বিশ্বের কয়েকটি দেশের সঙ্গে অস্ত্র রপ্তানির চুক্তি করেছে ইরান

বিশ্বের কয়েকটি দেশের সঙ্গে অস্ত্র রপ্তানির চুক্তি করেছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান। এ তথ্য জানিয়েছেন ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির হাতামি।

তিনি আজ (বৃহস্পতিবার) বলেন, জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর থেকে অস্ত্র রপ্তানির ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। কয়েকটি দেশের সঙ্গে এরইমধ্যে চুক্তি সই হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগে যেসব দেশের সঙ্গে এ সংক্রান্ত সহযোগিতা ছিল সেসব দেশের সঙ্গেও সহযোগিতার বিষয়টি নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, অস্ত্র আমদানির বিষয়েও কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। জাতিসংঘের ২২৩১ নম্বর ইশতেহার এবং পরমাণু সমঝোতার ভিত্তিতে গত ১৮ অক্টোবর থেকে ইরান বিরোধী অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা অকার্যকর হয়ে গেছে। ইরানের কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞাও বাতিল হয়ে গেছে।

এর ফলে ইরান এখন জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোতে অস্ত্র রপ্তানির পাশাপাশি প্রয়োজনে এসব দেশ থেকে অস্ত্র আমদানিও করতে পারবে না। তবে ইরান প্রথম থেকেই বলে আসছে, অস্ত্র উৎপাদনের ক্ষেত্রে তারা স্বনির্ভরতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

ভারতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে হিজাব খুলতে বলায় স্বর্ণপদক প্রত্যাখ্যান করলেন সেই ছাত্রী

হিজাব পরে সমাবর্তনে অংশ নিতে বাধা দেওয়ায় প্রেসিডেন্ট রাম নাথ কোবিন্দের কাছে থেকে স্বর্ণপদক নিতে অস্বীকার করেছেন তামিলনাড়ু প্রদেশের পুন্ডিচেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম ছাত্রী রাবিহা আব্দুর রহিম। সেই ছাত্রীর জানায়, হিজাব খুলতে রাজি না হওয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর

সদস্যরা তাকে প্রে’সিডেন্টের কাছ থেকে পদক নিতে যাওয়ার সময় বাধা দেন।পরে তিনি প্রেসিডেন্টের হাত থেকে স্বর্ণপদক নানিয়েবিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে ছিলেন। তবে হিজাব পরার কারণে তাকে অডিটরিয়ামের বাইরে বসার নির্দেশ

দেওয়া হয়েছিল।অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ চলে যাওয়ার পর গণযোগাযোগের ওই ছাত্রী বিভাগের কর্মচারীদের কাছ থেকে শুধুমাত্র সার্টিফিকেট নেনজনসম্মুখে হেনস্থা করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বর্ণপদক প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।

রাবিহা সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন, ‘সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি অংশ নিয়েছিলেন। আমাকে সন্দেহ করা হচ্ছিল। কারণ তারা ধারণা করেছিল, আমি কিছু একটা করবো। আমি জানি না, তারা কেন এটা করছে। প্রে’সিডেন্ট সেখানে যতক্ষণ ছিলেন, ততক্ষণ আমাকে অডিটরিয়ামে থাকতে দেয়া হয়নি। এর

প্র’তিবাদে আমি স্বর্ণপদক প্রত্যাখ্যান করেছি।হিজাব পরে সমাবর্তনে অংশ নিতে বা’ধা দেওয়ায় প্রেসিডেন্ট রাম নাথ কোবিন্দের কাছে থেকে স্বর্ণপদক নিতে অস্বীকার করেছেন তামিলনাড়ু প্রদেশের পুন্ডিচেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম ছাত্রী রাবিহা আব্দুর রহিম। সেই ছাত্রীর জানায়, হিজাব খুলতে রাজি না হওয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর

সদস্যরা তাকে প্রে’সিডেন্টের কাছ থেকে পদক নিতে যাওয়ার সময় বাধা দেন।পরে তিনি প্রে’সিডেন্টের হাত থেকে স্বর্ণপদক নানিয়েবিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে ছিলেন। তবে হিজাব পরার কারণে তাকে অডিটরিয়ামের বাইরে বসার নির্দেশ

