ইসরাইলি সেনার গুলিতে ফিলিস্তিনি নিহত, আল-আকসার প্রবেশমুখ বন্ধ

ইসরাইলি সেনার গুলিতে ফিলিস্তিনি নিহত, আল-আকসার প্রবেশমুখ বন্ধ
জেরুজালেমের ওল্ড সিটিতে এক ফিলিস্তিনি কিশোরকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরাইলি বাহিনী। আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার (২১ ডিসেম্বর) রাতে পূর্ব জেরুজালেমের দিকে এই ঘটনা ঘটে। সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে ওমর নামে ওই কিশোর, তৎক্ষনাৎ ওমরকে লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি করলে ঘটনাস্থলেই নিহত হয় সে।

এক বিবৃতিতে ইসরাইলি পুলিশ বলছে, লায়ন্স ফটকের কাছে ইসরাইলি বাহিনীকে লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি ছুড়ে ১৭ বছর বয়সী মোহাম্মদ ওমর কামেল। পাল্টা জবাব দেয় ইসরাইলি বাহিনীও। তবে প্রতক্ষ্যদর্শীরা বলছেন, ফিলিস্তিনি কিশোরকে আটক করতে ধাওয়া করেন ইসরাইলি নিরাপত্তা সদস্যরা। একপর্যায়ে ওমরকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি গুলি করে তারা।
এ ঘটনার পর চারপাশে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে ওল্ড সিটির প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয় ইসরাইলি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পাশাপাশি আল-আকসা মসজিদের চত্বরে প্রবেশে সাময়িক সময়ের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

ওই ফিলিস্তিনি কিশোর পশ্চিম তীরের পাশের কাবাতিয়েহ গ্রামে বাস করে বলে জানা গেছে। নিহতের ঘটনায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

কাবা শরীফের ইমামের হাতে ইসলাম গ্রহণ করলেন আমেরিকান পর্যটক!

পবিত্র কাবা ঘরের ইমাম শাইখ ড: আবদুর রহমান আল-সুদাইসের হাতে ইসলাম গ্রহণ করেছেন স্টিভ নামক একজন স্টিভ মক্কায় শাইখ আল-সুদাইসের সাথে সাক্ষাত করার পর কালেমা পাঠ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

আন্তর্জাতিক আমেরিকান এই পর্যটক ইসলাম গ্রহণের পর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে বলেন, শাইখ সুদাইস-সহ আরো অন্যান্য ব্যক্তি, যারা ইসলামের শিক্ষা দিয়ে আমার অন্তরে ঈমানের আলো জ্বেলেছেন, আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

এসময় শাইখ সুদাইস বলেন, এখন থেকে আমি আর স্টিভ একে অপরের মুসলিম ভাই। ইসলামের বিশুদ্ধতা ও মহান আল্লাহর একত্ববাদের চমৎকার শিক্ষাই মূলত স্টিভের অন্তরে ইসলামের জন্য চিরন্তন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে সহায়তা করেছে।

এছাড়াও, মুসলিমদের বিভিন্ন ধর্মের লোকদের সাথে সহনশীলতা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখা দেখে স্টিভ কীভাবে এর দ্বারা গভীরভাবে আকৃষ্ট হয়েছিল তাও বর্ণনা করেন শাইখ সুদাইস।

সৌদি আরবে ভ্রমণের সময় যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো স্টিভের ইসলাম গ্রহণ করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছিল তা হল, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, প্রতিবেশী শিষ্টাচার, সহনশীলতা, ভ্রাতৃত্ব এবং সৌদি আতিথেয়তা।

মায়ামির ট্যুরিজম সেক্টরে কর্মরত স্টিভ তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বন্ধুর সাথে সৌদি আরবের আভা শহর ভ্রমণে ছিলেন। কাকতালীয়ভাবে সেখানে শাইখ আব্দুর রহমান আস-সুদাইসও উপস্থিত ছিলেন।

