ভারতের ১০০ কি.মি. ভিতরে ঢুকে পড়ে চীনা সৈন্যরা!

কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ১০০ কিলোমিটারের ভিতরে প্রবেশ করে চীনা সেনারা। ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভারতের অরুনাচল প্রদেশের সীমানা পেরিয়ে ঢোকার জন্য চীনা সেনারাদইমরু নাল্লাহ নামক এলাকায় একটি কাঠের সেতুও তৈরি করে। ইন্ডিয়া টিভির খবরে বলা হয়েছে, চীনা সেনাদের ভারত সীমান্তের প্রবেশের খবর দেশটিতে ক্ষমতাসীন দল বিজেপির এক কর্মী দলটির সংবাদ তারি গাওকে সরবরাহ করে।

তাপির গাও ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে। তবে ভিডিওটি আগস্টের মাসের শুরুর বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাপির গাও ভিডিওর সময় প্রকাশ করেননি। বিজেপি সাংসদ তাপির গাও গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভারতের প্রবেশের জন্য চীনা সেনারা এক মাস আগে ওই সেতুটি বানিয়েছে।

তার মতে, সেতুটির চারপাশে বুটের দাগ দেখতে পাওয়া গেছে। বিষয়টি ভারতের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের। তাপির গাও ইন্ডিয়া টিভিকে জানান, ‘খুব ভালো করে দেখলেই বোঝা যাবে সেতুটি সম্প্রতি নির্মাণ করা হয়েছে। কাঠের হলেও সেটি যথেষ্ট মজবুত। স্থানীয় প্রশাসন তো বটেই, কেন্দ্রের উচিত এই বিষয়ে কড়া ব্যবস্থা নেয়া।’

নোয়াখালীতে সনাতন ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে প্রীতি কর্মকার

সপ্তম শ্রেণী থেকে তিনি ধর্ম নিয়ে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। নিজের ধর্মের অনেক কর্মই তার পছন্দ হতোনা। বিশেষত কোন মানুষ মরে যাওয়ার পর আগুণে পুড়িয়ে দাহস্থ করাটা কোনভাবেই সমর্থন করতে পারতেন না তিনি। তাই ইসলাম ধর্মের মহান ও পবিত্র শিক্ষা দীক্ষায় অনুপ্রাণিত হয়ে সনাতন ধর্ম ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন প্রীতি কর্মকার।

গত ২৮ জুন ২০১৮ সালে নোটারী পাবলিক বরাবরে সম্পাদিত এফিডেভিটমূলে প্রীতি মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করেন। এ সময় নুশরাত জাহান এশা নামে তিনি নিজের নাম পছন্দ করেন। এশা গতকাল দুপুরে নোয়াখালী প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের জানান, তিনি যে ইসলাম গ্রহণ করেছেন এটি তার পরিবার জানলেও তারা বিষয়টি নিয়ে কোনরুপ উচ্চবাচ্য করছেননা। তবে তিনি আতঙ্কিত যে,

পরিবার থেকে তাকে চাপে পড়তে হতে পারে। যে কারণে তিনি গত প্রায় এক বছরের অধিককাল পরিবার ছেড়ে নোয়াখালীতে তার বেশকিছু ভালো বান্ধবীর সাহচর্যে মুসলিম ধর্মের অনুসারী হয়ে ধর্ম-কর্ম পালন করছেন। ফেনীর উত্তর চন্ডিপুরের বিশ’জিত কর্মকারের মেয়ে এশা কোনরুপ আড়ালে আবড়ালে না থেকে প্রকাশ্যে ইসলাম ধর্মের অনুসারী হয়ে মুসলিম রীতিনীতি পালন করতে সমাজ ও রাষ্ট্রের একান্ত সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।