কাশ্মীরিদের স্বাধীনতা সংগ্রামে ৫ দফা কর্মসূচি ঘোষণা

ভারতীয় অত্যাচারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিরোধ ও কাশ্মীরের স্বাধীনতার ডাক দিয়ে ৫ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন কাশ্মীরের সর্বদলীয় হুররিয়াত কনফারেন্সের প্রধান সৈয়দ আলী শাহ গিলানি। রোববার গৃহবন্দি অবস্থা থেকে কাশ্মীরি জনগণের প্রতি লেখা এক চিঠিতে ভারতের বিরুদ্ধে এ প্রতিরোধের ডাক দেন তিনি।

স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানেরও সহায়তা চান এ হুররিয়ত নেতা। খবর ডন উর্দূর। গিলানির ৫ দফা কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, ভারতীয় নৃশংসতার বিরুদ্ধে জম্মু-কাশ্মীরের নাগরিকদের সাহসিকতার সঙ্গে শান্তিপূর্ণ প্রতিরোধ, নিজেদের আত্মরক্ষার্তে সরকারি কর্মকর্তা ও পুলিশের প্রতিবাদ, সারাবিশ্বে ছড়িয়ে থাকা কাশ্মীরিদের দূত হিসেবে কাজ করা, কাশ্মীরিদের স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রতিবেশী পাকিস্তানের এগিয়ে আসা এবং জম্মু ও লাদাখের বাসিন্দাদের নিজস্ব পরিচয় ধরে রাখা।

কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বাতিল করে অঞ্চলটিকে দুই ভাগ করে ফেলার পর থেকেই গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছেন হুররিয়ত নেতা সৈয়দ আলী শাহ গিলানি। কাশ্মীরি জনগণের উদ্দেশে খোলা চিঠিটি ২৩ আগস্ট লেখা হলেও তা প্রকাশিত হয়েছে রোববার। চিঠিতে আলী শাহ গিলানি বলেন, জম্মু-কাশ্মীরের জনগণের কাছে আমাদের আন্তরিক আবেদন, এই সংকটময় মুহুর্তে আমাদের অবশ্যই প্রতিরোধ অব্যাহত রাখতে হবে। সাধ্য অনুযায়ী, আমাদের সবারই এই প্রতিরোধে অংশ নেয়া উচিত। নিজ নিজ এলাকায় বিক্ষোভ প্রদর্শন ও শান্তিপূর্ণ প্রতিরোধ চালিয়ে নিতে কাশ্মীরি জনগণের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

পবিত্র কাবা শরীফের আয়তন ৩ হাজার বর্গমিটার সম্প্রসারণ করা হয়েছে

মুসলমানদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের স্থান পবিত্র কাবা শরীফের আয়তন ৩ হাজার বর্গমিটার সম্প্রসারণ করা হয়েছে। সৌদি প্রেস এজেন্সি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মসজিদে হারামের আঙিনায় প্রায় ৩ হাজার বর্গমিটার জায়গা নামাজের জন্য প্রস্তুত করার প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছিল।

সম্প্রতি এ কাজ প্রায় সম্পন্ন হওয়ার পথে। ৮৫ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। যা অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। আঙিনা সম্প্রসারণের ফলে মসজিদে হারামে চলাচল ও ইবাদত করার জন্য সহায়ক হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

মসজিদে হারামের আঙিনা সম্প্রসারণ করতে গিয়ে ওজুখানা বাথরুমের উঠা-নামার সিড়ি স্থানান্তর করতে হয়েছে। আঙিনার চারপাশে এসব ওজুখানা বাথরুমের যাওয়ার সিঁড়িগুলো সাইডে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। যাতে নামাজে অংশগ্রহণকারীদের চলাচলে বিঘ্ন না ঘটে।

উল্লেখ্য যে, চলাচল ও নামাজের জায়গা সম্প্রসারণে মসজিদে হারামের আঙিনার পরিপূর্ণ কাজ চলতি মাসের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করছেন হারামাইন কর্তৃপক্ষ।