স্টিভের সাথে কিভাবে সাক্ষাৎ হয়েছে জানতে চাওয়া হলে শাইখ সুদাইস বলেন, আমার পাশেই একজন আমেরিকান ট্যুরিস্ট অবস্থান করছে জানতে পেরে আমি তাকে জমজমের পানি, খেজুর ও সৌদি কফি উপহার স্বরূপ দিয়েছিলাম। আর এভাবেই তার সাথে আমার পরিচয়।

শাইখ সুদাইসের মুখপাত্র আল-মাতাফী বলেন, ইসলাম সম্বন্ধে আরো বেশি জানতে স্টিভ ক্রমাগত আগ্রহ প্রকাশ করতেন এবং বেশি বেশি ইসলামী শিক্ষা সম্পর্কীয় বইপত্র পড়তেন।

তিনি বলেন, স্টিভের সাথে আলাপকালে শাইখ সুদাইস পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন আয়াত তিলাওয়াত করেন, যে আয়াতগুলোতে মুসলমানদেরকে তাদের প্রতিবেশীদের সাথে সদাচরণ ও একে অপরের হক আদায় করার ব্যাপারে হুকুম দেওয়া হয়েছে।

তিনি স্টিভকে বিশেষত হযরত মুহাম্মাদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার এক প্রতিবেশী ইহুদী বৃদ্ধার কাহিনী শুনিয়েছিলেন, যে বৃদ্ধা প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর আবর্জনা নিক্ষেপ করতো। কিন্তু নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে তার উপর দয়া প্রদর্শন করতেন। একদিন যখন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানতে পারলেন যে তার প্রতিবেশী বৃদ্ধা অসুস্থ হয়ে পড়েছে,তখন তিনি বৃদ্ধাকে দেখতে তার বাড়িতে গিয়েছিলেন।

আল-মাতাফ বলেন, এই কাহিনী শুনিয়ে শাইখ সুদাইস স্টিভকে বলেছিলেন, প্রতিবেশীদের বিষয়ে আমাদের সকলের জন্য এই ঘটনাটি একটি অমূল্য জীবন পাঠ যা সব প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

এই ঘটনার সমস্ত গুণাবলী আর মুসলমানদের মাঝে তার প্রত্যক্ষ করা গুণাবলি মিলে যাওয়ায় স্টিভ অনেক আশ্চর্য হওয়ার পাশাপাশি মুগ্ধও হয়েছিলেন।

পরবর্তীতে মুসলমান হওয়ার পর শাইখ সুদাইস অতিথি স্টিভকে মক্কায় পবিত্র কা’বা ঘরের ওমরা ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা মোবারক জিয়ারতের উদ্দেশ্যে আমন্ত্রণ জানালে স্টিভ অত্যন্ত খুশি হন।

মুখপাত্র আল -মুতরাফী বলেন, স্টিভ এতোটাই সুখের আনন্দে আত্মহারা হয়েছিলেন যে তার চোখ থেকে আনন্দাশ্রু বেয়ে পরছিলো। সূত্র ইনসাফপবিত্র কা’বা ঘরের ইমাম শাইখ ড: আবদুর রহমান আল-সুদাইসের হাতে ইসলাম গ্রহণ করেছেন স্টিভ নামক একজন

স্টিভ মক্কায় শাইখ আল-সুদাইসের সাথে সাক্ষাত করার পর কালেমা পাঠ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। আন্তর্জাতিক আমেরিকান এই পর্যটক ইসলাম গ্রহণের পর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে বলেন, শাইখ সুদাইস-সহ আরো অন্যান্য ব্যক্তি, যারা ইসলামের শিক্ষা দিয়ে আমার অন্তরে ঈমানের আলো জ্বেলেছেন, আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