দেওয়া হয়েছিল। অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ চলে যাওয়ার পর গণযোগাযোগের ওই ছাত্রী বিভাগের কর্মচারীদের কাছ থেকে শুধুমাত্র সার্টিফিকেট নেনজনসম্মুখে হেনস্থা করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বর্ণপদক প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।রাবিহা সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব

ইন্ডিয়াকে বলেন, ‘সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি অংশ নিয়েছিলেন। আমাকে সন্দেহ করা হচ্ছিল। কারণ তারা ধারণা করেছিল, আমি কিছু একটা করবো। আমি জানি না, তারা কেন এটা করছে। প্রে’সিডেন্ট সেখানে যতক্ষণ ছিলেন, ততক্ষণ আমাকে অডিটরিয়ামে থাকতে দেয়া হয়নি। এর

প্রতিবাদে আমি স্বর্ণপদক প্রত্যাখ্যান করেছি।

আফগানিস্তানে কোরআন তেলাওয়াতের সময় হামলা, নিহত ১৫

আফগানিস্তানে এক কোরআন তেলাওয়াত অনুষ্ঠান চলাকালে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। আহত আরো ২০ জন। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শুক্রবার এই তথ্য জানিয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হতাহতদের সবাই একটি কোরআন তেলাওয়াত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক তথ্যের বরাত দিয়ে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তারিখ আরিয়ান জানান, মধ্য গজনি প্রদেশের এক জেলায় দুপুর দুইটা নাগাদ বিস্ফোরক বোঝাই মটর সাইকেল চালিত রিকশা বিস্ফোরিত হয়।

প্রাদেশিক গভর্নরের মুখপাত্র ওয়াহিদুল্লাহ জুমাজাদা বলেন, প্রাথমিক তথ্যানুসারে মটরসাইকেলে করে যখন এক ব্যক্তি বিভিন্ন জিনিষ বিক্রি করছিলেন এসময় তাকে ঘিরে ছিল অনেক শিশু। সেসময়ই বিস্ফোরণ ঘটে।

তিনি বলেন, তার পাশেই চলছিল কোরআন তেলাওয়াত অনুষ্ঠান।

এই হামলা দায় এখন পর্যন্ত কেউ স্বীকার করেনি বলে দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। আল জাজিরা, গান্ধারা ব্রিফিং

শান্তি আছে আলহামদুলিল্লাহর মধ্যে: মিজানুর রহমান আজহারী

এই দুনিয়ার পুরো জীবনটাই হচ্ছে লালসাময় একটা জীবন। লোভ, মরীচিকা, মায়াজ্বাল। এই মায়াজ্বালে আমরা আটকে আছি। ফলে মৃত্যুর কথা আমরা ভূলে গিয়েছি।

পাগলের মত ছুটছি..আরো টাকা লাগবে,আরো খ্যাতি লাগবে। আরো জশ লাগবে,আরো দাপট লাগবে আমার। এত টাকা দিয়ে কি হবে? এত সম্পদ দিয়ে কি হবে? এত ব্যস্ততা দিয়ে কি হবে তোমার?

STOP, থামুন!! অনেক হয়েছে আরনা। থামুন। Take a Rest, Take a Breath and Think about Death.Think that you have to go back to your lord.

একটু বসেন না, একটু ভাবেন। আমাকে চলে যেতে হবে। চলে যেতে হবে…এই কোলাহল, এই ব্যস্ততা, এগুলো থাকবে, থাকবনা আমি ‌ওমর ফারুক (রাঃ) বলেছেন, “মরার আগে একবার মর, তোমার হিসাব নেওয়ার আগে তুমি একবার নিজের হিসাব টা করনা।”

কাগজ বের করে একটু লিখনা কি কি ভাল কাজ করছিলা, যেগুলো দিয়ে নাজাতের উচিলা হতে পারে। ১,২,৩… আর কি কি আকাম-কুকাম করছ। লিখে দেখ তোমার অবস্থাটা কি। মরার আগে একবার মর।

