২০২৫ সালে নতুন এক বাংলাদেশ পাবে বিশ্ব: জাপানি রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের চেহারা বদলে যাবে। ২০২৫ সালে নতুন এক বাংলাদেশ পাবে বিশ্ব। সব ধরনের উন্নয়নে স্থাপন হবে দৃষ্টান্ত।

বুধবার বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপচারিতায় তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বাসভবনে আলাপচারিতার সময়ে কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন,

বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক ও নিউজ টোয়েন্টিফোর টিভির সিইও নঈম নিজাম, ডেইলি সান সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরী, নিউজ টোয়েন্টিফোরের হেড অব নিউজ রাহুল রাহা, বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোরের সম্পাদক জুয়েল মাজহার, বসুন্ধরা কিংসের প্রেসিডেন্ট ইমরুল হাসান, বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা মোহাম্মদ আবু তৈয়ব উপস্থিত ছিলেন।

জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, থার্ড টার্মিনাল, মাতারবাড়ি প্রকল্প, মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ বিশ্বে নতুন স্থান করে নেবে। বিশেষত মাতারবাড়ি হবে আধুনিক সিঙ্গাপুর। সমুদ্রবন্দর যোগাযোগ পাবে নতুন মাত্রা। এসব প্রকল্প ঘিরে বেসরকারি খাতে যে বিশাল উন্নয়ন হচ্ছে তাও বাংলাদেশের জন্য অর্জন।

তিনি বলেন, ঢাকার পাশে আড়াইহাজার উপজেলায় এক হাজার একর জমিতে জাপানি বিনিয়োগকারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে নির্মিত হচ্ছে জাপানিজ ইকোনোমিক জোন। জাপানের বেশ কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠী এই ইকোনোমিক জোনে বিনিয়োগ করতে যাবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, করোনা ভাইরাসের মহামারির প্রভাব মোকাবিলা করে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সাফল্য দেখিয়েছে। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব প্রশংসনীয়। শুধুই অর্থনীতি পুনরুদ্ধার নয়, তার নেতৃত্বে যেসব তাক লাগানো অবকাঠামো উন্নয়ন হচ্ছে তার অনেক কিছুই দৃশ্যমান হতে চলেছে। বাংলাদেশ পাচ্ছে নতুন রূপ।

পৃথিবীর সবচেয়ে বিশুদ্ধ ‘জমজমের পানি’: জাপানি বিজ্ঞানী

পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফেরার সময় স্বজনদের জন্য হাজিদের বিশেষ উপহার থাকে জমজমের পানি। আগ্রহ নিয়ে সবাই জমজম কূপের পানি পান করে থাকেন। জাপানি বিজ্ঞানী মাসারু ইমোতো এই পানির ওপর সম্প্রতি গবেষণা করেছেন। পৃথিবীর বিশুদ্ধ পানিসহ অনেক তথ্য উঠে এসেছে তার গবেষণায়।

জমজমের পানি কেন পৃথিবীর বিশুদ্ধতম মাসারু ইমোতো তার গবেষণার মাধ্যমে কিছু বৈজ্ঞানিক ধারণা বের করেছেন-

এক ফোঁটা জমজমের পানিতে যে পরিমাণ আকরিক পদার্থ থাকে তা পৃথিবীর অন্য কোনো পানিতে থাকে না।

জমজমের পানির গুণগত মান কখনো পরিবর্তন হয় না।

জমজমের পানিতে এন্টিমনি, বেরিলিয়াম, ব্রোমাইন, কোবাল্ট, বিস্মুথ, আয়োডিন আর মলিবডেনামের মতো পদার্থগুলোর মাত্রা ছিল ০.০১ পিপিএম থেকেও কম। ক্রোমিয়াম, ম্যাংগানিজ আর টাইটানিয়াম এর মাত্রা ছিল একেবারেই নগণ্য।

জাপানি বিজ্ঞানীর পরীক্ষা অনুযায়ী জমজমের পানির পিএইচ হচ্ছে ৭ দশমিক ৮। যেটি সামান্য ক্ষারজাতীয়। বিজ্ঞানী তার পরীক্ষায় আর্সেনিক, ক্যাডমিয়াম, সীসা এবং সেলেনিয়ামের মতো ক্ষতিকর পদার্থগুলো ঝুঁকিমুক্ত মাত্রায় পেয়েছেন। যে মাত্রাগুলোতে মানুষের কোনো ক্ষতি হয় না।

সাধারণ কূপের পানিতে জলজ উদ্ভিদ জন্মালেও জমজম কূপে জন্মায় না।

জমজমের পানিতে যেসব আকরিক পদার্থ পাওয়া গেছে তার মধ্যে ক্যালসিয়াম, ফ্লোরাইড, সোডিয়াম, ক্লোরাইড, সালফেট, নাইট্রেট, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম উল্লেখযোগ্য। ফ্লোরাইড ছাড়া বাকি মিনারেলগুলোর মাত্রা অন্যসব স্বাভাবিক খাবার পানিতে পাওয়ার মাত্রা থেকে বেশি ছিল।

মাসারু তার পরীক্ষায় জমজমের পানির এমন এক ব্যতিক্রমধর্মী মৌলিক আকার পেয়েছেন যেটি খুবই চমকপ্রদ। পানির দুইটি স্ফটিক সৃষ্টি হয়- একটি আরেকটির উপরে কিন্তু সেগুলো একটি অনুপম আকার ধারন করে।