এসময় শাইখ সুদাইস বলেন, এখন থেকে আমি আর স্টিভ একে অপরের মুসলিম ভাই। ইসলামের বিশুদ্ধতা ও মহান আল্লাহর একত্ববাদের চমৎকার শিক্ষাই মূলত স্টিভের অন্তরে ইসলামের জন্য চিরন্তন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে সহায়তা করেছে।

এছাড়াও, মুসলিমদের বিভিন্ন ধর্মের লোকদের সাথে সহনশীলতা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখা দেখে স্টিভ কীভাবে এর দ্বারা গভীরভাবে আকৃষ্ট হয়েছিল তাও বর্ণনা করেন শাইখ সুদাইস।

সৌদি আরবে ভ্রমণের সময় যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো স্টিভের ইসলাম গ্রহণ করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছিল তা হল, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, প্রতিবেশী শিষ্টাচার, সহনশীলতা, ভ্রাতৃত্ব এবং সৌদি আতিথেয়তা।

মায়ামির ট্যুরিজম সেক্টরে কর্মরত স্টিভ তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বন্ধুর সাথে সৌদি আরবের আভা শহর ভ্রমণে ছিলেন। কাকতালীয়ভাবে সেখানে শাইখ আব্দুর রহমান আস-সুদাইসও উপস্থিত ছিলেন।

স্টিভের সাথে কিভাবে সাক্ষাৎ হয়েছে জানতে চাওয়া হলে শাইখ সুদাইস বলেন, আমার পাশেই একজন আমেরিকান ট্যুরিস্ট অবস্থান করছে জানতে পেরে আমি তাকে জমজমের পানি, খেজুর ও সৌদি কফি উপহার স্বরূপ দিয়েছিলাম। আর এভাবেই তার সাথে আমার পরিচয়।

শাইখ সুদাইসের মুখপাত্র আল-মাতাফী বলেন, ইসলাম সম্বন্ধে আরো বেশি জানতে স্টিভ ক্রমাগত আগ্রহ প্রকাশ করতেন এবং বেশি বেশি ইসলামী শিক্ষা সম্পর্কীয় বইপত্র পড়তেন।

তিনি বলেন, স্টিভের সাথে আলাপকালে শাইখ সুদাইস পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন আয়াত তিলাওয়াত করেন, যে আয়াতগুলোতে মুসলমানদেরকে তাদের প্রতিবেশীদের সাথে সদাচরণ ও একে অপরের হক আদায় করার ব্যাপারে হুকুম দেওয়া হয়েছে।

তিনি স্টিভকে বিশেষত হযরত মুহাম্মাদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার এক প্রতিবেশী ইহুদী বৃদ্ধার কাহিনী শুনিয়েছিলেন, যে বৃদ্ধা প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর আবর্জনা নিক্ষেপ করতো। কিন্তু নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে তার উপর দয়া প্রদর্শন করতেন। একদিন যখন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানতে পারলেন যে তার প্রতিবেশী বৃদ্ধা অসুস্থ হয়ে পড়েছে,তখন তিনি বৃদ্ধাকে দেখতে তার বাড়িতে গিয়েছিলেন।

আল-মাতাফ বলেন, এই কাহিনী শুনিয়ে শাইখ সুদাইস স্টিভকে বলেছিলেন, প্রতিবেশীদের বিষয়ে আমাদের সকলের জন্য এই ঘটনাটি একটি অমূল্য জীবন পাঠ যা সব প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

এই ঘটনার সমস্ত গুণাবলী আর মুসলমানদের মাঝে তার প্রত্যক্ষ করা গুণাবলি মিলে যাওয়ায় স্টিভ অনেক আশ্চর্য হওয়ার পাশাপাশি মুগ্ধও হয়েছিলেন।

পরবর্তীতে মুসলমান হওয়ার পর শাইখ সুদাইস অতিথি স্টিভকে মক্কায় পবিত্র কা’বা ঘরের ওমরা ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা মোবারক জিয়ারতের উদ্দেশ্যে আমন্ত্রণ জানালে স্টিভ অত্যন্ত খুশি হন।

