আল আকসা মসজিদে গেইটে ইহুদিদের সামনে বসেই কুরআন তেলাওয়াত করছে এক সাহসী নারী

পবিত্র আল আকসা মসজিদের মুল গেইটের সামনে মুসলিম এক মুসলিম সাহসী বোন কোরআন তেলাওয়াত করছেন, ইহুদিবাদী ইজরায়েলী সেনাদের বাধার মুখেই তার এই সাহসী কথায় গোটা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি হয়,

যা ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়,তবে বোনটির নাম জানায়নি। তার কুরআন তেলাওয়াত দেখে ইজরাইলি সেনারা হাসি ঠাট্টা করলেও তাদের ফিরেও তাকাননি।

এ মুহূর্তে জার্মানির স্কুলগুলোতে ইস’লাম ধর্ম পড়ছে ৫৪ হাজার শিক্ষার্থী৷ কিন্তু বাস্তবে অনেক বেশি শিক্ষার্থী মুসলিম সম্প্রদায়ের এই ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহী৷

সম্প্রতি জার্মানির ১৬টি রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে তথ্য নিয়েছে“মেডিয়েনডিনস্ট ইন্টেগ্রাৎসিয়ন৷”

তারা দেখেছে, এ দেশের ৮০০ স্কুলে এ মুহূর্তে মোট ৫৪ হাজার শিক্ষার্থী স্কুলে ইসলাম ধর্ম পড়ছে৷ দু’বছর আগে যেখানে ৪২ হাজার শিক্ষার্থী এ সুযোগ পেত, সেই তুলনায় ১২ হাজার অন্তত বেড়েছে বলে সন্তোষ প্রকাশ করেছে ‘মেডিয়েনডিনস্ট ইন্টেগ্রাৎসিয়ন৷’

তবে তারা মনে করে, আরো অন্তত দশগুণ শিক্ষার্থী আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও স্কুলে ইসলাম ধর্ম পড়ার সুযোগ পাচ্ছে না৷ জার্মানির অভিবাসন এবং শরণার্থী বিষয়ক কেন্দ্রীয় কার্যালয় বিএএমএফ ২০০৮ সালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল৷

‘জার্মানিতে মুসলমানদের জীবন’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ বছর আগে জার্মানিতে অন্তত ৫ লক্ষ ৮০ হাজার শিক্ষার্থী স্কুলে ইসলাম ধর্ম অধ্যয়নে আগ্রহী ছিল৷ বর্তমানে জার্মানের অনেক প্রাথমিক স্কুলেই ইসলাম ধর্ম পড়ানো হচ্ছে। তবে সব স্কুলে ইসলাম ধর্ম পড়ানো শুরু করা খুব সহজ কাজ নয়৷

প্রথমত, ইসলাম ধর্ম পড়ানোর মতো শিক্ষক প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম৷ আবার কোনো শ্রেণিতে অন্তত ১২ জন শিক্ষার্থী ধর্মীয় এ বিষয়টি পড়তে আগ্রহী না হলে এবং সেই আগ্রহের কথা তারা লিখিতভাবে না জানালে কোনো স্কুলের এ বিষয়ে উদ্যোগী হওয়ার সুযোগও নেই।

যে কারণে শান্তিতে নোবেল পেলেন কৃষকের ছেলে প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ ! চলতি বছরে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলী। শান্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জন্য তাকে এ পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার নরওয়ের স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) রাজধানী অসলো থেকে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি এবারের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে।

গত বছর ইরিত্রিয়ার সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তিতে সম্মত হয় ইথিওপিয়া। ক্ষমতায় আসার মাত্র ছয়মাসের মধ্যেই তিনি এই অবিশ্বাস্য সিদ্ধান্তটি নিয়েছেন।