মরার আগে খাটের মধ্যে চোখ বন্ধ করে একবার মরার ভান করে দেখেননা কেমন লাগে। চোখটা বন্ধ করেন আর ভাবেন আপনি নাই, কি কি হতে পারে ভাবেন।

আপনার ছেলে মেয়েরা কান্না জুড়ে দিবে। আপনার প্রাণের স্ত্রী বিলাপ শুরু করে দিবে।বন্ধু বান্ধবের চিৎকার আর মাতন, স্হানীয় এলাকার মসজিদে ঘোষণা অমুক এলাকার নিবাসী অমুক ভাই অমুকের ছেলে অমুক দুনিয়ায় নাই। সব আত্মীয়রা চলে আসবে, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়া হবে, সবাই সবাইকে জানাবে বিকাল ৪ টায় অমুক হাইস্কুল ময়দানে আপনার জানাজা।

ছুটে আসবে সবাই। ছুটে আসবে আপনাকে বিদায় জানানোর জন্য। ৪ তাকবীর দিয়ে আপনার জানাজা হবে, অশ্রুসিক্ত জানাজায় আপনার বিদায় হবে।

কাটের খাটিয়ার মধ্যে রেখে কাঁধে তুলে আপনাকে কবরে নেওয়া হবে। আগে থেকে কুড়ে রাখা কবরটার মধ্যে আপনারে বিছিয়ে দেয়া হবে। বাশের খচি দিয়ে তার উপরে মাটির চাপা দিয়ে সবাই চলে যাবে।

ভাবেননা একবার চোখ বন্ধ করে।
This is the circle of life. This is the nature of life.
এটা সবার হবে। আমার হবে। আপনার হবে। এত মায়া,এত ভালবাসা কয় যাবে? কেউ থাকবেনা। সবাই আপনাকে অন্ধকার কবরে রেখে দিয়ে চলে আসবে।

উপরে বাশের কন্চি তার উপরে মাটির চাপা, অন্ধকার আর অন্ধকার, এ অন্ধকার যেন শেষ হতে চায়না। শুধুই অন্ধকার..ঠিক কিনা? এ জন্য আমাদেরকে চলে যেতে হবে। দাদা গেলে,নানা গেল,চাচা গেল,মামা গেল, আমাদেরকেও যেতে হবে।

“একদিন মাটির ভিতরে হবে ঘর,
মন আমার কেন বান্ধ দালান ঘর।
প্রাণ পাখি উরে যাবে পিন্জর অ ছেড়ে, ধরাদমে সবই রবে তুমি যাবে চলে।
বন্ধু বান্ধব যত মাতা পিতা দ্বারা সুতো,
সবই হবে তোমার পর…
ও মন আমার কেন বান্ধ দালান ঘর।”

ঠিক কিনা? সব পরে থাকবে, চলে যেতে হবে আমাদেরকে। এজন্য আখিরাতের কথা যেন আমাদের স্মরণ হয়।

বিশ্বনবী বলতেন, আমি তোমাদেরকে কবর জিয়ারত করতে আগে নিষেধ করতাম কিন্তু এখন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিলাম। এখন সবসময় তোমরা কবরের সামনে যাবা আর জিয়ারত করবা।

কবরস্হানে জানত? একটু জাবেন। একটু গেলে আখেরাতের কথাটা স্মরণ হবে,ওখানে ছোট শিশুরা শুয়ে আছে। কিশোর,যুবকরা আছে। আপনার মত তাগড়া যুবক,মুরব্বিরা আছে। এরা এই এলাকায় থাকত।

এরা আকাশ থেকে নেমে আসেনাই, এরা এই এলাকারই সন্তান। আজ নাই। একটা Certain period শেষে আপনিও থাকবেননা।
This is the nature of life,This is the circle of life.