মুখপাত্র আল -মুতরাফী বলেন, স্টিভ এতোটাই সুখের আনন্দে আত্মহারা হয়েছিলেন যে তার চোখ থেকে আনন্দাশ্রু বেয়ে পরছিলো। সূত্র ইনসাফপবিত্র কা’বা ঘরের ইমাম শাইখ ড: আবদুর রহমান আল-সুদাইসের হাতে ইসলাম গ্রহণ করেছেন স্টিভ নামক একজন

স্টিভ মক্কায় শাইখ আল-সুদাইসের সাথে সাক্ষাত করার পর কালেমা পাঠ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। আন্তর্জাতিক আমেরিকান এই পর্যটক ইসলাম গ্রহণের পর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে বলেন, শাইখ সুদাইস-সহ আরো অন্যান্য ব্যক্তি, যারা ইসলামের শিক্ষা দিয়ে আমার অন্তরে ঈমানের আলো জ্বেলেছেন, আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

এসময় শাইখ সুদাইস বলেন, এখন থেকে আমি আর স্টিভ একে অপরের মুসলিম ভাই। ইসলামের বিশুদ্ধতা ও মহান আল্লাহর একত্ববাদের চমৎকার শিক্ষাই মূলত স্টিভের অন্তরে ইসলামের জন্য চিরন্তন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে সহায়তা করেছে।

এছাড়াও, মুসলিমদের বিভিন্ন ধর্মের লোকদের সাথে সহনশীলতা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখা দেখে স্টিভ কীভাবে এর দ্বারা গভীরভাবে আকৃষ্ট হয়েছিল তাও বর্ণনা করেন শাইখ সুদাইস।

সৌদি আরবে ভ্রমণের সময় যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো স্টিভের ইসলাম গ্রহণ করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছিল তা হল, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, প্রতিবেশী শিষ্টাচার, সহনশীলতা, ভ্রাতৃত্ব এবং সৌদি আতিথেয়তা।

মায়ামির ট্যুরিজম সেক্টরে কর্মরত স্টিভ তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বন্ধুর সাথে সৌদি আরবের আভা শহর ভ্রমণে ছিলেন। কাকতালীয়ভাবে সেখানে শাইখ আব্দুর রহমান আস-সুদাইসও উপস্থিত ছিলেন।

স্টিভের সাথে কিভাবে সাক্ষাৎ হয়েছে জানতে চাওয়া হলে শাইখ সুদাইস বলেন, আমার পাশেই একজন আমেরিকান ট্যুরিস্ট অবস্থান করছে জানতে পেরে আমি তাকে জমজমের পানি, খেজুর ও সৌদি কফি উপহার স্বরূপ দিয়েছিলাম। আর এভাবেই তার সাথে আমার পরিচয়।

শাইখ সুদাইসের মুখপাত্র আল-মাতাফী বলেন, ইসলাম সম্বন্ধে আরো বেশি জানতে স্টিভ ক্রমাগত আগ্রহ প্রকাশ করতেন এবং বেশি বেশি ইসলামী শিক্ষা সম্পর্কীয় বইপত্র পড়তেন।

তিনি বলেন, স্টিভের সাথে আলাপকালে শাইখ সুদাইস পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন আয়াত তিলাওয়াত করেন, যে আয়াতগুলোতে মুসলমানদেরকে তাদের প্রতিবেশীদের সাথে সদাচরণ ও একে অপরের হক আদায় করার ব্যাপারে হুকুম দেওয়া হয়েছে।

তিনি স্টিভকে বিশেষত হযরত মুহাম্মাদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার এক প্রতিবেশী ইহুদী বৃদ্ধার কাহিনী শুনিয়েছিলেন, যে বৃদ্ধা প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর আবর্জনা নিক্ষেপ করতো। কিন্তু নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে তার উপর দয়া প্রদর্শন করতেন। একদিন যখন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানতে পারলেন যে তার প্রতিবেশী বৃদ্ধা অসুস্থ হয়ে পড়েছে,তখন তিনি বৃদ্ধাকে দেখতে তার বাড়িতে গিয়েছিলেন।

