পাকিস্তানের প্রখ্যাত আলেম মাওলানা তারেক জামিল করোনা আক্রান্ত

জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার, মুসলিম দাঈ, পাকিস্তানের প্রখ্যাত আলেমেদীন মাওলানা তারেক জামিল করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। স্থানীয় সময় রোববার রাত ৮টায় নিজের টুইটার একাউন্টে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

টুইট বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, কয়েকদিন ধরে অসুস্থ বোধ করছেন। যার কারণে তিনি করোনা পরীক্ষা করিয়েছেন। পরীক্ষার ফল ‘পজেটিভ’ এসেছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি তার প্রিয়জনদের কাছে বিশেষ দোয়ার আবেদন করেছেন।

উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে পাকিস্তানে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টার মধ্যে, পাকিস্তানে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে তিন হাজার ৩৬৯ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত হয়েছেন, চার লাখ ৩৮ হাজার ৪২৫জন।

ম্যাখোঁর বিরুদ্ধে ফুঁসছে ফরাসিরা

আবারও উত্তাল প্যারিসের রাজপথ। কর্মক্ষেত্রে পুলিশের ছবি প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আইনের পরিকল্পনার প্রতিবাদে গত কয়েক সপ্তাহের মতো এ শনিবার বিক্ষোভ হয়। এতে অংশ নেন হাজার হাজার ফরাসি।

যে কোনো বিশৃঙ্খলা এড়াতে নিরাপত্তা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়। বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করতে থাকে। একপর্যায়ে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ বেধে যায়।

এ সময় কয়েকজন বিক্ষোভকারী আহতও হন। আটক করা হয় অনেক বিক্ষোভকারীকে। জবাবে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছোড়ে, মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা।

ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, পুলিশকে অধিক ক্ষমতা ও সুরক্ষা দেয়া বিলটি বাতিলের দাবিতে, প্যারিসে বৃষ্টিভেজা সড়কে বিক্ষোভে নামে কয়েক হাজার মানুষ। কিন্তু মোতায়েন করা অতিরিক্ত পুলিশ বিক্ষোভের মধ্যে ঢুকে পড়লে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

দেড়শ জনকে আটকের কথা জানিয়েছেন ফ্রেঞ্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডার্মানিন। আগের বিক্ষোভগুলোতে দোকানপাট ও গাড়ি ভাংচুর এবং পুলিশের ওপর হামলাকারীদের ধরতে বিক্ষোভের ভেতর পুলিশ ঢোকে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ইমানুয়েল ম্যাখোঁর সরকারের নতুন প্রস্তাবিত বিল অনুযায়ী, পুলিশের জন্য ক্ষতিকর হয় এমন ছবি ও ভিডিও করা যাবে না। এরই মধ্যে সংসদের নিম্নকক্ষে পাস হওয়া বিলটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকোচন ও পুলিশের নিষ্ঠুরতা বাড়াবে উল্লেখ করে শুরু থেকেই বিক্ষোভ করে আসছে হাজার মানুষ।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, ‘সরকার এ আইনটি বাস্তবায়ন করতে চায়, আমরা তা চাই না। এটা গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার জন্য হুমকি। এ আইন পুলিশের ক্ষমতা আরও বাড়াবে।’ আরেকজন বলেন, ‘আমরা এই পদ্ধতিগত পুলিশি সহিংসতার নিন্দা জানাচ্ছি।

এ আইন পুলিশি নিপীড়ন বাড়িয়ে দেবে। আমরা তা হতে দিতে পারি না। দিন গড়িয়ে রাত হলেও রাজপথ ছাড়েননি বিক্ষোভকারীরা। এ সময় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ধস্তাধস্তিও হয়। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান নিক্ষেপ করে পুলিশ।

সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিভিন্নস্থান থেকে দেড় শতাধিক আন্দোলনকারীকে আটক করেছে পুলিশ। খসড়া আইনের ২৪ অনুচ্ছেদে যেটিতে পুলিশের চেহারা দেখাতে বারণ করা হয়েছে সেটিসহ সব অনুচ্ছেদ বাতিলের জোর দাবি জানিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভ চলছে ফ্রান্সে।

বিক্ষোভকারীদের মতে, পুলিশ সদস্যদের চেহারা দেখা না গেলে বা শনাক্ত করা সম্ভব না হলে, পুলিশি নির্যাতনের ঘটনা আরো বেড়ে যাবে। একইসঙ্গে এই খসড়া আইনকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলেও মনে করছেন আন্দোলনকারীরা। ডয়চে ভেলে, রয়টার্স