৩ সেপ্টেম্বর থেকে তদন্ত শুরু করে। নি’র্যাতিতা তরুনী জানায়, রবিবার প্রায় এগারো ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাকে এবং

তিনি সব কিছু বলেন তদন্তকারী অফিসারদের। তারপরেও চিন্ময়ানন্দকে গ্রেফতার করা হয় না। আরও জানান সাহাজানপুর পুলিশ স্টেশনের আধিকারিকেরাও ধ’র্ষণের অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেন।

আজ সিটের তদন্তকারী অফিসারেরা এক বিচারপতির উপস্থিতিতে নির্যাতিতা ছাত্রীর হস্টেলে যান প্রমান জোগাড় করতে। প্রাথমিক ভাবে নির্যাতিতা তরুনী চিন্ময়ানন্দের নাম নেয়নি।

তার বাবা অভিযোগপত্রে রাজনৈতিক নেতার কথা উল্লেখ করেন। পরে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার ফলে এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে ঝড় তোলার পরে প্রাক্তন বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে অপহরন করা এবং ভয় দেখানোর অভিযোগ আনা হয়।

প্রাক্তন এই বিজেপি নেতার আইনজীবি ওম সিং ২রা সেপ্টেম্বর সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন স্বামী চিন্ময়ানন্দ এই অভিযোগ থেকে পালান নি, কিছু ধর্মীয় কাজে এই মুহূর্তে ব্যস্ত। কিন্তু দিল্লি পুলিশ যখনই ডাকবে তিনি হাজির হবেন ও বলেও জানিয়েছেন।

এই বিজেপি নেতার শাহাজানপুরে নিজের আশ্রম এবং পাঁচটি কলেজ রয়েছে। এছাড়াও তিনি হরিদ্বার এবং হৃষীকেশে আশ্রম চালান। এই বিজেপি নেতার শাহাজানপুরে নিজের আশ্রম এবং পাঁচটি কলেজ রয়েছে। এছাড়াও তিনি হরিদ্বার এবং হৃষীকেশে আশ্রম চালান।