নাসায় বিজ্ঞানী হিসেবে যোগ দিলেন সুনামগঞ্জের ফাহাদ

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ন্যাশনাল অ্যারোনোটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে (নাসা) বিজ্ঞানী হিসেবে যোগ দিয়েছেন সুনামগঞ্জের ড. ফাহাদ আল আব্দুল্লাহ।

সম্প্রতি নাসার গড্ডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে পোস্টডক্টরাল সায়েন্টিস্ট হিসেবে যোগ দিয়েছেন তিনি। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বিরামপুর গ্রামের সাবেক বিজিবি সদস্য আহমেদ আলীর ছেলে তিনি। মা গৃহিণী।

ফাহাদ আল আব্দুল্লাহ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০৭ সালে মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। ২০০৯ সালে জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্নের পর ২০০৯-১০ সেশনে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন।

পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক সম্পন্নের পর জিআরই (GRE) ও টোফেল (TOEFL) উচ্চ স্কোর অর্জন করে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপে যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ ম্যাসন বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষণার সুযোগ পান। সেখান থেকে মাত্র চারবছরে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

ফাহাদ নাসার গ্লোবাল মডেল অ্যান্ড স্যাটেলাইট ডাটা অ্যাসিমিলেশন অফিসে কাজ করবেন। সেখানে তাঁর প্রাথমিক প্রকল্প থাকবে ইউএমডি ও নাসা জেপিএল-এর সহযোগিতায়। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় সস্ত্রীক অবস্থান করছেন।

ড. ফাহাদ আল আব্দুল্লাহ বলেন, বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান নাসায় কাজ করার সুযোগ পাওয়াকে স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। এপর্যন্ত আসায় পরিবারের সদস্যরা সহ সকল শিক্ষক, সহপাঠী ও সহকর্মীদের অবদান ও অনুপ্রেরণাকে কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি। দেশের জন্য যেন সুনাম বয়ে নিয়ে আসতে পারি সেজন্য সকলে দোয়া করবেন।

ফজরের নামাজ শেষে নাতিকে কোরআন শেখাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান ও তার নাতীর একটি ছবি।

যেখানে দেখা গেছে, নাতীকে পবিত্র কোরআন শেখাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান।

ছবিটি দেশটির প্রথম সারির গণমাধ্যমেও প্রকাশ হয়েছে। শুক্রবার তুরস্কের বহুল প্রচারিত পত্রিকা ইয়েনী সাফাক ছবিটি ছাপিয়ে লিখেছে, গভীর রাতে বা ফজর নামাজের পরে কিছুটা অবসর সময় পান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।

সে সময়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান তিনি। মাঝেমধ্যে সময় পেলেই নাতিকে কোরআন শেখাতে বসে যান এরদোগান।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান একজন কুরআনের হাফেজ এটা অনেকেই জানেন। শুধু তাই নয়, বর্তমানে পৃথিবীতে তিনিই একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি একাধারে প্রেসিডেন্ট এবং পবিত্র কুরআনে হাফেজ

সেদেশের পার্লামেন্টে মাঝে মাঝেই তিনি নামাজের ইমামতি করেন এছাড়া তুরস্কের অনেক মসজিদেও ইমামতি করেছেন।

তবে জানা গেছে, এই সময়ের ছবি নয় এটি। ২০১৬ সালের ১৫ জুলাইয়ে তোলা ছবি এটি।

এ প্রসঙ্গে এরদোগান দেশটির বেসরকারি টিভি চ্যানেল ২৪ টিভিতে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন যে, ছবির শিশুটি আমার নাতি আহমেদ আকিফ। আমার জামাতা তুরস্কের অর্থবিষয়ক মন্ত্রী বেরাত আলবায়রাকের ছেলে।

ছবিটি মারমারিসে সেই রাতে তোলা হয়েছিল যে রাতে ব্যর্থ অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা করা হয়েছিল। আমি সেদিন আমার নাতিকে বলেছিলাম দৈনিক পাঁচ পৃষ্ঠা করে কোরআন পড়তে।

মাশাআল্লাহ, তার আগ্রহ দেখে আমি অভিভূত হয়ে যাই। আমার সঙ্গে পড়তে পড়তে ধীরে কোরআন পড়া শিখে গিয়েছিল সে।

তুরস্কের গণমাধ্যম হুররিয়াত ডেইলি নিউজ জানিয়েছে, আহমেদ আকিফ আলবায়রাকের মায়ের নাম ইশরা আলবায়রাক। তার বাবা বেরাত তুরস্কের জ্বালানি মন্ত্রী ছিলেন।