চালকবিহীন ড্রোনের পর এবার চালকবিহীন যুদ্ধ হেলিকপ্টার তৈরি করল তুরস্ক

চালকবিহীন ড্রোন নির্মাণ করে ব্যাপক সফলতা পাওয়ার পর এবার চালকবিহীন যুদ্ধ হেলিকপ্টার তৈরি করেছে তুরস্ক।

নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টিটরা টেকনোলজি পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চালকবিহীন যুদ্ধ হেলিকপ্টারটি যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যাপক সময় উড়তে ও দূরত্বে যেতে পারবে।

টিটরা টেকনোলজির প্রধান নির্বাহী সালমান ডোনমেজ জানিয়েছেন, এই প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য মানব সর্ম্পৃক্ততা হ্রাস করা।

নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, এই হেলিকপ্টার ১৬০ কেজি ওজন বহনে সক্ষম। আর এটি ৮৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে যেতে পারবে। এই হেলিকপ্টারটি ৪ হাজার ৫৭২ মিটার উচ্চতায় উড়তে সক্ষম।

সালমান ডোনমেজ বলেন, আমরা ২০২১ সালের মধ্যে ব্যাপক উত্পাদনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছি।

তিনি বলেন, জরুরী ও দুর্যোগকালীন সময় রসদ সরবরাহ এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে এটিকে ব্যবহার করা যাবে। এছাড়াও এটি গোলাবারুদ সরবরাহের মতো কাজও করতে পারবে।

সূত্র: ইয়েনি শাফাক

আরও সংবাদ

ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের পর সাঁজোয়া যানের বহর প্রদর্শন করল ইয়েমেন

ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তৈরিতে নিজেদের দক্ষতা ও সক্ষমতা প্রমাণের পর এবার উন্নত সাঁজোয়া যান নির্মাণ ও প্রদর্শন করেছে ইয়েমেনের ন্যাশনাল স্যালভেশন সরকার।

জনপ্রিয় সংগঠন আনসারুল্লাহ সমর্থিত এই সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতরাতে (শনিবার রাতে) নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি সাঁজোয়া গাড়ির বহর প্রদর্শন করেছে। ইয়েমেনি বিশেষজ্ঞদের নির্মিত এই সাঁজোয়া যানের নাম দেওয়া হয়েছে বাস-ওয়ান। এরই মধ্যে এই মডেলের বেশ কয়েকটি যান নির্মাণ ও তা প্রদর্শন করা হয়েছে। ইয়েমেনের সংবাদ মাধ্যমে এসব তথ্য জানিয়েছে।

ইয়েমেনের ন্যাশনাল স্যালভেশন সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল করিম আমির উদ্দিন আল-হুথি গতরাতে এসব সাঁজোয়া যান উদ্বোধন করে বলেছেন, এসব সামরিক যান অত্যন্ত উন্নতমানের এবং যুদ্ধ ক্ষেত্রে ও গোয়েন্দা তৎপরতায় এগুলো ব্যবহার করা হবে।

তিনি আরও বলেন. ইয়েমেনের গণআন্দোলনের নেতা আবদুল মালিক বদরুদ্দিন আল-হুথির নির্দেশনা অনুযায়ী তারা এসব কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন।

আগ্রাসীদের হামলা এবং নানা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও সামরিক শক্তি বাড়ানোর কাজ এগোচ্ছে বলে তিনি জানান। এ সময় সেদেশের উচ্চ পদস্থ সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত প্রায় তিন বছরে ইয়েমেনের সামরিক বিভাগ উন্নত ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি উন্নত ড্রোন নির্মাণ করেছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সাফল্যের ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে।

২০১৫ সালের ২৬ মার্চ থেকে ইয়েমেনে আগ্রাসন চালিয়ে আসছে সৌদি আরব ও তার কয়েকটি মিত্র দেশ।