আল-মাতাফ বলেন, এই কাহিনী শুনিয়ে শাইখ সুদাইস স্টিভকে বলেছিলেন, প্রতিবেশীদের বিষয়ে আমাদের সকলের জন্য এই ঘটনাটি একটি অমূল্য জীবন পাঠ যা সব প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

এই ঘটনার সমস্ত গুণাবলী আর মুসলমানদের মাঝে তার প্রত্যক্ষ করা গুণাবলি মিলে যাওয়ায় স্টিভ অনেক আশ্চর্য হওয়ার পাশাপাশি মুগ্ধও হয়েছিলেন।

পরবর্তীতে মুসলমান হওয়ার পর শাইখ সুদাইস অতিথি স্টিভকে মক্কায় পবিত্র কা’বা ঘরের ওমরা ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা মোবারক জিয়ারতের উদ্দেশ্যে আমন্ত্রণ জানালে স্টিভ অত্যন্ত খুশি হন।

মুখপাত্র আল -মুতরাফী বলেন, স্টিভ এতোটাই সুখের আনন্দে আত্মহারা হয়েছিলেন যে তার চোখ থেকে আনন্দাশ্রু বেয়ে পরছিলো।

ভ্রমণকারীর সাওয়াব লেখা হবে যেভাবে

ভ্রমণকারীর সাওয়াব লেখা হবে যেভাবে
আল্লাহ তাআলা অসুস্থ ব্যক্তি ও মুসাফিরের যে কোনো বৈধ দোয়া কবুল করেন। তাদের ইবাদত-বন্দেগি সহজ করে দিয়েছেন। যেমনিভাবে তারা সুস্থ ও মুকিম অবস্থায় বাড়িতে ইবাদত করতো সফরের সময়ও সেভাবে ইবাদতের সাওয়াব পাবে। তবে এর জন্য রয়েছে একটি শর্ত। কী সেই শর্ত?

অসুস্থতার কারণে কিংবা সফরের কারণে যদি কেউ সুস্থ থাকা কিংবা বাড়িতে থাকার মতো আমল করতে নাও পারে তারপরও তাদেরকে সাওয়াব দান করা হবে এবং অসুস্থ ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। হাদিসে এসেছে-

হজরত আবু মুসা আশআরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন বান্দা অসুস্থ হয় অথবা সফর করে তখণ তার সুস্থ ও বাড়িতে থাকা অবস্থায় যে সব আমল করত অনুরূপ তার সাওয়াব লেখা হবে।’ (বুখারি)

এ কারণেই অসুস্থতার আগে সুস্থতাকে মর্যাদা দেয়ার কথা বলা হয়েছে হাদিসে পাকে। কেননা সুস্থ থাকাকালীন সময়ে বান্দা কি কাজ করেছে সে হিসাব নেবেন আল্লাহ তাআলা।

শর্তটি হলো, বাড়িতে থাকার সময় কোনো ফরজ ইবাদত যদি তার ঘাটতি না হয় তবেই আল্লাহ সফরের সময় তার আমলনামায় বাড়িতে থাকার মতো সাওয়াব দান করবেন। তেমনিভাবে যারা সুস্থতার সময় ইবাদত-বন্দেগি করবে, অসুস্থ হয়ে গেলেও আল্লাহ তাআলা তাদেরকে সুস্থ থাকা অবস্থায় করা আমলের ন্যায় সাওয়াব দান করবেন।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে বাড়ি অবস্থানকালীন সময়ে সুস্থতার সময় যথাযথভাবে নামাজসহ ইসলামের বিধিবিধান পালনের তাওফিক দান করুন। হাদিসের ওপর আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।