ছোট্ট শিশু হয়ে এসেছিলেন…শৈশব,কৈশোর,যৌবন,পৌড়ত্ব,। আগে ছিলেন Single, বিয়ে করে হয়ে গেলেন ডাবল। এরপর আল্লাহ আপনাকে একটা মেয়ে দিল। এরপর মেয়েকে বিয়ে দিয়ে শশ্বুর হলেন। এরপর অই মেয়ের ঘরে সন্তান হওয়াতে নানা হলেন। আর কতদিন? অনেক দিন হলত। অনেক লম্বা সময় পেয়েছেন আপনি।

Think about death. এবার যাওয়ার কথা ভাবেন। আখিরাতের সামানের কথা ভাবেন। ফিরে যেতে হবে। কি শক্তিশালী যুবক, বার্ধক্য চলে আসলে লাঠি ছাড়া চলতে পারেনা৷ কুচকুচে কালো দাড়ি সাদা হয়ে যায়। দাড়ির শুভ্রতা, বয়সের ভাড়। রং ধরা যৌবন,জং ধরে শেষ। ঠিক কিনা?

This is the circle of life.
যুবক ভাইয়েরা এটাই জীবন। চলে যেতে হবে,কেউ থাকতে পারবেনা। ঠিক কিনা? এটার রিমাইন্ডার আল্লাহ এই সূরার ভেতর দিয়েছেন, তোমাদেরকে ফিরে যেতে হবে। এই লোভ লালসা ছেড়ে দাও।

রাব্বুল আলামীন বলেন, ও গোলাম দুনিয়ার সম্পদ, লোভ লালসা তোদেরকে পাগল বানিয়ে দিয়েছে। এই লোভ পাগলামী কোনদিন তোদের থামবেনা যতদিননা তোরা কবরে ডুকবি। ঠিক কিনা? কার কথা? আল্লাহর।

আল্লাহ বললেন দুনিয়ার সম্পদ আর লোভ আর মোহে তোমরা গাফেল হয়ে গিয়েছ। আখেরাতের কথা বেমালুম তোমরা ভূলে গিয়েছ। কিন্তু আখেরাতে তোমাদের যেতেই হবে, কবরের বাড়িতে তোমাদের ডুকতেই হবে। ঠিক কিনা? যেতেই হবে, আমরা ভুলে যাই।

অতিরিক্ত পাওয়ার লোভ, বেশি বেশি খাওয়ার লোভ, বেশি বেশি জমানোর লোভ মানুষকে গাফেল বানিয়ে দিয়েছে। এটা মানুষের স্বভাব।

আরো চাই,আরো চাই.. এ স্বভাবটা আছে না নাই? দেখবেন ছোট বাচ্চারা মসজিদের দোয়া অনুষ্ঠান শেষে জ্বিলাপী দেয়না? আগে বাতাসা দিতনা? এখন কি দেয়? জ্বিলাপী দেই,মিষ্টি দেই। মসজিদের ২,৩ গেইট থেকে যদি দেই।

ছোট বাচ্চারা দেখবেন এদিক থেকে কয়েকটি নেই, নিয়ে আবার অই গেইটে লাইন ধরে। ওর হাত হল ছোট হাত। ওর হাত ভর্তি জ্বিলাপী, আর নেওয়ার জায়গা নাই। এরপরও আরেক জায়গায় লাইন ধরছে। আরো লাগবে। এই আরো, আরো চাই…এই স্বভাবটাই মানুষকে কুড়ে কুড়ে শেষ করে দিয়েছে। এত লাগবে কেন তোমার? চাহিদার কোন শেষ নাই।

Unlimited demand of human being, যার আছে বেশি তার চায় বেশি, যার সাইকেল আছে তার হোন্ডা চাই, হোন্ডা আছেত প্রাইভেট কার চাই, প্রাইভেট কার আছেত প্লেন চাই, প্লেন আছেত হেলিকপ্টার চাই,হেলিকপ্টার আছেত অইটা চাই।

এলাকার মেম্বার যে হয়েছে চেয়ারম্যান হতে চাই। আছে না নাই। চেয়ারম্যান সাহেব এমপি হতে চাই। আছে না নাই? এমপি সাহেব মন্ত্রী হতে চাই। আছে না নাই?

মানুষের চাহিদার কোন শেষ নাই। যার আছে বেশি তার চাই বেশি। এজন্য বিশ্বনবী বলেছেন তোমার চেয়ে যে খারাপ আছে তার দিকে তাকাও, তোমার চেয়ে যে ভাল আছে তার দিকে তাকাইও না। তোমার চেয়ে যে খারাপ অবস্হানে আছে ওর দিকে থাকাও।