“কাশ্মীরের জনগণকে রক্ষায় পাকিস্তানের সৈন্য পাঠানো উচিত”

কাশ্মীরে ভারতের বিরুদ্ধে লড়াইরত ডজনখানেক গ্রুপকে নিয়ে গঠিত একটি জোটের প্রধান সৈয়দ সালাহউদ্দিন বলেন, রোববার বলেছেন যে জাতিসংঘ যদি শান্তিরক্ষী না পাঠায় তবে,

কাশ্মীরের জনগণকে রক্ষার জন্য পাকিস্তানের সৈন্য পাঠানো উচিত। তিনি বলেন, প্রথম ইসলামি পরমাণু শক্তি পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্ব হলো এই ভূখণ্ডের লোকজনকে সামরিকভাবে সহায়তা করা।

গত ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ওপর ঘরোয়াভাবে চাপ বাড়ার বিষয়টিই প্রকাশিত হয়েছে তার এই মন্তব্যে।

ভারতীয় পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ইমরান খান এখন পর্যন্ত বৈশ্বিক কূটনৈতিক কার্যক্রমই চালিয়ে যাচ্ছেন। পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের রাজধানী মোজাফফরাবাদে শত শত লোকের এক সমাবেশে সালাহউদ্দিন বলেন,

এখন পরীক্ষার সময়। কেবল কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থনে কাজ হবে না। ভারতের ওই পদক্ষেপের ফলে ভারতীয় সংবিধানে থাকা কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল হয়ে গেছে। এর ফলে ভারতের,

অন্যান্য এলাকার লোকজন সেখানে গিয়ে ভূ-সম্পত্তি ক্রয় করতে পারবে। ভারত সরকার বলছে, কাশ্মীরের উন্নয়নের ব্যবস্থা করার জন্যই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এই পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ হয়েছে কাশ্মীরের লোকজন।

৫ আগস্টের পর থেকে টেলিফোন লাইন, ইন্টারনেট, টেলিভিশন নেটওয়ার্ক বন্ধ রয়েছে। লোকজনের চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ রয়েছে। সালাহউদ্দিন বলেন, পাকিস্তান সরকারের কঠোর পদক্ষেপের ফলেই তার গ্রুপ কিছু করতে পারছে না।

তিনি বলেন, পাকিস্তান সরকার ওইসব পদক্ষেপের ফলে আমরা ভারতের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ সৃষ্টি করতে পারছি না। পাকিস্তানের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকার দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করছে।

ভারতের বিরুদ্ধে প্রক্সি চালাতে বিদ্রোহীদের পাঠানোর প্রলোভন প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তান। ভারতের বিরুদ্ধে প্রক্সি চালাতে বিদ্রোহীদের পাঠানোর প্রলোভন প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তান।

ইসরাইলে হিজবুল্লাহ’র প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা; প্রশংসা করল ইরান

ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর প্রতিশোধমূলক হা’মলার প্রশংসা করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কর্মকর্তা। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের-

সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি রোববার রাতে এক বক্তৃতায় এই প্রশংসা করে বলেন, ইমাম হোসেইন (আ.) কালজয়ী বিপ্লবের স্মৃতি বিজড়িত মহররমের প্রথম দিন এই প্রতিশোধমূলক হা’মলা ইমামের সেই মহাবিপ্লবী ভাষণ ‘হাইহাত মিন্নায যিল্লাহ’কে বিশ্ববাসীর কানে পৌঁছে দিয়েছে।

ইমাম হোসেইন (আ.) ৬১ হিজরির ১০ মহররম কারবালার ময়দানে পাপিষ্ঠ এজিদ বাহিনীর উদ্দেশে এই বিখ্যাতি উক্তি করেছিলেন যার অর্থ ‘আমার পক্ষে অপমান মেনে নেয়া অসম্ভব।’ আলী শামখানি রোববার রাতে আরো বলেন,

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বর্তমানে আমেরিকা ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের ‘শয়তানি অপতৎপরতার’ কেন্দ্রভূমিতে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, ইরানের আকাশসীমা লঙ্ঘনকারী মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করা এবং

লেবাননে ইসরাইলি ড্রোন হামলার জবাবে হিজবুল্লাহর এই পাল্টা হামলা প্রমাণ করেছে, মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী আর কোনো অপকর্মকে বিনা জবাবে ছেড়ে দেয়া হবে না। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব বলেন,

হিজবুল্লাহর প্রতি লেবাননের জনগণের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে এবং এই প্রতিরোধ সংগঠন লেবাননের সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে।

লেবাননের রাজধানী বৈরুতে সাম্প্রতিক ইসরাইলি ড্রোন হামলার জবাবে হিজবুল্লাহ গতকাল বিকেলে উত্তর ইসরাইলে একটি ইসরাইলি সামরিক যান লক্ষ্য করে হা’মলা চালায়।

হিজবুল্লাহ ঘোষণা করেছে, হা’মলায় ওই যানের সব আরোহী হ’তাহত হয়েছে। হিজবুল্লাহর মহাসচিব গত এক সপ্তাহে দুইবার এই প্রতিশোধমূলক হা’মলা চালানোর কথা আগেভাগে ঘোষণা করে রেখেছিলেন।