কারাবাখে ধ্বংস হওয়া ধর্মীয় স্থানগুলির পুনর্নির্মাণ শুরু!

আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টের স্ত্রী এবং হায়দার আলিয়েভ ফাউন্ডেশনের প্রধান মেহরবান আলিয়েভার নির্দেশে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের একটি টিম নাগরনো-কারাবাখের মুক্ত অঞ্চলসমূহে ধ্বংস হওয়া ধর্মীয় ভবন ও মসজিদ পুনর্নিমাণের কাজ শুরু করেছেন।

জানা যায়, অস্ট্রিয়ার নির্মাণ সংস্থা আলেলিয়ার এরিক পামার গেসম্বএইচ-এর সভাপতি এরিক পামার আঘদাম মসজিদটি পরিদর্শনকালে এর বর্তমান অবস্থার মূল্যায়ন করেছিলেন।

এই প্রকল্পটি দেশী এবং বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে সম্পন্ন করা হবে। এর মাধ্যমে নাগরনো-কারাবাখের বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানগুলোকে পুনর্জীবিত ও সংস্কার করা হবে।
বর্তমানে শুশা ও আগাদম অঞ্চলের মসজিদসমূহ পুনর্র্নিমাণ করা হচ্ছে। এগুলো দীর্ঘদিন দখলে থাকার ফলে প্রায় ধ্বংস হয়েছে গিয়েছে। সূত্র: ইকনা

আট মাসেই হাফেজ হলো ৮ বছরের ফিলিস্তিনি শিশু আল আওয়াজ

ক্যানানাইটিসরা ভুমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত শহর গাজা, যেখানে প্রতিনিয়তই মৃত্যু আতঙ্ক বিরাজ করে মুসলিম অধিবাসীদের।

ইসরাইলি আগ্রাসনে যে শহরবাসীরা ঈদের নামাজ পড়তে গেলেও মৃত্যুকে হাতে নিয়ে ঈদগাহে যায়,

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ফিলিস্তিনের সেই গাজা শহরের ছোট্ট এক শিশু আলোড়ন তুলেছে।

মুসলিম বিশ্বের এক বিস্ময় বালক। বয়স মাত্র তার গুণে গুণে আট বছর। আর মাত্র আট মাসে পবিত্র আল কোরআন মুখস্থ করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিল আল আওয়াজ নামে আট বছরের ওই শিশু।

জানা গেছে, প্রতিদিন ১৬ পৃষ্ঠা করে কোরআনের আয়াত মুখস্থ করে নিত আল আওয়াজ।

ফিলিস্তিনের গাজাপ্রদেশের জাবালিয়া শহরে জন্ম ওই বিস্ময় বালকের।

স্থানীয় আল ওমরি মসজিদের কোরআন শিক্ষার মক্তবে নিয়মিত যেত ছোট্ট আল আওয়াজ।

সেখানে ওস্তাদের কণ্ঠে শুনে শুনেই নাকি প্রতিদিন এক পৃষ্ঠা করে মুখস্থ হয়ে যেত তার।

একদিন তার মনে হলো এই পৃষ্ঠা সংখ্যা তো আরও বাড়িয়ে নেয়া যায়।

অতঃপর ধীরে ধীরে ছোট্ট আওয়াজ ২-৩ পৃষ্ঠা করে আয়ত্ত করতে শুরু করে।

একসময় সে আয়ত্ত গিয়ে দাঁড়ায় দৈনিক ১৬ পৃষ্ঠা পযর্ন্ত।

এ ছাড়া আগে মুখস্থ করা আয়াতগুলো ফের ঝালিয়ে নিতে দৈনিক ১৬ পৃষ্ঠা মুখস্থের পাশাপাশি ৪৫ পৃষ্ঠা পেছনের পড়া নিয়মিত পড়ত আল আওয়াজ।

এভাবেই যেখানে অত্যাচারী ইসরাইলিদের গোলাবারুদের আঘাতে গাজা যখন ক্ষতবিক্ষত হচ্ছিল, তখন আল ওমরা মসজিদের এক কোণে বসে মাত্র ৮ বছরের ছোট্ট এক ফিলিস্তিনি শিশু আট মাসেই ইসলাম ধর্মের ঐশী বাণীর পুরোটাই আত্মস্থ করল ।

আল আওয়াজকে এখন সবাই আল কোরআনের পাখি বলেই সম্বোধন করে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক কুরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনা