কাশ্মীর সংকট: এবারও পাকিস্তানের কাছে হেরে গেল ভারত

দীর্ঘ ৫০ বছর পর কাশ্মীরের চলমান সংকট সমাধানে আজ শুক্রবার পাকিস্তানের অনুরোধে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (ইউএনএসসি) জরুরী আলোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের এ

পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের ‘কূটনৈতিক পরাজয়’ বলে অভিহিত করেছে পাকিস্তান সরকার। পাকিস্তানের শক্তিশালী সংবাদমাধ্যম খবর জিও নিউজের খবরে বলা হয়,

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) কাশ্মির ইস্যুতে আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইউএনএসসি প্রেসিডেন্ট জোয়ানা রোনিকা। তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মির সংকট নিয়ে ১৬ আগস্ট নিরাপত্তা পরিষদের রুদ্ধদ্বার বৈঠক হতে পারে।

শুক্রবারই আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। পাকিস্তানের আরেক সংবাদমাধ্যম ডেইলি জং-এর খবরে বলা হয়, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে (ইউএনএসসি) কাশ্মীর ইস্যুতে চুপ রাখতে ভারত সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছে।

কিন্তু সবশেষ তারা ব্যর্থ হয়েছে। ৫০ বছরে প্রথমবারের মতো সুরক্ষা কাউন্সিল কাশ্মীর ইস্যুতে বৈঠক করতে চলেছে। জাতিসংঘে রাশিয়ার প্রতিনিধিরা সাংবাদিকদের বলেছেন, আমাদের দেশ কাশ্মীর নিয়ে সুরক্ষা কাউন্সিলের বৈঠকের বিরোধিতা করবে না।

এদিকে, কাশ্মীরের চলমান সংকট নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি) বৈঠক ডাকায় ভারত চিন্তিত হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি।

তিনি বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের খবর পাওয়ার পর থেকেই ভারত চিন্তিত হয়ে পড়েছে। এখন তারা বৈঠকটি বানচালের চেষ্টা করছে। এদিকে কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন ও সাংবিধানিক মর্যাদা বাতিলের প্রতিবাদে

ভারতের স্বাধীনতা দিবসে পাকিস্তানজুড়ে কালো দিবস পালিত হচ্ছে। কালো দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও টুইটারে কালো প্রোফাইল পিকচার দিয়েছেন। হিমালয় অঞ্চল কাশ্মীরকে ভারত-পাকিস্তান উভয় দেশই পুরোটা দাবি করে আসছে।

১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ হয়। এর পর এ অঞ্চলটি নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ১৯৪৮, ১৯৬৫ ও ১৯৭১ তিনটি বড় যুদ্ধ হয়। এর মধ্যে দুই বড় যুদ্ধ হয় কাশ্মীর নিয়ে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের হিসাব অনুযায়ী ১৯৮৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

কোরবানির জন্য জমানো টাকা বন্যাত্রাণে পাঠাল ভারতীয় ৩০০ মুসলিম পরিবার!

সারাবছর ধরে ঈদের জন্য জমানো টাকা মহারাষ্ট্রের বন্যাত্রাণে পাঠিয়ে দিল পুণের প্রায় ৩০০টি মুসলিম পরিবার। গত সোমবার ইদ ছিল। এইদিনটার জন্যই মু্খিয়ে থাকেন তাঁরা। সারাবছর ধরে-

একটু একটু করে টাকা জমিয়ে ঈদের সময়ে নতুন জামাকাপড় এবং কোরবানির জন্য পশু কেনেন তাঁরা। এবার সেই অর্থই ইদে খরচ না করে মহারাষ্ট্রের কোলাপুর ও সাঙ্গলি প্রদেশের বন্যা দুর্গতদের জন্য পাঠালেন তাঁরা।

বন্যায় বেহাল অবস্থা মহারাষ্ট্রের। রাজ্যের মূলত কোলাপুর ও সাঙ্গলি অঞ্চল এবছর বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আজিজ কারি নামে পুণের এক সমাজসেবী কিছুদিন আগেই ওই অঞ্চল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন।

তিনি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, ‘পুণের প্রায় ৩০০টি পরিবার বন্যাত্রাণের জন্য টাকা দিয়েছে। মহারাষ্ট্রের এখন যা পরিস্থিতি, এ অবস্থায় আমরা ইদ উৎসব পালন করে আনন্দে মেতে উঠব, তা হয় না। আমাদের যতটুকু সামর্থ্য, তার মধ্যে থেকেই এই সাহায্য করার চেষ্টা করলাম।’ সুত্র: বিবি নিউজ